নতুন গবেষণা বলছে, কফির ক্যাফেইন শুধু আপনাকে সজাগ রাখে না, শরীরের ভেতরে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
চরচা ডেস্ক

সকালে এক কাপ কফি দিয়ে দিনের শুরু করা অনেকেরই দৈনন্দিন রুটিন। সকালবেলা সতেজ অনুভব করতে এই কফি প্রয়োজন ও আনন্দের এক মিশ্র অনুভূতি দেয়। তবে নতুন গবেষণা বলছে, কফির ক্যাফেইন শুধু আপনাকে সজাগ রাখে না, শরীরের ভেতরে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের সেলুলার এজিং অ্যান্ড সেনেসেন্স ল্যাবরেটরির এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন কোষের স্বাভাবিক কাজের ধারা বদলে দেয় এবং ক্ষতি হলে তারা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাও পরিবর্তন করে।
মাইক্রোবিয়াল সেল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়, ক্যাফেইন শরীরের শক্তি নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে, যা মানুষের আয়ু ও বার্ধক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ফিশন ইস্ট’ নামে এককোষী জীবের ওপর এই গবেষণাটি করা হয়েছে। এই জীবটির কোষীয় কাজে মানুষের সঙ্গে মিল থাকায় বার্ধক্য গবেষণায় এটি বেশি ব্যবহার করা হয়। এতে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছেন, কোষ কীভাবে বয়স বাড়ায় এবং টিকে থাকে।
কোষের শক্তি-সংবেদক
গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন শরীরের শক্তি নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। এএমপিকে নামের ‘এনার্জি সেন্সর’ কোষকে চাপের সময় সাড়া দিতে সাহায্য করে। ইস্টে এসএসপি১ (Ssp1) ও এসএসপি২ (Ssp2) নামের প্রোটিনগুলো এটি নিয়ন্ত্রণ করে। এএমপিকে সক্রিয় হলে কোষ বেশি শক্তি তৈরি করে এবং শক্তি সঞ্চয় করে।
গবেষণায় আরও জানা গেছে, ক্যাফেইন কোষের বিভাজন না করেও বেশি সময় বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। কারণ এটি শরীরের স্ট্রেস মোকাবিলার প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে, যা কোষ নিজেকে ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

চাপ ও কোষীয় সুরক্ষায় প্রভাব
গবেষকেরা আরও দেখেছেন, ‘ফসফরাইলেশন’ নামে একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া ক্যাফেইনের প্রভাবে এসএসপি২-কে সক্রিয় করে। এসএসপি এবং এএমকে২–উভয়ই কোষকে দীর্ঘ সময় ডিএনএ-এর জন্য ক্ষতিকর চাপ সহ্য করতে সহায়তা করে।
তবে একই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে অন্যান্য চাপের সঙ্গে মিলে ক্যাফেইন ডিএনএ ক্ষতির প্রতি কোষের সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। এতে বোঝা যায়, ক্যাফেইন, কোষ বিভাজন এবং ক্ষতির প্রতি কোষের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সম্পর্কটি বেশ জটিল।
গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, শরীরে ক্যাফেইনের প্রভাব যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তা অনেক বেশি জটিল।
গবেষণার জ্যেষ্ঠ লেখক চারালাম্বোস রালিস বলেন, “ক্যাফেইন শুধু আপনাকে জাগিয়ে রাখে না, এটি কোষ কীভাবে শক্তি ব্যবহার করে এবং চাপের প্রতিক্রিয়া জানায়, সেই প্রক্রিয়াও বদলে দেয়।”
প্রধান গবেষক জন প্যাট্রিকের পরামর্শ, এই প্রক্রিয়াগুলোর ওপর ক্যাফেইনের প্রভাব কীভাবে কাজ করে, তা বোঝা গেলে খাদ্যাভ্যাস, জীবনধারা বা লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থভাবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার কৌশল তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।

সকালে এক কাপ কফি দিয়ে দিনের শুরু করা অনেকেরই দৈনন্দিন রুটিন। সকালবেলা সতেজ অনুভব করতে এই কফি প্রয়োজন ও আনন্দের এক মিশ্র অনুভূতি দেয়। তবে নতুন গবেষণা বলছে, কফির ক্যাফেইন শুধু আপনাকে সজাগ রাখে না, শরীরের ভেতরে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের সেলুলার এজিং অ্যান্ড সেনেসেন্স ল্যাবরেটরির এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন কোষের স্বাভাবিক কাজের ধারা বদলে দেয় এবং ক্ষতি হলে তারা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাও পরিবর্তন করে।
মাইক্রোবিয়াল সেল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়, ক্যাফেইন শরীরের শক্তি নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে, যা মানুষের আয়ু ও বার্ধক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ফিশন ইস্ট’ নামে এককোষী জীবের ওপর এই গবেষণাটি করা হয়েছে। এই জীবটির কোষীয় কাজে মানুষের সঙ্গে মিল থাকায় বার্ধক্য গবেষণায় এটি বেশি ব্যবহার করা হয়। এতে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছেন, কোষ কীভাবে বয়স বাড়ায় এবং টিকে থাকে।
কোষের শক্তি-সংবেদক
গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন শরীরের শক্তি নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। এএমপিকে নামের ‘এনার্জি সেন্সর’ কোষকে চাপের সময় সাড়া দিতে সাহায্য করে। ইস্টে এসএসপি১ (Ssp1) ও এসএসপি২ (Ssp2) নামের প্রোটিনগুলো এটি নিয়ন্ত্রণ করে। এএমপিকে সক্রিয় হলে কোষ বেশি শক্তি তৈরি করে এবং শক্তি সঞ্চয় করে।
গবেষণায় আরও জানা গেছে, ক্যাফেইন কোষের বিভাজন না করেও বেশি সময় বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। কারণ এটি শরীরের স্ট্রেস মোকাবিলার প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে, যা কোষ নিজেকে ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

চাপ ও কোষীয় সুরক্ষায় প্রভাব
গবেষকেরা আরও দেখেছেন, ‘ফসফরাইলেশন’ নামে একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া ক্যাফেইনের প্রভাবে এসএসপি২-কে সক্রিয় করে। এসএসপি এবং এএমকে২–উভয়ই কোষকে দীর্ঘ সময় ডিএনএ-এর জন্য ক্ষতিকর চাপ সহ্য করতে সহায়তা করে।
তবে একই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে অন্যান্য চাপের সঙ্গে মিলে ক্যাফেইন ডিএনএ ক্ষতির প্রতি কোষের সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। এতে বোঝা যায়, ক্যাফেইন, কোষ বিভাজন এবং ক্ষতির প্রতি কোষের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সম্পর্কটি বেশ জটিল।
গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, শরীরে ক্যাফেইনের প্রভাব যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তা অনেক বেশি জটিল।
গবেষণার জ্যেষ্ঠ লেখক চারালাম্বোস রালিস বলেন, “ক্যাফেইন শুধু আপনাকে জাগিয়ে রাখে না, এটি কোষ কীভাবে শক্তি ব্যবহার করে এবং চাপের প্রতিক্রিয়া জানায়, সেই প্রক্রিয়াও বদলে দেয়।”
প্রধান গবেষক জন প্যাট্রিকের পরামর্শ, এই প্রক্রিয়াগুলোর ওপর ক্যাফেইনের প্রভাব কীভাবে কাজ করে, তা বোঝা গেলে খাদ্যাভ্যাস, জীবনধারা বা লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থভাবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার কৌশল তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।