
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

অনেকেই স্ট্রেস কমাতে, মুখ ফ্রেশ রাখতে বা অতিরিক্ত খাওয়া কমানোর জন্য চুইংগাম চিবিয়ে থাকেন। কারণ যাই হোক, এটি খুব সাধারণ একটি অভ্যাস। তবে অনেকেরই একটি ভয় থাকে—ভুলবশত গিলে ফেললে এটি পেটে দীর্ঘদিন আটকে থাকে, এমন ধারণা থেকে অযথা দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। তবে এ ধারণা ঠিক নয়।
ভারতের পুনের অ্যাপোলো স্পেকট্রা হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বিশাল শেঠ হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, “শৈশব থেকেই আমাদের অনেককে শেখানো হয় যে চুইংগাম গিলে ফেললে তা বছরের পর বছর পেটে থেকে যায়। এই ধারণা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে, যা অযথা ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করে।”
ডা. বিশাল স্পষ্ট করে বলেন, “এই ধারণা একটি মিথ। চুইংগাম সাধারণ খাবারের মতো সহজে হজম না হলেও এটি কখনোই শরীরে বছরের পর বছর থেকে যায় না।”

গিলে ফেলা চুইংগাম কতদিন পেটে থাকে?
ডা. বিশাল জানান, আমাদের পরিপাকতন্ত্র এমনভাবে তৈরি যে আমরা যা খাই, তা ধীরে ধীরে শরীরের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যায়। তাই চুইংগাম গিলে ফেললে তা বছরের পর বছর পেটে থাকে–এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।
চুইংগাম শরীরে কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হয়–এই প্রশ্নের জবাবে ডা. বিশাল বলেন, “চুইংগামের সিন্থেটিক বেস থাকায় এটি পুরোপুরি ভাঙে না, তবে এটি অন্যান্য খাবারের মতোই পরিপাকতন্ত্র দিয়ে এগিয়ে যায়। পেট থেকে এটি অন্ত্রে যায়, তারপর বর্জ্যের সঙ্গে মিশে মলের মাধ্যমে ৪-৫ দিনের মধ্যেই শরীর থেকে বের হয়ে যায়। শরীর কখনোই এটিকে বছরের পর বছর জমিয়ে রাখে না।”
এটি কি শরীরের কোনো অঙ্গে আটকে যায়?
ডা. বিশাল জানান, এটিও একটি সাধারণ ভয়। চুইংগাম অন্ত্র বা পাকস্থলীতে আটকে যায় না। অনেকেই মনে করেন, তাদের পেটের সমস্যার কারণ হয়তো গিলে ফেলা চুইংগাম।
এ বিষয়ে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, “চুইংগাম গিলে ফেললে পেটব্যথা, ভারী লাগা, হজমের সমস্যা, বমি, বমিভাব বা কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি বাড়ে না এবং এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপরও কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না।”

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।