
ভাষার বিকাশের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো সাংস্কৃতিক ঘটনা কল্পনা করা কঠিন। তবুও, মানবজাতির আর কোনো বিষয় নেই যার উৎপত্তির বিষয়ে এত সংশয় রয়েছে। তবে প্রমাণের এই অনুপস্থিতি ভাষার উৎপত্তি নিয়ে জল্পনা-কল্পনাকে মোটেই নিরুৎসাহিত করেনি।

গবেষকরা জানিয়েছেন, মানব বিবর্তনের ইতিহাস কোনও সরল রেখা নয়, বরং বহু-শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট একটি জটিল গাছের মতো। যেখানে বিভিন্ন মানবগোষ্ঠী প্রায় ১০ লাখ বছর ধরে সহাবস্থান করেছে।

ফ্যাসিজম বা ফ্যাসিস্ট শব্দ দুটি উচ্চারিত হলেই মূলত দুটি ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। একটি হচ্ছে নাৎসি জার্মানির বা হিটলারের জার্মানির। অন্যটি হচ্ছে বেনিতো মুসোলিনির ইতালি। এই দুটি হলো প্রমাণিত সত্যের মতো ফ্যাসিজমের উদাহরণ।

মব মানসিকতা মানব ইতিহাসে নতুন কিছু নয়। যুগে যুগেই পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে মব দানা বাঁধতে দেখা গেছে। কখনও ডাইনি মারতে, কখনও ধর্মীয় বিষয়ে তিলকে তাল বানিয়ে কিংবা রাজনৈতিক বিক্ষোভের রূপে মব মানসিকতার বিস্তার হয়েছে।

ক্ষমতা নানামাত্রিক হয়। ঘর থেকে রাষ্ট্র, সবখানেই ক্ষমতা থাকে নানা চেহারায়। তবে সাধারণভাবে ‘ক্ষমতা’ নামের শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে ভাসে মূলত দেশের বিষয়, সরকারের অবয়ব। আর এই ক্ষমতাই কখনো কখনো সব খেয়ে ফেলে! আর তখনই ক্ষমতা হয়ে ওঠে একচেটিয়া। এবার ক্ষমতার সেই সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েই বিস্তারিত জানা যাক।

মানুষের জীবনে ভুল হবেই। এটি জীবনেরই অংশ। ব্যক্তিগত জীবন থেকে করপোরেট জীবন বা ব্যবসা—সবখানেই আমরা ভুল করি হরহামেশা। ভুল মানেই ব্যর্থতা। কিন্তু ভুল হওয়াটাই জীবনের শেষ কথা নয়। বরং ব্যর্থতা ভুলে ফিরে আসাটাই মূল কথা।

মানবসভ্যতার শুরুটা হয়েছিল মানুষের গোষ্ঠীবদ্ধতার মধ্য দিয়ে। গোষ্ঠী গঠন হওয়ার পরই আসে তার নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গ। এই প্রক্রিয়াতেই ধীরে রাজ্য বা সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়। রাজা বা সম্রাটের শাসনকাল শুরু হয়। অতিসরলীকরণ মনে হলেও বংশানুক্রমিক শাসনের ইতিহাস এ রকমই। এরপর ধীরে ধীরে আসে গণতন্ত্রের ধারণা।

গণপিটুনি আসলে কেমন ক্রিয়া? সাধারণত অনেক মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে একই উদ্দেশে পেটায় এই প্রক্রিয়ায়। অর্থাৎ, এই পিটুনি এক ধরনের শাস্তি প্রদান প্রক্রিয়া। প্রচলিত কোনো আইনের তোয়াক্কা না করেই, সমাজের মানুষ গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে এমন শাস্তি প্রদান করে থাকে।

বাংলা প্রবাদে আছে—‘আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী’। অর্থাৎ একজন ব্যক্তিকে বিচার করার সময় আমরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উনি কি ধরনের আচরণ প্রদর্শন করেন, সেটিকেই বিবেচনায় নিয়ে থাকি। কিন্তু কথা কম বলা মানেই কি কাজও কম করা? বা উল্টো করে বললে, কথা বেশি বলা কর্মী কি সব সময় কাজও বেশি করে থাকে?

বাংলা প্রবাদে আছে—‘আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী’। অর্থাৎ একজন ব্যক্তিকে বিচার করার সময় আমরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উনি কি ধরনের আচরণ প্রদর্শন করেন, সেটিকেই বিবেচনায় নিয়ে থাকি। কিন্তু কথা কম বলা মানেই কি কাজও কম করা? বা উল্টো করে বললে, কথা বেশি বলা কর্মী কি সব সময় কাজও বেশি করে থাকে?

সালমান শাহর গল্পটা করুণ তাঁর গল্পটা অসম্পূর্ণ। ২৯ বছর আগে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি চলে গিয়েছিলেন না ফেরার দেশে। ২৭ বছর বয়সেই, অর্থ, যশ, খ্যাতি যখন তাঁর পায়ে লুটিয়েছে, সেই বয়সেই তিনি নাকি আত্মহত্যা করেছিলেন! কিন্তু সে কথা দেশের মানুষ কখনোই বিশ্বাস করেনি।

সালমান শাহর গল্পটা করুণ তাঁর গল্পটা অসম্পূর্ণ। ২৯ বছর আগে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি চলে গিয়েছিলেন না ফেরার দেশে। ২৭ বছর বয়সেই, অর্থ, যশ, খ্যাতি যখন তাঁর পায়ে লুটিয়েছে, সেই বয়সেই তিনি নাকি আত্মহত্যা করেছিলেন! কিন্তু সে কথা দেশের মানুষ কখনোই বিশ্বাস করেনি।

আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠা ইস্তক আবার রাতে ঘুমানো পর্যন্ত অসংখ্য সিদ্ধান্ত নেন, যার অনেকগুলোর হিসাবই রাখেন না সচেতনভাবে। এর মধ্যে যেমন সকালের নাস্তা কী খাবেন, সেই সিদ্ধান্ত আছে, তেমনি আছে অফিস বা ব্যবসায়িক মিটিংয়ে কী নিয়ে আলোচনা করবেন, সেই সিদ্ধান্তও।

আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠা ইস্তক আবার রাতে ঘুমানো পর্যন্ত অসংখ্য সিদ্ধান্ত নেন, যার অনেকগুলোর হিসাবই রাখেন না সচেতনভাবে। এর মধ্যে যেমন সকালের নাস্তা কী খাবেন, সেই সিদ্ধান্ত আছে, তেমনি আছে অফিস বা ব্যবসায়িক মিটিংয়ে কী নিয়ে আলোচনা করবেন, সেই সিদ্ধান্তও।