
কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার-এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় ঠিক এই বিষয়টিই অনুসন্ধান করা হয়েছে। গবেষণা পত্রে ২৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর ওপর ৭২ ঘণ্টা ধরে স্মার্টফোন সীমাবদ্ধতার প্রভাব সম্পর্কে বলা হয়েছে।

যদি কেউ প্রতিদিন মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করে, তখন শরীর ধীরে ধীরে এক ধরনের ‘ক্রনিক ডিহাইড্রেশন’ মোডে চলে যায়। এ অবস্থায় যে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনগুলি দেখা দেয়, তা সময়ের সঙ্গে আরও গুরুতর হতে পারে।

পুরুষ নিজের সমস্যাগুলো চেপে রাখে, যা দীর্ঘমেয়াদে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি বা ক্রোধের মতো সমস্যায় রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে পুরুষদের ‘চাপ সহ্য করার ক্ষমতা’ নিয়ে একটি অতিরিক্ত প্রত্যাশা থাকে।

ডার্ক শাওয়ারিং নিয়ে সরাসরি গবেষণা না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ যেসব উপকারের কথা বলছে, সেগুলোর পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কম আলো মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়ায়, যা ঘুমের মান উন্নত করে।

এই পদ্ধতি ব্যবহারে ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নতুন অভ্যাস তৈরি করে। যে অভ্যাসে কাজ ফেলে রাখার বদলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করার ঝোঁক বাড়ে।

চিনি ঘুমের মান নষ্ট করে এবং মানসিক অস্থিরতা বাড়ায়। দুই সপ্তাহ পর ঘুম গভীর হয়, সকালে ওঠার পর শরীরে সতেজতা আসে।

ক্লান্তি ভাব বা ঘুম কাটাতে অনেকে চা পান করেন। তবে কিছু চা আছে যা একদম বিপরীত কাজ করে।

যারা প্রতিদিন দুই হাজার কদম হাঁটেন তাদের তুলনায় যারা সাত হাজার কদম হাঁটেন তাদের ক্যানসারে মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৭% কমে যায়। পাশাপাশি টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪%, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ৩৮%, বিষণ্ণতা ২২% এবং উদ্বেগের ঝুঁকি ২৮% কমে যায়।

কর্মসংস্কৃতিতে এখনো ‘সব ঠিক আছে’ ভাব দেখানো এক ধরনের অঘোষিত নিয়ম হয়ে আছে। অনেকে ভাবেন দুর্বলতা দেখালে চাকরি বা সম্মান হারাতে পারেন। এই ধারণা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একেবারেই অমূলক নয়।

কর্মসংস্কৃতিতে এখনো ‘সব ঠিক আছে’ ভাব দেখানো এক ধরনের অঘোষিত নিয়ম হয়ে আছে। অনেকে ভাবেন দুর্বলতা দেখালে চাকরি বা সম্মান হারাতে পারেন। এই ধারণা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একেবারেই অমূলক নয়।

খাওয়ার অনীহায় বাচ্চারা সকালে নাস্তা না করেই স্কুলে চলে যায়। অভিভাবকেরাও অনেক সময় বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। অথচ নিয়মিত নাস্তা না খাওয়ার প্রভাব শুধু পেটেই পড়ে না, প্রভাব ফেলে বাচ্চার মস্তিষ্ক, মনোযোগ, এমনকি ইমোশনাল বা আবেগীয় বিকাশেও।

খাওয়ার অনীহায় বাচ্চারা সকালে নাস্তা না করেই স্কুলে চলে যায়। অভিভাবকেরাও অনেক সময় বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। অথচ নিয়মিত নাস্তা না খাওয়ার প্রভাব শুধু পেটেই পড়ে না, প্রভাব ফেলে বাচ্চার মস্তিষ্ক, মনোযোগ, এমনকি ইমোশনাল বা আবেগীয় বিকাশেও।

মানসিক দুর্বলতা আপনার লক্ষ্য অর্জনে বাধা তৈরি করতে পারে। সেইসঙ্গে একজন ব্যক্তি হিসেবে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠা থেকে বিরত রাখতে পারে। আপনি যদি আসলেই দৃঢ় মানুষ হন তাহলে সেটি খুবই ভালো। কিন্তু মানসিকভাবে দুর্বল যদি হন তাহলে নিজেকে চিনুন এবং নিজের ক্ষতির কারণ হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

মানসিক দুর্বলতা আপনার লক্ষ্য অর্জনে বাধা তৈরি করতে পারে। সেইসঙ্গে একজন ব্যক্তি হিসেবে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠা থেকে বিরত রাখতে পারে। আপনি যদি আসলেই দৃঢ় মানুষ হন তাহলে সেটি খুবই ভালো। কিন্তু মানসিকভাবে দুর্বল যদি হন তাহলে নিজেকে চিনুন এবং নিজের ক্ষতির কারণ হওয়া থেকে বিরত থাকুন।