Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫: ৩৬
নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে আবার রাতে ঘুমানো পর্যন্ত অসংখ্য সিদ্ধান্ত নেন, যার অনেকগুলোর হিসাবই রাখেন না সচেতনভাবে। এর মধ্যে যেমন সকালের নাস্তায় কী খাবেন, সেই সিদ্ধান্ত আছে, তেমনি আছে অফিস বা ব্যবসায়িক মিটিংয়ে কী নিয়ে আলোচনা করবেন, সেই সিদ্ধান্তও।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গবেষণা বলছে, প্রতিদিন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সব মিলিয়ে গড়ে ৩৩ হাজার থেকে ৩৫ হাজার সিদ্ধান্ত নেন। এগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই নেওয়া হয় অবচেতনভাবে, সাধারণভাবে ‘ভালো’ বা ‘খারাপ’ বিবেচনা করে। তবে কিছু কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই আলাদাভাবে সময় ও চিন্তা বরাদ্দের প্রয়োজন পড়ে। আর এত এত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভিড়ে আমরা সেই প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিই ভুলে যাই। ফলে নেওয়া সিদ্ধান্তে খুঁত থেকে যায় এবং ফলতঃ ভুগতে হয় আমাদেরকেই।

প্রতিদিন আমাদের অসংখ্য সিদ্ধান্ত নিতে হয়। গবেষকেরা বলছেন, বেশির ভাগ সিদ্ধান্তই মানুষের মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেয়। মানুষের জ্ঞান আহরণের বা চিন্তা–ভাবনার যে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অথবা কগনিশন, সেটিই অবচেতনভাবে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। একজন মানুষের বেড়ে ওঠার পথেই তার পছন্দ–অপছন্দ এবং কিছু স্বতঃসিদ্ধ ভাবনা মস্তিষ্কে গেঁথে থাকে। ওই অনুযায়ীই এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। দৈনিক মোট সিদ্ধান্তের প্রায় ৯৫ শতাংশই মানুষ এভাবে নিয়ে থাকে। অনেকসময় একসাথে বেশ কয়েকটি করে সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। কারণ তা না হলে, যদি এই ৩০ বা ৩৫ হাজার সিদ্ধান্ত একটি একটি করে কোনো ব্যক্তি নিতে যায়, তবে মস্তিষ্কে ‘শর্ট সার্কিট’ হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, প্রচলিত ভাষায় বলতে গেলে একজনের মাথার তার ছিঁড়ে যেতে পারে! এই প্রক্রিয়াকে অনেকটা মস্তিষ্কের ‘অটোপাইলট মোড’ বললেও ভুল হবে না।

কিন্তু বাকি ৫ শতাংশ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে গভীর ভাবনার প্রয়োজন হয়। আর এই ৫ শতাংশ সিদ্ধান্তও যদি আপনি সাধারণভাবে নিতে থাকেন, তবে দেখবেন একের পর এক খুঁতযুক্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সেটি কীভাবে এড়ানো যায়, এবার আসুন তা–ই জানা যাক।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রধান পূর্বশর্ত হচ্ছে সেটি নিয়ে ভাবনা–চিন্তা করা। যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে চিন্তা করে ছক সাজানো। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা এগুলো নিজেদের ভাবনায় সাজাই। ফলে মন ও মাথা—দুইয়ের ওপরই চাপ পড়ে বেশ।

এসব নিয়ে গবেষণা করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কাগজে লেখা। আপনি চাইলে ডায়েরিতেও লিখতে পারেন। আবার স্টিকি নোট বা যেকোনো টুকরো কাগজও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সেই বিষয়টি নিয়ে আপনার মাথায় ঘুরতে থাকা ভাবনাকে লেখায় নিয়ে আসতেই হবে। এতে যা হবে, সেটি হলো—একটি বিষয়ের অনেকগুলো দিক নিয়ে ভাবার ক্ষেত্রে আপনার মস্তিষ্কের ওপর যে চাপটি পড়ছে, সেই কাগজে উঠে আসবে। মাথার ওপর চাপও কমবে। এবং আপনি তখন কাগজে লেখা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ভাবতে পারবেন সহজেই।

অর্থাৎ, যে বিষয়ে নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন, তার জন্য কাগজ ও সময়—দুটিই বরাদ্দ করতে হবে। কাগজে লিখতে হবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন—আজ আমি কেমন ঘরানার ব্যক্তি হব? আমি যাচ্ছি কোথায়? এবং কেন যাচ্ছি?

এই কাজটি যে কেউ নিয়মিতভাবে করতে পারেন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি খেতে খেতে পুরো দিনের একটি ছক এঁকে ফেলতে পারেন। এতে করে আপনার কাছে পুরো দিনের একটি নির্ধারিত রুটিন থাকবে। এতে ভুলে যাওয়ার রোগের যেমন নিদান হবে, ঠিক একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে লিখিতভাবে বিস্তারিত বোঝার সুবিধা হবে। দেখবেন, আপনার চোখের সামনে তখন একটি জটিল বিষয়ও জলবৎ তরলং হয়ে গেছে। হ্যাঁ, এভাবেই যে সব সময় শতভাগ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, তার গ্যারান্টি আসলে দেওয়া যায় না। কারণ, একেক মানুষ একেকভাবে ভাবেন। কিন্তু অন্তত একেবারে ফালতু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি কমে আসবে বেশ।

তথ্যসূত্র: সাইকোলজি টুডে ডট কম, নেচার ডট কম, হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

বিষয়: টিপসজীবনমানুষচাকরিলাইফস্টাইলপরামর্শ
সর্বশেষ
  • ১

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ২

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ৩

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৪

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৫

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।