
সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!
অনেকেরই ঘুমানোর আগে কুসুম গরম দুধ পানের অভ্যাস রয়েছে। এটি শরীরের জন্য আরামদায়ক। অনেক মানুষেরই এই অভ্যাস গড়ে ওঠে শৈশব থেকে। সাধারণত মায়েদের হাত ধরে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধ পানের এই অভ্যাস গড়ে ওঠে।
রাতের বেলা দুধ পানকে সাধারণত ক্লান্তি দূর করা এবং ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক মনে করা হয়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কি রাতে দুধ পানের সত্যিই কোনো সুফল রয়েছে? ভালো ঘুমের পেছনে দুধের ভূমিকা নিয়ে যে প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে–তার সত্যতা কতটুকু? আর রাতে দুধ পানের এই সময়টা কি আসলেই সঠিক?
বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন দিল্লির ধর্মশিলা নারায়ণ সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি (পরিপাকতন্ত্র) বিভাগের প্রধান ও সিনিয়র কনসালটেন্ট অশোক কুমার।
সময়ের সঙ্গে কি দুধের পুষ্টিগুণ বদলে যায়?
রাতে দুধ পান করলে এর পুষ্টিগুণ বা কার্যকারিতা কমে যায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. অশোক বলেন, অনেকেই মনে করেন, ঘুমানোর আগে দুধ খেলে তা হজম হওয়া কঠিন এবং গুণাগুণ কমে যায়। তবে এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। দুধের পুষ্টিগুণ তা পানের সময়ের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয় না।
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, “দুধ সকালে কিংবা রাতে ঘুমানোর আগে–যে সময়ই পান করা হোক না কেন, এর পুষ্টি উপাদান একই থাকে।”
দুধ পান কি আসলেই ঘুম এনে দেয়?
দীর্ঘদিন ধরেই ভালো ঘুমের সঙ্গে দুধের একটি সংযোগ রয়েছে বলে মনে করা হতো এবং এখন জানা যাচ্ছে যে এর পেছনে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক কারণও রয়েছে।

ডা. অশোক বলেন, দুধ আসলেই শরীরকে শিথিল বা শান্ত করতে সাহায্য করতে পারে। দুধে ‘ট্রিপ্টোফ্যান’ নামের একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা ‘মেলাটোনিন’ নামক হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। আর এই মেলাটোনিন হরমোনই আমাদের ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে। মূলত এই কারণেই দুধ ঘুমের মান উন্নত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত।
এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, কুসুম গরম দুধ মানসিক চাপ কমাতে এবং শরীরে এক ধরনের প্রশান্তির ভাব তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দুধকে ঘুমের কোনো ‘জাদুকরী ওষুধ’ বা ম্যাজিক পিল ভাবা ঠিক হবে না। যাদের দুধ পানে কোনো সমস্যা হয় না, তাদের রাতের বেলা এটি শরীর শিথিল করার একটি সহায়ক অভ্যাস হতে পারে।
রাতে দুধ পানের সম্ভাব্য ক্ষতিকর দিকগুলো কী কী?
দুধে দারুণ পুষ্টিগুণ থাকলেও রাতের বেলা দুধ পান করা সবার শরীরের জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে।
ডা. অশোক কুমার জানান, দুধ পানের পর হজমের সমস্যা হওয়া খুবই সাধারণ একটি বিষয়, বিশেষ করে যারা ‘ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট’ বা যাদের শরীরে দুধের শর্করা হজম করার ক্ষমতা নেই। ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স ছাড়াও রাতে দুধ পানের কারণে অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা বা গ্যাস হওয়া এবং ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দুধের কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্প
যারা রাতে ঘুমানোর আগে আরামদায়ক কোনো পানীয় পান করতে চান কিন্তু দুধ হজম করতে পারেন না, তাদের জন্য ডা. অশোক কুমার বেশ কিছু বিকল্পের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ‘ল্যাকটোজ-মুক্ত’ দুধ পানের পরামর্শ দেন, যা সহজে হজম হয় এবং পেটে অস্বস্তি হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। এছাড়া যাদের প্রায়ই অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়, তাদের জন্য ‘লো-ফ্যাট’ বা ফ্যাট ছাড়া ‘স্কিমড মিল্ক’ একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে তিনি ক্যাফেইন-মুক্ত রিল্যাক্সেশন চা—যেমন ক্যামোমাইল, মৌরি বা হপস চায়ের কথা উল্লেখ করেছেন, যা ভালো ঘুমে সাহায্য করে। পাশাপাশি শোয়ার আগে আরামদায়ক পানীয় হিসেবে তিনি কাঠবাদামের দুধ বা ওট মিল্কের মতো উদ্ভিজ্জ উপাদান থেকে তৈরি গরম পানীয় পানেরও পরামর্শ দিয়েছেন।
সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন
রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি
ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?
ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?
অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?
নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।