
দ্বিতীয় ৩০ শতাংশ বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত। আপনি চাকরিরত বা অবসর–পরবর্তী যেই অবস্থায় থাকুন না কেন, এই অংশটি সম্পদ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

কর্মক্ষেত্রের কাঠামো যেমন বদলাবে, তেমনি পাল্টে যাবে শিক্ষার ধরনও। এর মানে শুধু এআই দিয়ে প্রভাবিত পেশাগুলো নিয়ে ভাবলেই চলবে না।

আগে জীবনকে সাজাতে হতো কাজের চারপাশে। আর এখন কাজ সাজানো হচ্ছে জীবনকে কেন্দ্রে রেখে। কেউ হয়তো সকালে কিছুটা সময় নিয়ে ইমেইল সেরে ফেলছেন, দুপুরে বাচ্চাকে স্কুল থেকে আনছেন বা ব্যায়াম করছেন। আবার রাতেও হয়তো মনোযোগ দিচ্ছেন অফিসের কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে।

কয়েক বছর হলো কর্মজগতে প্রবেশ করেছে জেন জি প্রজন্ম। চাকরিতে ঢুকে এক নতুন অধ্যায় লিখছে তারা। বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রচলিত কর্মসংস্কৃতির বিশাল পরিবর্তন আসছে জেন জি’দের হাত ধরে।

অনেকেই মনে করেন জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি বুঝি শুধুই ভোট দেওয়ার সময় প্রয়োজন হয়। আসলে তা নয়, চাকরির আবেদন, পাসপোর্ট তৈরি, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, বিয়ের রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে এ রকম জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে এনআইডির প্রয়োজন হয়।

বাংলা প্রবাদে আছে—‘আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী’। অর্থাৎ একজন ব্যক্তিকে বিচার করার সময় আমরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উনি কি ধরনের আচরণ প্রদর্শন করেন, সেটিকেই বিবেচনায় নিয়ে থাকি। কিন্তু কথা কম বলা মানেই কি কাজও কম করা? বা উল্টো করে বললে, কথা বেশি বলা কর্মী কি সব সময় কাজও বেশি করে থাকে?

আমেরিকাতে ওয়ার্কইজম শব্দের প্রচলন বেশি। ওয়ার্কইজম হচ্ছে এমন একটি ধারণা, যাতে বিশ্বাস করা হয়—পেশা বা পেশাগত কাজ শুধু অর্থ উপার্জনের জন্যই প্রয়োজনীয় নয়। বরং একজন ব্যক্তির সামগ্রিক পরিচয় এবং জীবনের মূল উদ্দেশ্যও নির্ধারণ করে এটি।

আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠা ইস্তক আবার রাতে ঘুমানো পর্যন্ত অসংখ্য সিদ্ধান্ত নেন, যার অনেকগুলোর হিসাবই রাখেন না সচেতনভাবে। এর মধ্যে যেমন সকালের নাস্তা কী খাবেন, সেই সিদ্ধান্ত আছে, তেমনি আছে অফিস বা ব্যবসায়িক মিটিংয়ে কী নিয়ে আলোচনা করবেন, সেই সিদ্ধান্তও।