
ত্বকের সৌন্দর্য নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়ই বেশ যত্নশীল। বিশেষ করে নারীরা বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। তবে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে প্রসাধনীর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার।

নিয়মিত আদা চিবোনোর ফলে ধীরে ধীরে গলার জ্বালা কমে, শ্বাসনালি শিথিল হয় এবং রক্তসঞ্চালন উন্নত হয়। ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ ধরে আদা চিবালে কাশি কমে যায়, হজমশক্তি বাড়ে এবং পেট ফাঁপার সমস্যাও হ্রাস পায়।

ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর কিছুটা পানিশূন্য থাকে। এমন অবস্থায় পানি বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়ের বদলে ডাবের পানি পান করলে দ্রুত সেটি শরীরের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

গবেষণা বলছে, রাতে ঘুমানোর সময় মোজা পরে থাকলে দ্রুত ঘুম আসতে পারে এবং ঘুমের মানও ভালো হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা পা উষ্ণ হলে শরীরের মূল তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে, যা গভীর ও আরামদায়ক ঘুমে সহায়ক।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে ফিটনেস, শক্তি ও পেশির সহনশীলতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। গবেষণার ফল অনুযায়ী, গড়পড়তা মানুষের শারীরিক সক্ষমতা ৩৫ বছর বয়স থেকেই হ্রাস পেতে থাকে। তবে আশার কথা হলো, যে কোনো বয়সেই ব্যায়াম শুরু করলে এর সুফল পাওয়া যায়।

অনেকেই রক্ত দেখলে সহ্য করতে পারেন না, অজ্ঞানও হয়ে যান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ। এটি একটি পরিচিত শারীরিক প্রতিক্রিয়া, যার পেছনে কাজ করে স্ট্রেসের প্রতি শরীরের স্বাভাবিক সাড়া।

শীতকাল শুরু হতেই একটি সমস্যা দেখা দেয়, সেটি হলো পানি খাওয়ার অনীহা। এ সময় ত্বকও শুষ্ক হয়ে ওঠে। সাধারণভাবে মনে করা হয়, গরমকালেই শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা হলো, শীতকালেও নীরবে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে।

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অনেকটাই থমকে গেছে। সেইসঙ্গে ক্রমাগত অর্থপাচার দেশের আর্থিক খাতে ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে- শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক আর্থিক খাত ছাড়া কি বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে পারবে?

পাউরুটি অনেকেরই পছন্দ, বিশেষত সকালের নাস্তায় অনেকেই এটা রাখেন। না ভেবেই প্রতিদিনই অভ্যাসবশত সকালের খাবারে এক টুকরো রুটি খেয়ে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে, সেটি অনেকেরই অজানা।

অনেকেরই মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়, এরপর আবার ঘুমও আসতে চায় না। তবে বেশিরভাগ মানুষই এ নিয়ে তেমন মাথা ঘামান না, উঠে একটু হাঁটাচলা করে আবার ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। তবে এটি অবশ্যই চিন্তার বিষয়।

অনেকেই ঘুমের মধ্যে কথা বলেন।গবেষণা বলছে, প্রতি ৩ জন মানুষের ২ জনই ঘুমের মধ্যে কথা বলেন। কেউ পুরো বাক্য বলেন, আবার অনেকে ভাঙা ভাঙা শব্দও বলেন।

আমেরিকাতে ওয়ার্কইজম শব্দের প্রচলন বেশি। ওয়ার্কইজম হচ্ছে এমন একটি ধারণা, যাতে বিশ্বাস করা হয়—পেশা বা পেশাগত কাজ শুধু অর্থ উপার্জনের জন্যই প্রয়োজনীয় নয়। বরং একজন ব্যক্তির সামগ্রিক পরিচয় এবং জীবনের মূল উদ্দেশ্যও নির্ধারণ করে এটি।

আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠা ইস্তক আবার রাতে ঘুমানো পর্যন্ত অসংখ্য সিদ্ধান্ত নেন, যার অনেকগুলোর হিসাবই রাখেন না সচেতনভাবে। এর মধ্যে যেমন সকালের নাস্তা কী খাবেন, সেই সিদ্ধান্ত আছে, তেমনি আছে অফিস বা ব্যবসায়িক মিটিংয়ে কী নিয়ে আলোচনা করবেন, সেই সিদ্ধান্তও।