Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
২৬ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> জীবনচরচা

নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫: ৩৬
নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে আবার রাতে ঘুমানো পর্যন্ত অসংখ্য সিদ্ধান্ত নেন, যার অনেকগুলোর হিসাবই রাখেন না সচেতনভাবে। এর মধ্যে যেমন সকালের নাস্তায় কী খাবেন, সেই সিদ্ধান্ত আছে, তেমনি আছে অফিস বা ব্যবসায়িক মিটিংয়ে কী নিয়ে আলোচনা করবেন, সেই সিদ্ধান্তও।

Advertisement

গবেষণা বলছে, প্রতিদিন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সব মিলিয়ে গড়ে ৩৩ হাজার থেকে ৩৫ হাজার সিদ্ধান্ত নেন। এগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই নেওয়া হয় অবচেতনভাবে, সাধারণভাবে ‘ভালো’ বা ‘খারাপ’ বিবেচনা করে। তবে কিছু কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই আলাদাভাবে সময় ও চিন্তা বরাদ্দের প্রয়োজন পড়ে। আর এত এত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভিড়ে আমরা সেই প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিই ভুলে যাই। ফলে নেওয়া সিদ্ধান্তে খুঁত থেকে যায় এবং ফলতঃ ভুগতে হয় আমাদেরকেই।

প্রতিদিন আমাদের অসংখ্য সিদ্ধান্ত নিতে হয়। গবেষকেরা বলছেন, বেশির ভাগ সিদ্ধান্তই মানুষের মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেয়। মানুষের জ্ঞান আহরণের বা চিন্তা–ভাবনার যে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অথবা কগনিশন, সেটিই অবচেতনভাবে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। একজন মানুষের বেড়ে ওঠার পথেই তার পছন্দ–অপছন্দ এবং কিছু স্বতঃসিদ্ধ ভাবনা মস্তিষ্কে গেঁথে থাকে। ওই অনুযায়ীই এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। দৈনিক মোট সিদ্ধান্তের প্রায় ৯৫ শতাংশই মানুষ এভাবে নিয়ে থাকে। অনেকসময় একসাথে বেশ কয়েকটি করে সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। কারণ তা না হলে, যদি এই ৩০ বা ৩৫ হাজার সিদ্ধান্ত একটি একটি করে কোনো ব্যক্তি নিতে যায়, তবে মস্তিষ্কে ‘শর্ট সার্কিট’ হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, প্রচলিত ভাষায় বলতে গেলে একজনের মাথার তার ছিঁড়ে যেতে পারে! এই প্রক্রিয়াকে অনেকটা মস্তিষ্কের ‘অটোপাইলট মোড’ বললেও ভুল হবে না।

কিন্তু বাকি ৫ শতাংশ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে গভীর ভাবনার প্রয়োজন হয়। আর এই ৫ শতাংশ সিদ্ধান্তও যদি আপনি সাধারণভাবে নিতে থাকেন, তবে দেখবেন একের পর এক খুঁতযুক্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সেটি কীভাবে এড়ানো যায়, এবার আসুন তা–ই জানা যাক।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রধান পূর্বশর্ত হচ্ছে সেটি নিয়ে ভাবনা–চিন্তা করা। যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে চিন্তা করে ছক সাজানো। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা এগুলো নিজেদের ভাবনায় সাজাই। ফলে মন ও মাথা—দুইয়ের ওপরই চাপ পড়ে বেশ।

এসব নিয়ে গবেষণা করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কাগজে লেখা। আপনি চাইলে ডায়েরিতেও লিখতে পারেন। আবার স্টিকি নোট বা যেকোনো টুকরো কাগজও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সেই বিষয়টি নিয়ে আপনার মাথায় ঘুরতে থাকা ভাবনাকে লেখায় নিয়ে আসতেই হবে। এতে যা হবে, সেটি হলো—একটি বিষয়ের অনেকগুলো দিক নিয়ে ভাবার ক্ষেত্রে আপনার মস্তিষ্কের ওপর যে চাপটি পড়ছে, সেই কাগজে উঠে আসবে। মাথার ওপর চাপও কমবে। এবং আপনি তখন কাগজে লেখা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ভাবতে পারবেন সহজেই।

অর্থাৎ, যে বিষয়ে নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন, তার জন্য কাগজ ও সময়—দুটিই বরাদ্দ করতে হবে। কাগজে লিখতে হবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন—আজ আমি কেমন ঘরানার ব্যক্তি হব? আমি যাচ্ছি কোথায়? এবং কেন যাচ্ছি?

এই কাজটি যে কেউ নিয়মিতভাবে করতে পারেন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি খেতে খেতে পুরো দিনের একটি ছক এঁকে ফেলতে পারেন। এতে করে আপনার কাছে পুরো দিনের একটি নির্ধারিত রুটিন থাকবে। এতে ভুলে যাওয়ার রোগের যেমন নিদান হবে, ঠিক একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে লিখিতভাবে বিস্তারিত বোঝার সুবিধা হবে। দেখবেন, আপনার চোখের সামনে তখন একটি জটিল বিষয়ও জলবৎ তরলং হয়ে গেছে। হ্যাঁ, এভাবেই যে সব সময় শতভাগ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, তার গ্যারান্টি আসলে দেওয়া যায় না। কারণ, একেক মানুষ একেকভাবে ভাবেন। কিন্তু অন্তত একেবারে ফালতু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি কমে আসবে বেশ।

তথ্যসূত্র: সাইকোলজি টুডে ডট কম, নেচার ডট কম, হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

বিষয়: টিপসজীবনমানুষচাকরিলাইফস্টাইলপরামর্শ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

  • ২

    অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে সুপারকারসে রোমাঞ্চ, শেষ রেসে ব্রক ফিনির জয়

  • ৩

    দ্বিপক্ষীয় নাকি বহুপক্ষীয়, কোন কূটনীতির পথে বিএনপি সরকার?

  • ৪

    ‘দেশের অসংখ্য নাগরিক সৌদিতে কারাগারে আছেন’

  • ৫

    শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও চুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলবে

সম্পর্কিত
  • মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়

    মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়

    বয়স বাড়লে মানসিক ক্ষমতা কমে যাওয়া খুব সাধারণ একটি বিষয়, যা বার্ধক্যের অন্যতম একটি ভীতিজনক দিক। তবে বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি কমে যাওয়া কিন্তু একেবারেই অনিবার্য নয়।

  • সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

  • সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

  • শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।