
ইজমাইল আঞ্চলিক প্রশাসন টেলিগ্রামে জানিয়েছে, হামলায় বন্দরের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং শহরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ কথাটি বহুদিন ধরেই আমাদের পরিচয়ের অংশ। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের একজন মানুষের মাসিক খাদ্যতালিকায় কী কী থাকছে? আর সেই খাবার কি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে যথেষ্ট? বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিইউএফপি) বাংলাদেশ মার্কেট মনিটর, জুন ২০২৬ প্রতিবেদনে এই প্রশ্নগুলোরই একটি

চলতি বছরের মে থেকে আগস্টের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এর মধ্যে প্রায় ৪ লাখ ৮৩ হাজার মানুষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ইরানে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া অন্তর্বর্তী চুক্তি এরই মধ্যে ভেস্তে গেছে। দুই দেশ একে অপরকে দোষারোপ করে চলেছে। ফলাফল দাঁড়িয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি আবারও কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই সংকটের আঁচ লেগেছে বাংলাদেশেও। খাদ্য সংকটে পড়তে পারে দেশের অন্তত দুই কোটি মানুষ।

মাত্রাতিরিক্ত সংরক্ষণকারী পদার্থ, মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতিসহ মানমাত্রার ব্যত্যয় ঘটায় এসব প্রতিষ্ঠানের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের কারণে তিনটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।

বৈশ্বিক সার ও জ্বালানি বাজারে মূল্য ও সরবরাহের অস্থিরতা মোকাবিলা, খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দ্রুত জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্যাভাসের প্রভাব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সকালের নাশতা থেকে দুপুরের খাবার, রাতের খাবার কিংবা হালকা নাশতা–সব মিলিয়েই আমাদের শরীর গড়ে ওঠে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের প্রথম খাবারটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পুরো দিনের জন্য শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

কিউবা বর্তমানে তার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিপর্যয়, অন্যদিকে খাদ্যসংকট ও জনরোষ। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের গোয়েন্দা প্রধান জন র্যাটক্লিফের হাভানা সফর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

ওএমএসের চাল ও আটা কিনতে খাদ্যপণ্যের গাড়ির সানমে মানুষের দীর্ঘ লাইন।

বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত প্রধান মনোযোগ ছিল তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রভাবের দিকে। তবে জাতিসংঘ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে। কারণ আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ডিমকে বলা হয় আদর্শ প্রোটিনের উৎস। একটি বড় ডিমে মাত্র ৭৮ ক্যালরির বিপরীতে পাওয়া যায় প্রায় ৬ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি এসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিড সঠিক অনুপাতে থাকে, যা আমাদের পেশী গঠন ও টিস্যু মেরামতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ওপরে উঠেছে। যার প্রধান চাপ এসেছে খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে।

হাকিম হাবিবুর রহমান লিখেছেন, পুরান ঢাকায় একসময় ফেরি করে তেহারি বিক্রি হতো। কালের বিবর্তনে সেই তেহারি এখন সারা ঢাকায় অলি-গলিতে বিক্রি হয়। সেরকমই একটি দোকান পুরান ঢাকার জনসন রোডের ‘সকাল সন্ধ্যা বিরিয়ানি হাউজ’। রাস্তার পাশে দু’রকমের তেহারি নিয়ে ৩৬ বছর ধরে মানুষকে খাইয়ে আসছে এই ছোট্ট দোকান।

২০২৬ সালের ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ (জিআরএফসি) প্রতিবেদনে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে একটি অস্বস্তিকর ও উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরাসরি দুর্ভিক্ষ কিংবা চরম কোনো খাদ্য সংকটের মধ্য দিয়ে না গেলেও, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা

পুরান ঢাকার আবুল হাসনাত রোডে (সাত রওজায়) অবস্থিত ‘আনন্দ কনফেকশনারী’-এর দইবড়া বেশ সুস্বাদু, এতে হালকা জিরার স্বাদ রয়েছে, দইবড়ার দইটি বেশ ঘন-এ কারণে ক্রিমি একটি স্বাদ পাওয়া যায়। বেশ মিষ্টি এই দইবড়া।

অনেকেই স্ট্রেস কমাতে, মুখ ফ্রেশ রাখতে বা অতিরিক্ত খাওয়া কমানোর জন্য চুইংগাম চিবিয়ে থাকেন। কারণ যাই হোক, এটি একটি খুব সাধারণ অভ্যাস। তবে অনেকেরই একটি ভয় থাকে—ভুলবশত গিলে ফেললে এটি পেটে দীর্ঘদিন আটকে থাকে, এমন ধারণা থেকে অযথা দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। তবে এ ধারণা ঠিক নয়।

ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অ্যাপসে ইনফ্লুয়েন্সারদের কার্যক্রম নিয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তা সত্ত্বেও পুষ্টিবিদ্যায় যোগ্যতা নেই–এমন সেলিব্রিটিদের কাছ থেকে খাদ্যসংক্রান্ত পরামর্শ সামাজিক মাধ্যমে এখনও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এই চাপ আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

একদিকে ক্ষুধার জ্বালায় প্রতি বছর বিশ্বে ৩০ লাখের বেশি শিশুর মৃত্যু হচ্ছে, অন্যদিকে উৎপাদিত খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশই চলে যাচ্ছে ডাস্টবিনে। জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১৩০ কোটি টন খাবার অপচয় হয়। বাংলাদেশে এই পরিমাণ বছরে ১ কোটি ৪০ লাখ টন।