
আরাঘচি বলেন, ইরানে ব্যাপক হামলার কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়টি এর ওপর আংশিকভাবে নির্ভর করবে।

যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের আচরণ সংশোধন না করা হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না বলে জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। সেই সঙ্গে প্রণালিটি পুনরায় চালু করতে বেশকিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে তেহরান।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, জ্বালানি সরবরাহের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ইরানকে দেওয়ার বিষয়ে তারা কখনোই সম্মত হবেন না। তবে প্রস্তাবিত চুক্তির শর্তগুলো পরিবর্তনের জন্য তারা কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বুধবার বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের রুটের ভৌগোলিক সীমারেখা নিয়ে ইরান ও ওমান সমঝোতায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, কোনো তৃতীয় পক্ষ বাধা সৃষ্টি না করলে এ বিষয়ে দুই দেশের যৌথ ঘোষণা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি শর্ত মেনে নেওয়ার আভাস দিলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘চুক্তি প্রায় নিশ্চিত’ সংক্রান্ত মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রগুলো। তাদের মতে, চুক্তির মূল ও সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে এখনো সমঝোতা হওয়া বাকি।

অ্যাক্সিওস দুই আঞ্চলিক সূত্র ও যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ওমানের সম্মতিতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে।

নির্মল পুরজা ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনীতে গুর্খা সেনা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৯ সালে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বত আরোহণ করে তিনি রেকর্ড গড়েন।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের চীনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ হেনরি টুগেনডহাট রয়টার্সকে বলেন, বেইজিংয়ের প্রধান লক্ষ্য হলো অঞ্চলের সব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা। কোনো এক পক্ষের প্রকাশ্য সমর্থন দিয়ে কূটনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকি নিতে চায় না তারা।

ইরানের ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, কৌশলগত এই নৌপথ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব তাদের ‘অবাস্তব পরিকল্পনা’ এগিয়ে নিতে ওমানের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

হরমুজ প্রণালি পরিচালনার জন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থিত একটি প্রস্তাব ইরানের কাছে উত্থাপন করেছে ওমান। এতে প্রণালিটি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে স্বেচ্ছাভিত্তিক ফি নেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি সূত্র এবং বিষয়টি সম্পর্

ইরানের দাবি, জাহাজগুলোকে কেবল হরমুজ প্রণালির সেই নৌপথ দিয়েই চলাচল করতে হবে, যা তাদের উপকূলের কাছাকাছি এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন। এই পথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে তারা ট্রানজিট ফিও আদায় করতে চায়।

ওমান উপকূলে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি তেল ট্যাংকারে মার্কিন সামরিক অভিযানে তিন ভারতীয় নাবিক নিহ*ত হয়েছেন। ওয়াশিংটনের অবরোধ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চালানো এই হামলায় নি*হতদের মধ্যে উত্তর প্রদেশের শিবানন্দ চৌরাসিয়াও রয়েছেন, যার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এই যুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের পক্ষে কানাডা এবং পরোক্ষভাবে ইউরোপ অবস্থান নিলেও, রাশিয়া ও চীন সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা ও মার্কিন স্বার্থের দোলাচলে পড়ে ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। আর পাকিস্তান ও ওমানের মতো দেশগুলো কূটনীতির মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ

ওমানকে একসময় ‘মধ্যপ্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড’ বলা হতো শান্ত ও নিরপেক্ষ ভূমিকার জন্য। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ওমান কেবল আলোচনার নীরব আয়োজক হয়ে থাকতে পারছে না।

ওমান উপসাগরের উত্তাল জলরাশিতে ভারতীয় জাহাজ ‘এমএসভি হাজি আলি’-র ওপর রহস্যময় ড্রোন হামলা! ১৪ জন ভারতীয় নাবিক অলৌকিকভাবে রক্ষা পেলেও তলিয়ে গেছে জাহাজটি। ২০২৬ সালের এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী ‘হরমুজ প্রণালি’ কি এখন অনিরাপদ?

ওমান থেকে ফেরার পথে যান্ত্রিক গোলযোগে আরব সাগরে আটকা পড়ে ভারতীয় জাহাজ এমভি গৌতম। সাতজন নাবিকের জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসে পাকিস্তানি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ কাশ্মীর। মানবিক সহায়তার পাশাপাশি জাহাজটিকে পুনরায় সচল করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সাহায্য দেয় পাকিস্তান।

ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজ নিশানা করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের খবরে এই দাবি করা হয়।

আইআরজিসির খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইরান বনাম ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান আঞ্চলিক যুদ্ধের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোতে। আজ শুক্রবার সকালে ওমানের সোহার প্রদেশে ড্রোন হামলায় দুই বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

আপাতত সরবরাহ নিশ্চিত থাকলেও আর্থিক ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি মাসে জ্বালানি আমদানিতে ৪৫০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও বিমার প্রিমিয়াম বেড়ে গেলে এই খরচ আরও বাড়বে।