
প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে খ্রিষ্টান অধ্যুষিত বিশ্বের এক বিশাল অংশ একটি পরিচিত উৎসবের আবহে প্রবেশ করে। এর অবিচ্ছেদ্য অংশ বড়দিনের গান, আলোকসজ্জা, সাজানো গাছ, কেনাকাটার তোড়জোড় ও স্নিগ্ধ তুষারভেজা রাত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ডিসকোর্সে প্রায়ই ‘পাশ্চাত্য খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধ’এমনকি ‘ইহুদি–খ্রিষ্টান সভ্যতা’র ম

সমাজে মানুষের একে অপরের ওপর এই ভরসা রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গভীর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে আমেরিকাতে দেখা গেছে, যারা অন্যদের বিশ্বাস করেন, বিপদের সময় প্রতিবেশী বা বন্ধুদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে তাদের এগিয়ে আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

নতুন এই আইনের আওতায় সহিংসতা উসকে দেওয়া ধর্মপ্রচারক ও নেতাদের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হবে। এ ছাড়া ‘গুরুতর ঘৃণা উসকানিমূলক বক্তব্য’ নামক একটি নতুন ফেডারেল অপরাধের ধারা এবং অনলাইন হুমকি ও হয়রানির ক্ষেত্রে ‘ঘৃণা’ বা ‘বিদ্বেষ’ ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্দাই সমুদ্র সৈকতে ইহুদিদের একটি উৎসবে হামলার ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন বন্দুকধারী বাবা ও ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন।

অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি ইহুদি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন বন্দুকধারীরা হামলা চালায়। এই নৃশংস ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় এক ডজন মানুষ আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বয়াতি আবুল সরকারের মুক্তির দাবি এবং বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ২৪ নভেম্বর (২০২৫) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের আয়োজন করে ‘সাধুগুরুভক্ত ও ওলি-আওলিয়া আশেকান পরিষদ’।

আইন, প্রত্নতত্ত্ব, বসতি স্থাপন, জনসংখ্যাগত চাপ, রাজনৈতিক দমন ও সামাজিক বিভাজনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েল একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে ধীরে ধীরে শেষ করে দিচ্ছে।

ইসরায়েল–ফিলিস্তিন সংঘাতের সূচনা উনিশ শতকের শেষ ভাগে, যখন ইউরোপে নির্যাতনের শিকার হয়ে ইহুদিরা জায়নবাদী মতবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে ফিলিস্তিনে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেয়। ১৮৯৭ সালে প্রথম জায়নবাদী কংগ্রেসে ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য স্থির করা হয়।