
ফিলিস্তিনিরা বলছে, পশ্চিম তীরজুড়ে বসতি স্থাপনকারীরা কোনো শাস্তির মুখোমুখি না হয়েই জমি ও সম্পদ দখল করতে পারছে। এমনকি যেসব এলাকায় তাদের কাছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দেওয়া মালিকানার নথি রয়েছে, সেসব এলাকাতেও এমন ঘটনা ঘটছে।

হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে আজ রোববার জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া গাজার ২৪ জন ফিলিস্তিনিকে নিজ এলাকায় পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি)।

এই মৌলিক পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত করা না গেলে সাম্প্রতিক সব রক্তক্ষয় ও ধ্বংসযজ্ঞ কেবল ‘শব্দ ও উত্তেজনার’ এক অর্থহীন মহড়া হিসেবেই রয়ে যাবে এবং বর্তমান যুদ্ধবিরতিটি পরবর্তী নতুন কোনো ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের ক্ষণগণনা হিসেবে কাজ করবে।

গাজায় যুদ্ধের পর এবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে সিরিয়া। কেন ইসরায়েল নিয়মিত সিরিয়ায় হামলা চালাচ্ছে? ১৯৭৪ সালের চুক্তি কেন ভেঙে পড়ল? সিরিয়ার পরিণতি কি গাজার মতোই হতে যাচ্ছে?

গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার যুক্তিতে একের পর এক হামলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এমনকি যুদ্ধবিরতি চলমান থাকা অবস্থাতেও ইসরায়েল নিয়মিতভাবেই হামলা করে যাচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রতিবেশী দেশ সিরিয়া।

নাবলুসের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কুসরা গ্রামের পরিষদপ্রধান আবদেল আজিম ওয়াদি বলেন, রোববার ভোরে বসতি স্থাপনকারীরা তার গ্রামের সদ্য নির্মিত একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার প্রতিবাদে তেল আবিবে বিক্ষোভে নামলেন ইসরায়েলি মানবাধিকার কর্মীরা। সংঘর্ষে নিহ*ত হয়েছেন ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি সেনাসদস্যরা। এদিকে নতুন বসতি নির্মাণ ত্বরান্বিত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের গাজা যুদ্ধের শিকড় লুকিয়ে আছে ১০০ বছরেরও বেশি সময় আগের লিগ অব নেশনসের ১৯২২ সালের ‘ম্যান্ডেট ফর ফিলিস্তিন’ চুক্তিতে। পরাশক্তিগুলোর সামরিক দখলদারত্ব ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আইনের আড়ালে বৈধতা দেওয়াই ছিল এই দীর্ঘায়িত সংকটের মূল সূচনা।

ফিলিস্তিনি প্রশাসনের জেরুজালেম কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৪ হাজার ২৮৮ জন ইসরায়েলি আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছে। সূর্যাস্ত পর্যন্ত এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এবং ৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত মার্চ মাসে অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলোতে অবস্থিত ইসরায়েলি ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অস্বীকৃতি জানায় ফিফা। তবে বৈষম্য এবং আপত্তিকর আচরণের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে তারা ইসরায়েলি অ্যাসোসিয়েশনকে ১ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ ডলার) জরিমানা করে।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট আব্বাস একটি ডিক্রি জারি করেছেন, যেখানে অধিকৃত পশ্চিম তীর, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজাসহ সমস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আগামী ২৮ নভেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

ইরান যখন পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করে তোলে, তখন অনেক বিশ্লেষকই ধরে নিয়েছিলেন, এর ফলে ইরান ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলোর সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের জন্য তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। একই সঙ্গে তারা মনে করেছিলেন, এই পরিস্থিতি আরব দেশগুলোকে ইস

ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের (কেসিএল) নেওয়া কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আল জাজিরা ও লিবার্টি ইনভেস্টিগেটস।

প্রায় দুই দশক ধরে গাজা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করার পর ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। সেই সঙ্গে উপত্যকাটির পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনকেও স্বাগত জানিয়েছে হামাস।

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য কাজ করা জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএয়ের ১০০ মিলিয়ন ডলারের তহবিলের ঘাটতি পূরণে সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

হাজার হাজার ভক্ত সংহতির প্রতীক হিসেবে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করেছেন এবং বিশ্বকাপকে রাজনৈতিক অভিব্যক্তির এমন এক মঞ্চে রূপান্তরিত করেছেন যা ফিফা নিজে এড়াতে চেয়েছিল।

গত দুই বছরে প্রায় সব আন্তর্জাতিক মঞ্চেই ইসরায়েলকে গাজায় গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে মিত্র অনেক দেশও আছে, যারা অতীতে সংঘাত ও সংকটের সময়ে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে।

১৮৮৩ সালের কথা। অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের প্রাগ শহরে জন্ম হয় কাফকার। জীবিকার তাগিদে যোগ দেন এক বীমা কোম্পানিতে। দিনভর অফিসের ডেস্কে ফাইল চালাচালি শেষে তার আসল দিন শুরু হতো রাতে আর ছুটির দিনে। কলম হাতে বসতেন তিনি।

বাদশা আবদুল্লাহর সামনে এখন এক ঐতিহাসিক ও অস্তিত্বের লড়াই: হয় নেতানিয়াহু-কুশনারের পরিকল্পনার কাছে নতি স্বীকার করা, অথবা নিজের জীবন ও সিংহাসন বাজি রেখে ইসলামের পবিত্রতম স্থান রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা।