
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে একটি নতুন মনস্তাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল তৈরি করছে। ওয়াশিংটন মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক ফ্রন্টসমূহ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর জোট গঠনকে একটি একক কৌশলে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে বাধ্য। সম্প্রতি তুরস্কের আঙ্কারায়

ইসলাম ইব্রাহিমের মতো অনেকের জন্য বাস্তুচ্যুতি উত্তরাধিকার ও বিয়ের নতুন সামাজিক চাপও তৈরি করেছে। অন্যদের কাছে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো পড়াশোনার সেই হারিয়ে যাওয়া বছরগুলো, যা হয়তো আর কখনো ফিরে পাওয়া যাবে না।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হবে জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। আজ শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান আমাদের কাছে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছে। আমরা তাতে সম্মত হয়েছি। তবে আমরা তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে যুদ্ধবিরতি শেষ।”

হরমুজ সংকট দেখিয়ে দিয়েছে যে আফ্রিকার অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক ব্যবস্থার সঙ্গে কতটা গভীরভাবে যুক্ত। এটি দেশগুলোকে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো, অংশীদারত্বে বৈচিত্র্য আনা এবং জ্বালানি, বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা কমানোর প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করেছে।

দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর ইরানের হামলা বন্ধ করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করার প্রস্তুতি চলছে। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহর ঘুরে লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে কয়েকদিনব্যাপী জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বৃহস্পতিবার এই দাফন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভেঙে গেছে’ এবং তা এখন সম্পূর্ণ অতীত বলে জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান।

যুদ্ধবিরতির মধ্যে আবারও ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার অভিযোগ তুলে পাল্টা হামলার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

দীর্ঘদিন ধরেই তুরস্ক ও ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক হুমকি ও কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। তবে ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই বৈরিতা চরম রূপ ধারণ করেছে, যা বর্তমানে প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ইসরায়েলের রাজনৈতিক মহলে এখন তুরস্ককে ইরানের সমপর্যায়ের প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তেহরান যুদ্ধ থেকে অর্জিত সুবিধাকে স্থায়ী কৌশলগত প্রভাবে পরিণত করতে চায় এবং হরমুজ প্রণালির আশপাশে নিজের প্রভাবশালী অবস্থানকে স্বীকৃতি আদায় করতে চাইছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ সম্প্রতি এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, প্রায় তিন বছরের যুদ্ধের পর গাজা উপত্যকার অবশিষ্ট অংশে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের বিষয়টি তারা বিবেচনা করছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল। এই তালিকায় শীর্ষস্থানীয় ইরানি প্রতিনিধিদেরও রাখা হয়। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ইরানি নেতাদের এই হত্যা পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল। এই তালিকায় শীর্ষস্থানীয় ইরানি প্রতিনিধিদেরও রাখা হয়। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ইরানি নেতাদের এই হত্যা পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয়।