
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, “এই মুহূর্তে নির্বাচন রাষ্ট্রের জন্য একটি সুনামির মতো, যা ইউক্রেনকে বিভক্ত করে দেবে।”

পাকিস্তান সরকারের দুটি সূত্রও রয়টার্সকে আসিম মুনিরের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রথম সূত্রটি জানায়, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।

পোপ লিও বলেন, “আমরা এমন এক বিশ্বে বাস করছি, যা বহু সংঘাতের কারণে ক্ষতবিক্ষত।” তিনি খ্রিস্টানদের ক্ষমা, সংহতি এবং দুর্বল ও অসহায় মানুষের প্রতি উদ্বেগ দেখানোর আহ্বান জানান।

পুতিন বলেন, “কিয়েভের শাসকগোষ্ঠী আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে তারা নিজেরাই এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যার পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।”

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজায়ি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করবে, ইরান তাদের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করবে।

গত কয়েক দিন ধরে ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন কিছু বিলবোর্ড দেখা গেছে। এসব বিলবোর্ডে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের দায়িত্ব নেওয়া সাত নেতার ছবি রয়েছে। তবে বিলবোর্ডে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো–নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কোনো ছবি নেই।

নির্মাণশ্রমিকের কাজের প্রলোভনে রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য হওয়া বাংলাদেশি তরুণ রাজন হোসেন অবশেষে দেশে ফিরেছেন।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে বলেন, ১৯৫৮ সালের যুদ্ধ প্রমাণ করে “শক্তির মাধ্যমেই শান্তি নিশ্চিত করা যায়”।

জেলেনস্কি এই হামলাকে “সম্পূর্ণ নিন্দনীয় ও জঘন্য” বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, প্রথম ড্রোন হামলার আধা ঘণ্টা পর দ্বিতীয় একটি রুশ ড্রোন শপিং সেন্টারটিতে আঘাত হানে। তার দাবি, জরুরি সেবাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইচ্ছাকৃতভাবেই দ্বিতীয় হামলাটি চালানো হয়।

ট্রাম্প লিখেছেন, “কোনো দেশ তার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থাকে ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তার পথ করে দেওয়ার অনুমতি দিলে, সেই দেশ নিজেই ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়বে।”

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন দুটি দেশের মধ্যকার মুখোমুখি সংঘাত কেবল সেই নির্দিষ্ট দ্বন্দ্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং বৈশ্বিক ব্যবস্থার এক গভীর রাজনৈতিক লড়াইয়ে রূপ নেয়। মিডল ইস্ট মনিটর-এ প্রকাশিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক রঞ্জন সলোমনের এক নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বর্তমান উত্তেজ

পাঁচ বছর আগে এই আগস্টেই তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হয়েছিল। কাবুল বিমানবন্দরে মানুষের ঢল, কাঁটাতারের ওপর দিয়ে শিশুদের তুলে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা কিংবা উড়ন্ত বিমানের গায়ে মানুষের ঝুলে থাকার দৃশ্য আজও আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ের প্রতীক হয়ে আছে।

ট্রাম্প প্রশাসন যখন পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরও বাড়াতে চাইছে, তখন আর্কটিক দিয়ে চীন-রাশিয়ার বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়তে থাকলে ওয়াশিংটনও বিষয়টির দিকে আরও নজর দেবে। এখানে ইউরোপ ও ন্যাটোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আর্কটিক কাউন্সিলের আট সদস্য দেশের মধ্যে সাতটিই ন্যাটোর সদস্য।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির (এমওইউ) মেয়াদ গতকাল সোমবার শেষ হয়েছে। তবে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অন্যের বিরুদ্ধে সমঝোতা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলার পর, দুই পক্ষের কেউই এখন এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আলোচনা থেমে যাওয়ায় তেহরান আবারও সামরিক অভিযান জোরদার করার হুমকি দিয়েছে। অন্যদিকে, জুনে হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয় বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এই ঘটনার তাৎপর্য শুধু একটি সামরিক মহড়ার পরিধি কমানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন-সিউল সামরিক জোটের ভবিষ্যৎ, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের কূটনৈতিক কৌশল এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

রোববার ভোরে ইউক্রেনীয় ড্রোন মস্কো অঞ্চলে হামলা চালায়। আঞ্চলিক গভর্নর জানিয়েছেন, এটি ওই অঞ্চলে চালানো সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি এবং এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছে।

এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জুনে সম্মত হওয়া অন্তর্বর্তী চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করা এবং সেটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান মোহসেন রেজাইকে দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইরানের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে এই সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের তৈরি কিছু ক্ষেপণাস্ত্র এখন উড্ডয়নকালে দিক পরিবর্তন এবং লক্ষ্যপথ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম, যা শত্রুপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহজেই ফাঁকি দিতে পারে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।