চরচা ডেস্ক

সাধারণত শোবার ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়াকে স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। তবে বালিশে মাথা দেওয়া মাত্র ঘুমিয়ে পড়া মূলত ঘুমের ঘাটতিকে ইঙ্গিত করে।
ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত জুপিটার হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অমিত সারাফ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ডা. অমিত বলেন, শোবার ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই যদি নিয়মিত ঘুম আসে, তাহলে তা বোঝায় যে আপনার ঘুমের রুটিন, শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (বডি ক্লক) এবং ঘুমের চাপ- সবকিছুই পরস্পরের সঙ্গে ভালোভাবে কাজ করছে।
এর মানে হলো, শরীর স্বাভাবিকভাবেই ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে এবং মস্তিষ্ক জাগ্রত অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে ঘুমের দিকে যাচ্ছে। অনেকের ক্ষেত্রে এটি সময়মতো খাওয়া, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্যাফেইন না নেওয়া এবং নির্দিষ্ট ঘুমের সময় মেনে চলার মতো স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের ইতিবাচক ফল।
অন্যদিকে, ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যেই ঘুম চলে এলে বিষয়টি একটি সতর্ক সংকেত বলে মন্তব্য করেছেন ডা. অমিত। তিনি বলেন, “বালিশে মাথা রাখামাত্র যদি কেউ ঘুমিয়ে পড়ে, তাহলে অনেক সময় তা ঘুমের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। শরীর তখন হারানো ঘুম পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।”
এই ধরনের দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার প্রবণতা সাধারণত শিক্ষার্থী, শিফট ডিউটি করা কর্মী বা অতিরিক্ত কাজের চাপে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
কখনো কখনো এটি স্লিপ অ্যাপনিয়া (স্লিপ অ্যাপনিয়া হচ্ছে ঘুমানোর সময় শ্বাসনালী কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া) বা ক্লান্তির অতিরিক্ত লক্ষণও হতে পারে। দ্রুত ঘুম এলেও যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেকে ক্লান্ত বা অবসন্ন মনে হয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন ডা. অমিত।
এ ছাড়া আরও কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে দ্রুত ঘুম চলে আসতে পারে। এরমধ্যে রয়েছে-
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
ডা. অমিত বলেন, “যদি খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন এবং দিনের বেলায় ক্লান্তি অনুভব করেন, সকালে মাথাব্যথা থাকে, অথবা আপনি জোরে নাক ডাকেন কিংবা শ্বাস নেওয়ার সময় বিরতি আসে- তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।”
এই চিকিৎসকেরমতে, একটি স্লিপ অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে বোঝা সম্ভব সমস্যাটি কেবল আচরণগত নাকি এর পেছনে কোনো গুরুতর শারীরিক কারণ রয়েছে।

সাধারণত শোবার ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়াকে স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। তবে বালিশে মাথা দেওয়া মাত্র ঘুমিয়ে পড়া মূলত ঘুমের ঘাটতিকে ইঙ্গিত করে।
ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত জুপিটার হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অমিত সারাফ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ডা. অমিত বলেন, শোবার ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই যদি নিয়মিত ঘুম আসে, তাহলে তা বোঝায় যে আপনার ঘুমের রুটিন, শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (বডি ক্লক) এবং ঘুমের চাপ- সবকিছুই পরস্পরের সঙ্গে ভালোভাবে কাজ করছে।
এর মানে হলো, শরীর স্বাভাবিকভাবেই ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে এবং মস্তিষ্ক জাগ্রত অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে ঘুমের দিকে যাচ্ছে। অনেকের ক্ষেত্রে এটি সময়মতো খাওয়া, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্যাফেইন না নেওয়া এবং নির্দিষ্ট ঘুমের সময় মেনে চলার মতো স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের ইতিবাচক ফল।
অন্যদিকে, ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যেই ঘুম চলে এলে বিষয়টি একটি সতর্ক সংকেত বলে মন্তব্য করেছেন ডা. অমিত। তিনি বলেন, “বালিশে মাথা রাখামাত্র যদি কেউ ঘুমিয়ে পড়ে, তাহলে অনেক সময় তা ঘুমের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। শরীর তখন হারানো ঘুম পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।”
এই ধরনের দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার প্রবণতা সাধারণত শিক্ষার্থী, শিফট ডিউটি করা কর্মী বা অতিরিক্ত কাজের চাপে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
কখনো কখনো এটি স্লিপ অ্যাপনিয়া (স্লিপ অ্যাপনিয়া হচ্ছে ঘুমানোর সময় শ্বাসনালী কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া) বা ক্লান্তির অতিরিক্ত লক্ষণও হতে পারে। দ্রুত ঘুম এলেও যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেকে ক্লান্ত বা অবসন্ন মনে হয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন ডা. অমিত।
এ ছাড়া আরও কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে দ্রুত ঘুম চলে আসতে পারে। এরমধ্যে রয়েছে-
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
ডা. অমিত বলেন, “যদি খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন এবং দিনের বেলায় ক্লান্তি অনুভব করেন, সকালে মাথাব্যথা থাকে, অথবা আপনি জোরে নাক ডাকেন কিংবা শ্বাস নেওয়ার সময় বিরতি আসে- তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।”
এই চিকিৎসকেরমতে, একটি স্লিপ অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে বোঝা সম্ভব সমস্যাটি কেবল আচরণগত নাকি এর পেছনে কোনো গুরুতর শারীরিক কারণ রয়েছে।