চরচা ডেস্ক

ইরানের রাষ্ট্রীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম একটি ‘অবহিত সূত্রের’ বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সোমবার সকালে অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা ছয়টি জাহাজকে ইরান ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের দাবি, জাহাজগুলোকে কেবল হরমুজ প্রণালির সেই নৌপথ দিয়েই চলাচল করতে হবে, যা তাদের উপকূলের কাছাকাছি এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন। এই পথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে তারা ট্রানজিট ফিও আদায় করতে চায়।
নতুন করে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের আমেরিকান বোমা হামলায় ইরানে বহু মানুষ নিহত হয়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে বহু সেতু, সুড়ঙ্গ ও সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।
প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলায় চারজন আমেরিকান সেনা নিহত হয়। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের বেসামরিক অবকাঠামোতেও হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারিত ওমান উপকূলঘেঁষা নৌপথ ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর ইরানের হামলার জবাবে ট্রাম্প নতুন করে বোমা হামলা অভিযান শুরু করেছিলেন। গত শনিবার তা আবার স্থগিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক বিরতির পর হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ওয়াশিংটনের হাতে কী ধরনের চাপ প্রয়োগের সুযোগ অবশিষ্ট রয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরান আগস্টের শেষ নাগাদ আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধানের লক্ষ্যে একটি আলোচনাকাঠামোতে সম্মত হয়েছিল।
তবে ওই সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত ভাষার ব্যাখ্যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এতে ইরানকে প্রণালি দিয়ে অবাধ নৌচলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে তেহরানের মতে, ওই নথি তাদেরই প্রণালিতে নৌচলাচল তদারকির ক্ষমতা স্বীকৃতি দিয়েছে।
এদিকে তেহরান জানিয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ এখনো অটুট রয়েছে। ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন, এই জলপথ দিয়ে সব জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম একটি ‘অবহিত সূত্রের’ বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সোমবার সকালে অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা ছয়টি জাহাজকে ইরান ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের দাবি, জাহাজগুলোকে কেবল হরমুজ প্রণালির সেই নৌপথ দিয়েই চলাচল করতে হবে, যা তাদের উপকূলের কাছাকাছি এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন। এই পথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে তারা ট্রানজিট ফিও আদায় করতে চায়।
নতুন করে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের আমেরিকান বোমা হামলায় ইরানে বহু মানুষ নিহত হয়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে বহু সেতু, সুড়ঙ্গ ও সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।
প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলায় চারজন আমেরিকান সেনা নিহত হয়। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের বেসামরিক অবকাঠামোতেও হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারিত ওমান উপকূলঘেঁষা নৌপথ ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর ইরানের হামলার জবাবে ট্রাম্প নতুন করে বোমা হামলা অভিযান শুরু করেছিলেন। গত শনিবার তা আবার স্থগিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক বিরতির পর হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ওয়াশিংটনের হাতে কী ধরনের চাপ প্রয়োগের সুযোগ অবশিষ্ট রয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরান আগস্টের শেষ নাগাদ আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধানের লক্ষ্যে একটি আলোচনাকাঠামোতে সম্মত হয়েছিল।
তবে ওই সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত ভাষার ব্যাখ্যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এতে ইরানকে প্রণালি দিয়ে অবাধ নৌচলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে তেহরানের মতে, ওই নথি তাদেরই প্রণালিতে নৌচলাচল তদারকির ক্ষমতা স্বীকৃতি দিয়েছে।
এদিকে তেহরান জানিয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ এখনো অটুট রয়েছে। ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন, এই জলপথ দিয়ে সব জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।