
ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ছাড় আদায় করতে চাইছে। লক্ষ্য একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে আবার জুনের সেই সমঝোতার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণ।

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিশরও যোগ দিতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এই চুক্তিতে তিনি কায়রোর অন্তর্ভুক্তিকে ‘সম্ভব’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, জোটটি ভবিষ্যতে আরও সদস্য গ্রহণের জন্য উন্মুক্ত।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের ইঙ্গিত দিয়েছে। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, কোনো এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান বিশ্বের শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি এবং একমাত্র মুসলিম পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ। এই তিন শক্তির মেলবন্ধনে আত্মপ্রকাশ করেছে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি'।

গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তির আওতায় তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রীদের নিয়ে যৌথ কাঠামো গঠন, সামরিক মহড়া এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও বাড়াবে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এসব জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। আঞ্চলি

মক্কার আল-সফা প্রাসাদে গত ৭ আগস্ট তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কে যাওয়া ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে করে তুরস্ক থেকে যুক্তরাজ্যে উড়াল দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প বিমানে ওঠার কিছুক্ষণ পর গোপনে খাবারের ট্রাকের মাধ্যমে সেটি থেকে বের হয়ে অন্য একটি বিমানে ওঠেন এবং সেই বিমানেই যুক্তরাজ্যে যান।

হুতিদের হুমকি মনে করছে সৌদি আরব। তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়েছে। এই তিন দেশই আবার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র। এই ত্রিদেশীয় জোটের প্রয়োজন হলো কেন? বিশ্বরাজনীতিতে এই জোট কী প্রভাব ফেলবে?

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে গতকাল শুক্রবার এক ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। গত বছরও সৌদি আরব ও পাকিস্তান একই ধরনের একটি চুক্তি করেছিল।

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ শুক্রবার জেদ্দায় সৌদি আরবের যুবরাজ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় চুক্তিটি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

সফরকালে সেনাপ্রধান তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

তুরস্কের আঙ্কারায় হয়ে যাওয়া ন্যাটো সম্মেলনটি বেশ সফল হয়েছে। প্রথমত, ইউরোপের নেতারা নিজেদের সামরিক খরচ বাড়ানোর প্রমাণ দেখিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্ত রাখতে পেরেছেন। ফলে বড় কোনো ঝামেলার সৃষ্টি হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে একটি নতুন মনস্তাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল তৈরি করছে। ওয়াশিংটন মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক ফ্রন্টসমূহ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর জোট গঠনকে একটি একক কৌশলে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে বাধ্য। সম্প্রতি তুরস্কের আঙ্কারায়

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভেঙে গেছে’ এবং তা এখন সম্পূর্ণ অতীত বলে জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এ ঘৌষণা করেন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কাজে মনেই হচ্ছিল তারা ইরানের সাথে করা সমঝোতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়।

দীর্ঘদিন ধরেই তুরস্ক ও ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক হুমকি ও কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। তবে ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই বৈরিতা চরম রূপ ধারণ করেছে, যা বর্তমানে প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ইসরায়েলের রাজনৈতিক মহলে এখন তুরস্ককে ইরানের সমপর্যায়ের প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

জেরুসালেমে অনুষ্ঠিত ‘জেএনএস (জিউইশ নিউজ সিন্ডিকেট) ইন্টারন্যাশনাল পলিসি সামিট’-এ বিশিষ্ট জায়নবাদী কর্মী ও হারুত সেন্টারের প্রধান নির্বাহী আমিয়াদ কোহেন এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছেন।

প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরে যায় তুরস্ক। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে এই ম্যাচে অন্তত ড্র করতে হত তুর্কিশদের। তবে ১০ জনের প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে শেষ হয়ে গেছে সেই আশা।

স্বাগতিক দল হিসেবে আমেরিকার ওপর ভালো করার একটা চাপ আছে। গ্রুপে স্বাগতিকদের মূল হুমকি কোন দল? অস্ট্রেলিয়া না তুরস্ক? নাকি লাতিন দল প্যারাগুয়ে সবাইকে চোখ রাঙাবে? ফুটবলার মাতসুশিমা সুমাইয়ার বিশ্লেষণ দেখুন।

‘শরণার্থী’ ইরানকুন্ডার গোলে এগিয়ে যাওয়া, এরপর মেটকাফের গোলে তুরস্কের বিপক্ষে গ্রুপ ‘ডি’তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২–০ গোলে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপে ২৪ বছর ফিরেই হারের তেতো স্বাদ নিতে হলো তুরস্ককে।