চরচা প্রতিবেদক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশ এবং তেলের ২০ শতাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়।
বাংলাদেশের মতো আমদানি-নির্ভর অর্থনীতির জন্য এই পরিস্থিতি এক বিপৎসংকেত। তবে নতুন সরকার এই সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বিকল্প পথের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকারের জ্বালানি বিভাগের প্রত্যাশা, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মধ্যপ্রাচ্যে শুরু যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত জ্বালানি রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছোঁয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে সোমবার, ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৮১ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। গত সপ্তাহে এই দর ছিল ৭০ ডলারের কিছু বেশি।
তবে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই সংঘাতের আঁচ বাংলাদেশে সরাসরি লাগার আগেই সরকার আমদানির রুট এবং উৎসে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল পথগুলোর অন্যতম হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনের এই পথের উত্তর পাশে ইরান এবং দক্ষিণপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই করিডোরের প্রবেশ এবং প্রস্থানপথ প্রায় ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত।
প্রণালীটির সবচেয়ে সরু অংশ প্রায় ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত। এ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
এই প্রণালীর মূল অংশ বড় জাহাজ চলাচলের জন্য যথেষ্ট গভীর। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল ও গ্যাস উৎপাদক ও তাদের গ্রাহকরা এই প্রণালী দিয়েই তেল-গ্যাস আনা-নেওয়া করে।
ফুজাইরাহ রুট: হরমুজ প্রণালীর বিকল্প
বাংলাদেশ মূলত সৌদি আরব এবং আবুধাবি থেকে প্রতি বছর প্রায় ১০৫ কোটি ডলারের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে। এই তেল হরমুজ প্রণালী হয়ে আসত। তবে ২০২৫ সাল থেকেই বাংলাদেশ আবুধাবির ফুজাইরাহ টার্মিনালকে বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে রেখেছে। এই রুটের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিক টন তেল আমদানি করা সম্ভব, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে সরাসরি ভারত মহাসাগর দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাবে। এ বিষয়ে বিপিাসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান চরচাকে বলেন, “জুন মাস পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানির জন্য আমরা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে চলছি।”
এলএনজি সরবরাহ ও পাইপলাইনের স্থিতি
মার্চ মাসের জন্য নির্ধারিত ১১টি এলএনজি কার্গোর মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সফলভাবে পার হয়ে এসেছে। এর ফলে রমজান ও গ্রীষ্মের শুরুতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের বড় কোনো ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই। জ্বালানি বিভাগ বলছে, কাতার থেকে বাকি কার্গোগুলো বিকল্প পথে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
৩০ দিনের কৌশলগত মজুত ও জুন পর্যন্ত চুক্তি
বিপিসি এবং জ্বালানি বিভাগ প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে ৩০ দিনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। সরকার ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত পরিশোধিত তেল আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় চুক্তি আগেই করে রেখেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলেও সরবরাহের চেইন পুরোপুরি ভেঙে পড়বে না বলে মনে করছে সরকারের জ্বালানি বিভাগ।
পরিশোধিত তেলের নিরাপদ উৎস: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
বাংলাদেশের পরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ আসে চীন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুর থেকে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই দেশগুলো থেকে পণ্য পরিবহনে হরমুজ প্রণালী ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে ডিজেল, অকটেন ও জেট ফুয়েলের মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ এই সংঘাতের আওতামুক্ত থাকবে বলে আশা করছে বিপিসি।
সংস্থাটির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান চরচাকে বলেন, “পরিশোধিত তেলের পাশাপাশি সৌদি আরব এবং আবু ধাবি থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি অব্যাহত রাখা হবে এবং এই চালানগুলোও হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে।”
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও শুল্ক নির্ধারণের চাপ
আপাতত সরবরাহ নিশ্চিত থাকলেও আর্থিক ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি মাসে জ্বালানি আমদানিতে ৪৫০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও বিমার প্রিমিয়াম বেড়ে গেলে এই খরচ আরও বাড়বে। সেক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বা শুল্ক সমন্বয়ের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে সরকারকে। বিপিসির শঙ্কা, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা থাকলেও, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।
বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা আমদানির জন্য প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে ফেলেছি, তবে যুদ্ধ চলতে থাকলে শুল্ক বাড়তে পারে।” তিনি আরও জানান, বিপিসির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী বর্তমানে এক মাসের বিভিন্ন জ্বালানি মজুদ রয়েছে।
দেশের সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গতকাল রোববার ব্রিফ করেছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ওই বৈঠক থেকে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক সম্ভাব্য সকল বিকল্প সতর্কতার সাথে ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশ এবং তেলের ২০ শতাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়।
বাংলাদেশের মতো আমদানি-নির্ভর অর্থনীতির জন্য এই পরিস্থিতি এক বিপৎসংকেত। তবে নতুন সরকার এই সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বিকল্প পথের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকারের জ্বালানি বিভাগের প্রত্যাশা, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মধ্যপ্রাচ্যে শুরু যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত জ্বালানি রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছোঁয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে সোমবার, ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৮১ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। গত সপ্তাহে এই দর ছিল ৭০ ডলারের কিছু বেশি।
তবে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই সংঘাতের আঁচ বাংলাদেশে সরাসরি লাগার আগেই সরকার আমদানির রুট এবং উৎসে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল পথগুলোর অন্যতম হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনের এই পথের উত্তর পাশে ইরান এবং দক্ষিণপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই করিডোরের প্রবেশ এবং প্রস্থানপথ প্রায় ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত।
প্রণালীটির সবচেয়ে সরু অংশ প্রায় ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত। এ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
এই প্রণালীর মূল অংশ বড় জাহাজ চলাচলের জন্য যথেষ্ট গভীর। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল ও গ্যাস উৎপাদক ও তাদের গ্রাহকরা এই প্রণালী দিয়েই তেল-গ্যাস আনা-নেওয়া করে।
ফুজাইরাহ রুট: হরমুজ প্রণালীর বিকল্প
বাংলাদেশ মূলত সৌদি আরব এবং আবুধাবি থেকে প্রতি বছর প্রায় ১০৫ কোটি ডলারের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে। এই তেল হরমুজ প্রণালী হয়ে আসত। তবে ২০২৫ সাল থেকেই বাংলাদেশ আবুধাবির ফুজাইরাহ টার্মিনালকে বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে রেখেছে। এই রুটের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিক টন তেল আমদানি করা সম্ভব, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে সরাসরি ভারত মহাসাগর দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাবে। এ বিষয়ে বিপিাসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান চরচাকে বলেন, “জুন মাস পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানির জন্য আমরা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে চলছি।”
এলএনজি সরবরাহ ও পাইপলাইনের স্থিতি
মার্চ মাসের জন্য নির্ধারিত ১১টি এলএনজি কার্গোর মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সফলভাবে পার হয়ে এসেছে। এর ফলে রমজান ও গ্রীষ্মের শুরুতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের বড় কোনো ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই। জ্বালানি বিভাগ বলছে, কাতার থেকে বাকি কার্গোগুলো বিকল্প পথে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
৩০ দিনের কৌশলগত মজুত ও জুন পর্যন্ত চুক্তি
বিপিসি এবং জ্বালানি বিভাগ প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে ৩০ দিনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। সরকার ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত পরিশোধিত তেল আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় চুক্তি আগেই করে রেখেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলেও সরবরাহের চেইন পুরোপুরি ভেঙে পড়বে না বলে মনে করছে সরকারের জ্বালানি বিভাগ।
পরিশোধিত তেলের নিরাপদ উৎস: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
বাংলাদেশের পরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ আসে চীন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুর থেকে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই দেশগুলো থেকে পণ্য পরিবহনে হরমুজ প্রণালী ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে ডিজেল, অকটেন ও জেট ফুয়েলের মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ এই সংঘাতের আওতামুক্ত থাকবে বলে আশা করছে বিপিসি।
সংস্থাটির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান চরচাকে বলেন, “পরিশোধিত তেলের পাশাপাশি সৌদি আরব এবং আবু ধাবি থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি অব্যাহত রাখা হবে এবং এই চালানগুলোও হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে।”
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও শুল্ক নির্ধারণের চাপ
আপাতত সরবরাহ নিশ্চিত থাকলেও আর্থিক ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি মাসে জ্বালানি আমদানিতে ৪৫০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও বিমার প্রিমিয়াম বেড়ে গেলে এই খরচ আরও বাড়বে। সেক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বা শুল্ক সমন্বয়ের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে সরকারকে। বিপিসির শঙ্কা, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা থাকলেও, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।
বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা আমদানির জন্য প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে ফেলেছি, তবে যুদ্ধ চলতে থাকলে শুল্ক বাড়তে পারে।” তিনি আরও জানান, বিপিসির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী বর্তমানে এক মাসের বিভিন্ন জ্বালানি মজুদ রয়েছে।
দেশের সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গতকাল রোববার ব্রিফ করেছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ওই বৈঠক থেকে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক সম্ভাব্য সকল বিকল্প সতর্কতার সাথে ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি । যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ গতকাল শনিবার শুরুই হয়েছিল আলী খামেনিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েই। এই সামরিক অভিযান শুধু ইরানের পারমানবিক স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া–ই নয়