Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ আগস্ট, ২০২৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ আগস্ট, ২০২৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

ডায়েট বয়স কমাতে পারে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১৭: ৩১
ডায়েট বয়স কমাতে পারে?

সুস্থ থাকার জন্য স্বাস্থ্যকর ডায়েট বা খ্যাদাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। এই কথাটা জানা। তবে ডায়েটের মাধ্যমে বয়স কমানো যায়-এই ধারণা হয়ত অনেকেরই নেই। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটাই দেখা গিয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অব সিডনির একটি নতুন গবেষণা অনুযায়ী, যেসকল বয়স্ক ব্যক্তিরা তাদের খাদ্যতালিকা থেকে চর্বি অথবা প্রাণিজ প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন, তাদের মাঝে জৈবিকভাবে তরুণ বা কম বয়সী হয়ে ওঠার লক্ষণ দেখা গেছে। সায়েন্স ডেইলিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

‘এজিং সেল’ জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, ৬৫ থেকে ৭৫ বছর বয়সী প্রাপ্তবয়স্করা মাত্র চার সপ্তাহ নির্দিষ্ট একটি ডায়েট মেনে চলার পর তাদের আনুমানিক জৈবিক বয়স কমে গেছে। গবেষকদের মতে, এই ফলাফল এটাই নির্দেশ করে যে জীবনের শেষভাগে এসেও খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনা হলে তা বার্ধক্য এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সাথে জড়িত সূচকগুলোর দ্রুত উন্নতি ঘটাতে পারে।

অনলাইন ডায়েট অনুসরণ করার আগে যা জানা প্রয়োজনOnline diet

ইউনিভার্সিটি অব সিডনি’র ‘স্কুল অব লাইফ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস’-এর গবেষক ক্যাটলিন অ্যান্ড্রুজ এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফলাফলগুলো আশাব্যঞ্জক হলেও বিজ্ঞানীরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, ডায়েট বা খাদ্যতালিকা বার্ধক্যকে উল্টে দিতে পারে-এই গবেষণাটি তার চূড়ান্ত কোনো প্রমাণ নয়, বরং কেবলই একটি প্রাথমিক ধারণা দেয়। তারা বলছেন, সময়ের সাথে সাথে এই জৈবিক পরিবর্তনগুলো রোগব্যাধির ঝুঁকি কমায় কি না এবং অন্যান্য বয়সীদের মধ্যেও একই প্রভাব দেখা যায় কি না, তা নিশ্চিত হতে আরও বড় পরিসরে এবং দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার প্রয়োজন।

জৈবিক বয়স কী?

ক্রোনোলজিক্যাল বয়স বা কালানুক্রমিক বয়স দিয়ে পরিমাপ করা হয় একজন মানুষ কত বছর বেঁচে আছেন, কিন্তু জৈবিক বয়স নির্দেশ করে তার শরীর কতটা ভালোভাবে কাজ করছে। স্বাস্থ্য, জীবনযাত্রা এবং শারীরিক, মানসিক ধকল ও রোগব্যাধি থেকে শরীরের সেরে ওঠার ক্ষমতার মতো বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে জৈবিক বার্ধক্য একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে।

জৈবিক বয়স অনুমান করার জন্য বিজ্ঞানীরা ‘বায়োমার্কার’ বিশ্লেষণ করেন, যা মূলত সময়ের সাথে সাথে শারীরিক স্বাস্থ্যের পরিমাপযোগ্য নির্দেশক। দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য এবং সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল বোঝার জন্য এই বায়োমার্কারগুলোকে প্রায়শই কালানুক্রমিক বয়সের চেয়ে বেশি কার্যকরী মনে করা হয়।

এই গবেষণার জন্য গবেষকরা অংশগ্রহণকারীদের জৈবিক বয়সের স্কোর গণনা করতে ২০টি বায়োমার্কারের তথ্য ব্যবহার করেছিলেন। এর মধ্যে কোলেস্টেরল, ইনসুলিন এবং সি-রিয়্যাক্টিভ প্রোটিনের মাত্রার মতো বিভিন্ন পরিমাপ অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই উপাত্তগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের চার্লস পারকিন্স সেন্টারে পরিচালিত ‘নিউট্রিশন ফর হেলদি লিভিং’ নামক একটি গবেষণা থেকে নেওয়া হয়েছে।

চারটি ভিন্ন ডায়েট প্ল্যান পরীক্ষা

এই গবেষণায় ১০৪ জন অংশগ্রহণকারী ছিলেন, যাদের লটারির ভিত্তিতে চারটি ডায়েটের যেকোনো একটি মেনে চলার জন্য বলা হয়েছিল। প্রতিটি ডায়েটেই মোট শক্তির ১৪ শতাংশ আসত প্রোটিন থেকে।

এর মধ্যে দুটি ডায়েট ছিল সর্বভুক (উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ের ওপর নির্ভরশীল), যেখানে প্রোটিনের অর্ধেক আসত প্রাণিজ উৎস থেকে এবং বাকি অর্ধেক উদ্ভিদ থেকে। অন্য দুটি ছিল আধা-নিরামিষ  ডায়েট, যেখানে প্রোটিনের ৭০ শতাংশই আসত উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে।

এই বিভাগগুলোর মধ্যেই অংশগ্রহণকারীদের হয় একটি উচ্চ-চর্বি ও কম-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট, অথবা একটি কম-চর্বি ও উচ্চ-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে চারটি ডায়েট গ্রুপ তৈরি হয়:

  • ওমনিভোরাস হাই-ফ্যাট (ওএইচএফ): সর্বভুক উচ্চ-চর্বিযুক্ত ডায়েট
  • ওমনিভোরাস হাই-কার্বোহাইড্রেট (ওএইচসি): সর্বভুক উচ্চ-কার্বোহাইড্রেটযুক্ত ডায়েট
  • সেমি-ভেজিটেরিয়ান হাই-ফ্যাট (ভিএইচএফ): আধা-নিরামিষ উচ্চ-চর্বিযুক্ত ডায়েট
  • সেমি-ভেজিটেরিয়ান হাই-কার্বোহাইড্রেট (ভিএইচসি): আধা-নিরামিষ উচ্চ-কার্বোহাইড্রেটযুক্ত ডায়েট

অংশগ্রহণকারীদের বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) ছিল ২০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। তারা সবাই ছিলেন অধূমপায়ী ও আমিষভোজী এবং তাদের কোনো গুরুতর শারীরিক জটিলতা (যেমন: টাইপ-২ ডায়াবেটিস মেলিশিয়া, ক্যান্সার, কিডনি বা লিভারের রোগ) কিংবা কোনো খাবারে অ্যালার্জি বা সহনশীলতার অভাব ছিল না।

কোন ডায়েট সবচেয়ে বড় পরিবর্তন?

গবেষকরা দেখেছেন যে, ওএইচএফ গ্রুপের অংশগ্রহণকারীদের বায়োমার্কারে জৈবিক বয়সের কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। উল্লেখ্য, এই গ্রুপের ডায়েট বা খাদ্যতালিকাটি ছিল গবেষণার আগে তারা সাধারণত যা খেতেন, তার সবচেয়ে কাছাকাছি।

উদ্ভিজ্জ ডায়েট শরীর সুস্থ রাখতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছবি: পেক্সেল ডট কম
উদ্ভিজ্জ ডায়েট শরীর সুস্থ রাখতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছবি: পেক্সেল ডট কম

তবে অন্য তিনটি গ্রুপের সবার ক্ষেত্রেই জৈবিক বয়স কমে যাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী পরিসংখ্যানগত প্রমাণ পাওয়া গেছে ওএইচসি গ্রুপ থেকে, যারা উচ্চ-কার্বোহাইড্রেট এবং কম-চর্বিযুক্ত একটি সর্বভুক ডায়েট অনুসরণ করেছিলেন। এই গ্রুপটির ক্ষেত্রে মোট শক্তির ১৪ শতাংশ এসেছিল প্রোটিন থেকে, ২৮-২৯ শতাংশ চর্বি থেকে এবং ৫৩ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট থেকে।

যদিও এই ফলাফলগুলো ইঙ্গিত করে যে ডায়েট দ্রুত জৈবিক বার্ধক্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, তবুও গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে এই উন্নতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে কি না বা জৈবিক বয়স স্থায়ীভাবে কমিয়ে রাখে কি না, তা এখনও অজানা।

দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার আহ্বান গবেষকদের

গবেষণাটির তত্ত্বাবধানকারী, স্কুল অব লাইফ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস এবং চার্লস পারকিন্স সেন্টারের সহযোগী অধ্যাপক অ্যালিস্টেয়ার সিনিয়র বলেন, “খাদ্যাভ্যাসের এই পরিবর্তনগুলো বয়সজনিত রোগব্যাধির ঝুঁকি কমাতে পারে কি না, তা মূল্যায়নের জন্য আরও দীর্ঘমেয়াদী ডায়েট পরিকল্পনার প্রয়োজন।”

গবেষক অ্যান্ড্রুজ বলেন, “খাদ্যতালিকায় সুনির্দিষ্ট কিছু পরিবর্তন আপনার আয়ু বাড়িয়ে দেবে-তা এখনই চূড়ান্তভাবে বলাটা ঠিক না। তবে জীবনের শেষভাগে এসে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার সম্ভাব্য সুবিধাগুলো কেমন হতে পারে, এই গবেষণাটি তারই একটি প্রাথমিক ইঙ্গিত দেয়।”

অ্যান্ড্রুজ আরও বলেন, “ভবিষ্যতের গবেষণায় এটা খতিয়ে দেখা উচিত যে, এই ফলাফলগুলো অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য কি না এবং এখানে নথিভুক্ত হওয়া পরিবর্তনগুলো দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে কিংবা সুদূরপ্রসারী ফলাফলের পূর্বাভাস দেয় কি না।” 

বিষয়:

সুস্থ জীবনখাবারদাবারজীবনধারাস্বাস্থ্যগবেষণাখাদ্যাভ্যাসগবেষকব্যালান্স ডায়েটলাইফস্টাইল
১

চেক জালিয়াতির মামলায় ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

২

আমেরিকা–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের লাভ

৩

সিপিডির নতুন নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন

৪

চট্টগ্রামে বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ গাড়ি জব্দ

৫

হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নতুন দায়িত্বে, কী করবেন তারা?

সম্পর্কিত

কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়

সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

দুধ নাকি দইঃ কার পুষ্টি বেশি

দুধ নাকি দইঃ কার পুষ্টি বেশি

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ