চরচা ডেস্ক

স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্যাভাসের প্রভাব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সকালের নাশতা থেকে দুপুরের খাবার, রাতের খাবার কিংবা হালকা নাশতা–সব মিলিয়েই আমাদের শরীর গড়ে ওঠে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের প্রথম খাবারটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পুরো দিনের জন্য শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।
ভারতীয় পুষ্টিবিদ কিরণ কুকরেজা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু খাবারের কথা জানিয়েছেন, যেগুলো খালি পেটে না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে তার পরামর্শ তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
টকজাতীয় ফল
খালি পেটে আনারস, কমলা বা অন্যান্য টক ফল খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ কিরণ কুকরেজা। এসব ফলে অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকায় অম্বল বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
গ্রিন টি
ওজন কমাতে গ্রিন টি বেশ জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত। তবে কিরণের পরামর্শ, খালি পেটে গ্রিন টি না খাওয়াই ভালো। এতে থাকা ক্যাফেইন ও ট্যানিনের কারণে অম্বল, বমিভাব বা পেটে অস্বস্তি হতে পারে।

চা ও কফি
খালি পেটে চা বা কফি পান না করার পরামর্শ দিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ। কারণ এগুলো অম্বল, পেট ফাঁপা এবং পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
ঝাল খাবার
সবুজ বা শুকনা মরিচযুক্ত ঝাল খাবারও খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন কিরণ। এসব খাবার পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে এবং পেটে জ্বালাভাব বাড়াতে পারে।
ফলের জুস
কিরণ জানান, খালি পেটে ফলের জুস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। কারণ পুরো ফলের তুলনায় জুসে আঁশ বা ফাইবার কম থাকে।
এদিকে, কিরণ কুকরেজা খালি পেটে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন। এরমধ্যে রয়েছে–
হালকা গরম জিরা পানি
কিরণ বলেন, জিরা পানি হজমে সহায়তা করতে পারে, পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করে এবং সারারাত না খাওয়ার পর সকালে অন্ত্রকে ধীরে ধীরে সক্রিয় করে।
টাটকা ফল ও মিশ্র বীজ
পুষ্টিবিদ কিরণ জানান, টাটকা ফল ও বিভিন্ন বীজ শরীরে প্রাকৃতিক ফাইবার, পানি, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয়। এগুলো খেলে পেটও বেশি ভারী লাগে না।

টাটকা সবজির জুস
কিরণ বলেন, খালি পেটে টাটকা সবজির জুস খাওয়া যায়। এটি শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেয় এবং সকালেই ত্বক ও হজমতন্ত্রের জন্য উপকারী পুষ্টি জোগায়। যেমন–লাউয়ের জুস, শসার জুস, বিট-গাজরের জুস বা শসা-ধনেপাতার জুস।
ভেজানো বাদাম
ভেজানো কাঠবাদাম ও আখরোট সহজে হজম হয়। এগুলো স্বাস্থ্যকর চর্বি, খনিজ উপাদান ও দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
প্রোটিনসমৃদ্ধ সকালের খাবার
কিরণের পরামর্শ, সকালের খাবারে অঙ্কুরিত শস্য (স্প্রাউটস), টকদই ও মুগ ডালের চাপটি (চিলা) রাখা যেতে পারে। এগুলো রক্তে শর্করার ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে, দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং পরে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।

স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্যাভাসের প্রভাব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সকালের নাশতা থেকে দুপুরের খাবার, রাতের খাবার কিংবা হালকা নাশতা–সব মিলিয়েই আমাদের শরীর গড়ে ওঠে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের প্রথম খাবারটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পুরো দিনের জন্য শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।
ভারতীয় পুষ্টিবিদ কিরণ কুকরেজা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু খাবারের কথা জানিয়েছেন, যেগুলো খালি পেটে না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে তার পরামর্শ তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
টকজাতীয় ফল
খালি পেটে আনারস, কমলা বা অন্যান্য টক ফল খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ কিরণ কুকরেজা। এসব ফলে অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকায় অম্বল বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
গ্রিন টি
ওজন কমাতে গ্রিন টি বেশ জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত। তবে কিরণের পরামর্শ, খালি পেটে গ্রিন টি না খাওয়াই ভালো। এতে থাকা ক্যাফেইন ও ট্যানিনের কারণে অম্বল, বমিভাব বা পেটে অস্বস্তি হতে পারে।

চা ও কফি
খালি পেটে চা বা কফি পান না করার পরামর্শ দিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ। কারণ এগুলো অম্বল, পেট ফাঁপা এবং পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
ঝাল খাবার
সবুজ বা শুকনা মরিচযুক্ত ঝাল খাবারও খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন কিরণ। এসব খাবার পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে এবং পেটে জ্বালাভাব বাড়াতে পারে।
ফলের জুস
কিরণ জানান, খালি পেটে ফলের জুস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। কারণ পুরো ফলের তুলনায় জুসে আঁশ বা ফাইবার কম থাকে।
এদিকে, কিরণ কুকরেজা খালি পেটে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন। এরমধ্যে রয়েছে–
হালকা গরম জিরা পানি
কিরণ বলেন, জিরা পানি হজমে সহায়তা করতে পারে, পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করে এবং সারারাত না খাওয়ার পর সকালে অন্ত্রকে ধীরে ধীরে সক্রিয় করে।
টাটকা ফল ও মিশ্র বীজ
পুষ্টিবিদ কিরণ জানান, টাটকা ফল ও বিভিন্ন বীজ শরীরে প্রাকৃতিক ফাইবার, পানি, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয়। এগুলো খেলে পেটও বেশি ভারী লাগে না।

টাটকা সবজির জুস
কিরণ বলেন, খালি পেটে টাটকা সবজির জুস খাওয়া যায়। এটি শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেয় এবং সকালেই ত্বক ও হজমতন্ত্রের জন্য উপকারী পুষ্টি জোগায়। যেমন–লাউয়ের জুস, শসার জুস, বিট-গাজরের জুস বা শসা-ধনেপাতার জুস।
ভেজানো বাদাম
ভেজানো কাঠবাদাম ও আখরোট সহজে হজম হয়। এগুলো স্বাস্থ্যকর চর্বি, খনিজ উপাদান ও দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
প্রোটিনসমৃদ্ধ সকালের খাবার
কিরণের পরামর্শ, সকালের খাবারে অঙ্কুরিত শস্য (স্প্রাউটস), টকদই ও মুগ ডালের চাপটি (চিলা) রাখা যেতে পারে। এগুলো রক্তে শর্করার ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে, দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং পরে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।