
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ভোক্তাদের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যসচেতনতাও পেপসিকে বেশ ভোগাচ্ছে। অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়ে অস্বস্তি যেমন স্ন্যাকস ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, তেমনি ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তাও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গবেষকরা দেখেছেন যে, ওএইচএফ গ্রুপের অংশগ্রহণকারীদের বায়োমার্কারে জৈবিক বয়সের কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। উল্লেখ্য, এই গ্রুপের ডায়েট বা খাদ্যতালিকাটি ছিল গবেষণার আগে তারা সাধারণত যা খেতেন, তার সবচেয়ে কাছাকাছি।

ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অ্যাপসে ইনফ্লুয়েন্সারদের কার্যক্রম নিয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তা সত্ত্বেও পুষ্টিবিদ্যায় যোগ্যতা নেই–এমন সেলিব্রিটিদের কাছ থেকে খাদ্যসংক্রান্ত পরামর্শ সামাজিক মাধ্যমে এখনও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

স্বাস্থ্য সচেতনদের ডায়েট চার্টের সবচেয়ে পছন্দের খাবার সালাদ। তবে সব সালাদ কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। কিছু বাড়ায় ওজন, আবার কিছু পূরণ করে না পুষ্টির চাহিদা। প্রশ্ন হলো–সালাদের নামে আসলে আমরা কী খাচ্ছি?

সুস্থ থাকতে ভালো ডায়েটের বিকল্প নেই। কিন্তু এজন্য সারাদিন খাবারের ক্যালরি মাপার চক্করে নাজেহাল থাকাও কাম্য নয়। এর একটি সহজ সমাধান হিসেবে কয়েক বছর ধরে লাইফস্টাইল ট্রেন্ড রাজত্ব করছে ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত জুপিটার হাসপাতালের পরিচালক (ইন্টারনাল মেডিসিন) ডা. অমিত সারাফ জানান, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরেও অনেকের ওজন না কমার পেছনে বড় কারণ হতে পারে অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস।

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ হলো এটি কোনো ‘ক্রাশ ডায়েট’ নয়। এটি মানুষকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পথ দেখায়।

শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজন চিন্তা করে সারাবিশ্বে অনেক ধরনের ডায়েট প্রচলিত আছে। এরমধ্যে একটি হলো লায়ন ডায়েট। এই ডায়েটে শুধু নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর মাংস-যেমন ভেড়া, বাইসন ও হরিণ খাওয়া হয়।