
খাবারেও নাকি ফ্যাসিবাদ আছে? শুনেছেন কখনো? যত অদ্ভুতই লাগুক ‘ফুড ফ্যাসিজম’ বলে একটা বিষয় কিন্তু আছে। চমকাবেন না। এটা কোনো খাবরে ঠিক নুন-ঝাল থাকবার মতো কোনো বিষয় নয়। বেশ গুরুতর বিষয়টা। যা বুঝতে হলে খুব বেশি দূর যেতে হবে না। এই অঞ্চলের গরু নিয়ে গোলমালের দিকে ভালো করে তাকালেই হবে।

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনস্থলে বিক্ষোভকারীদের জন্য দেশ-বিদেশ থেকে অনলাইনে প্রচুর খাবার পাঠানোর হিড়িক পড়েছে।
ঢাকার অফিস পাড়া মতিঝিলের একটি জনপ্রিয় খাবারের দোকান ‘আমিন বিরিয়ানি’। প্রতি দিন শতাধিক মানুষ এখানে দুপুরের খাবার খেতে আসেন। তবে বিরিয়ানির দোকানে বিরিয়ানির নয় বিক্রি হয় নানা পদের মাছ। রুই, বোয়ালসহ নানা পদের ছোট মাছ বিক্রি হয় দোকানে।

ঘুমের শরীরের শক্তি কমে যায়। কারণ এ সময়েও আমাদের শরীর সক্রিয় থাকে। ক্যালরি বার্ন হয়। রাতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কম থাকে।

এই ব্রথ আপনি নুডলসে দিয়ে খেতে পারেন। কিংবা না ছেঁকে শুধু স্যুপ হিসেবেও খেতে পারেন। বানিয়ে খেয়েই দেখুন না হয়। হালান্ডের মতো এনার্জি পেলেও পেতে পারেন!

বার্গার পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয় একটি খাবার। কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, এই বার্গারের জন্ম কোথায়? কেন এর নাম হ্যামবার্গার? এটি কি সত্যিই হ্যাম (Ham) দিয়ে তৈরি? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো ইতিহাস? খাওনদাওনের আজকের পর্বে জানুন বার্গারের জন্ম, ভ্রমণ।

শুধু পুষ্টিকর খাবার খাওয়াই যথেষ্ট নয়, শরীর সেই পুষ্টি কতটা কার্যকরভাবে শোষণ করতে পারছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার একসঙ্গে খেলে ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য উপকারী উপাদান শরীরে আরও ভালোভাবে শোষিত হয়।

পেশি গঠন, বিপাকক্রিয়া সচল রাখা এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দিতে প্রোটিনের ভূমিকা অনেকদিন ধরেই প্রশংসিত। এ কারণে উচ্চ-প্রোটিন খাদ্যাভ্যাস এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন বাড়ানোর উপায় খুঁজছেন।

স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্যাভাসের প্রভাব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সকালের নাশতা থেকে দুপুরের খাবার, রাতের খাবার কিংবা হালকা নাশতা–সব মিলিয়েই আমাদের শরীর গড়ে ওঠে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের প্রথম খাবারটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পুরো দিনের জন্য শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

কোরবানির ঈদে গরুর মাংসের পাশাপাশি খাসির নানা পদ রান্না হয় বাসা-বাড়িতে। ঈদ স্পেশাল আয়োজনে খাসির রেজালার খোঁজে খাওনদাওন টিম গিয়েছিল মোহাম্মদপুরের অন ফায়ার রেস্টুরেন্টে। কিন্তু সেখানে খাসির রেজালা বলে যেটা বিক্রি হয় সেটা আসলেই কি তাই?

ঢাকা শহরে বিফ স্টেক এখন মোটামুটি জনপ্রিয় একটি খাবারের আইটেম। রাজধানীর অনেক রেস্তরাঁ স্টেকে নিজের বিশিষ্টতা ধরে রাখছে। স্টেকআউট সেরকমই জনপ্রিয় একটি রেস্তরাঁ। খাওনদাওনের ঈদ স্পেশালে স্টেক নিয়ে গল্প। রসালো রিবআই আর সাথে সাইড ডিশ হিসেবে ম্যাশড পটেটো আর চিজ মাশরুম।

দীর্ঘদিন ধরেই ভালো ঘুমের সঙ্গে দুধের একটি সংযোগ রয়েছে বলে মনে করা হতো এবং এখন জানা যাচ্ছে যে এর পেছনে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক কারণও রয়েছে।
পেইড ভ্লগ কি অনৈতিক? বাংলাদেশে রেস্টুরেন্ট মালিক আর ফুড ভ্লগারদের মধ্যে সুস্থ সম্পর্ক কেন নেই? খাওনদাওনের পডকাস্টে কাজী সাজিদুল হকের সঞ্চালনায় এসব নিয়ে কথা বলেছেন ফুডভ্লগার, সাংবাদিক মীর রায়হান মাসুদ।

গবেষকরা দেখেছেন যে, ওএইচএফ গ্রুপের অংশগ্রহণকারীদের বায়োমার্কারে জৈবিক বয়সের কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। উল্লেখ্য, এই গ্রুপের ডায়েট বা খাদ্যতালিকাটি ছিল গবেষণার আগে তারা সাধারণত যা খেতেন, তার সবচেয়ে কাছাকাছি।

সকালে এক কাপ কফি দিয়ে দিনের শুরু করা অনেকেরই দৈনন্দিন রুটিন। সকালবেলা সতেজ অনুভব করতে এই কফি প্রয়োজন ও আনন্দের এক মিশ্র অনুভূতি দেয়। তবে নতুন গবেষণা বলছে, কফির ক্যাফেইন শুধু আপনাকে সজাগ রাখে না, শরীরের ভেতরে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
১৯২২ সালে আজকের পুরান ঢাকায় আব্দুল আজিজ শুরু করেন শরবত বিক্রি। কালক্রমে নাম ছাড়াতে থাকে তার। ১০৪ বছর পর সেই বিউটি লাচ্ছি অ্যান্ড ফালুদা এখন ঢাকার ইতিহাসের অংশ। শুরু থেকেই এই দোকানে লেবুর শরবত পরিবেশন হচ্ছে। বিউটির ফালুদা, লাচ্ছিও অনেকের পছন্দ। খাওনদাওনের আজকের পর্ব পুরান ঢাকার বিউটি লাচ্ছি নিয়ে।

রাজধানীর মতিঝিলে জাপানি মোমো বিক্রি করেন আল মামুন। তার কাছে আরও পাওয়া যায় ভারতীয় ও নেপালি মোমো।

বাংলাদেশের আম মূলত দুই ধরনের—উন্নত বা অভিজাত জাত এবং স্থানীয় জাত। উন্নত জাতের আম সাধারণত জোড়কলমসহ বিভিন্ন অঙ্গজ পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করা হয়, অন্যদিকে স্থানীয় জাতের আম বীজ থেকে উৎপন্ন চারা দিয়ে বিস্তার লাভ করে।

আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, অনিয়মিত খাবার আর ঘুমের ঘাটতি–নিত্যদিনের এসব অভ্যাসই নীরবে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে হৃদস্বাস্থ্যকে। তবে বড় কোনো পরিবর্তন নয়, দিনের ছোট ছোট কিছু নিয়মই এই ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ডিমকে বলা হয় আদর্শ প্রোটিনের উৎস। একটি বড় ডিমে মাত্র ৭৮ ক্যালরির বিপরীতে পাওয়া যায় প্রায় ৬ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি এসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিড সঠিক অনুপাতে থাকে, যা আমাদের পেশী গঠন ও টিস্যু মেরামতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।