তাসীন মল্লিক

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পদ্ধতি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় আলাদা। এখানে জনগণ সরাসরি ভোট দেন না; বরং নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) দল বা জোটের মনোনয়নের ভিত্তিতে এসব আসনের প্রতিনিধিদের নির্বাচন করা হয়। আসন সংখ্যা আর প্রার্থীর সংখ্যা সমান হওয়ায় সাধারণত এখানে এখন পর্যন্ত ভোটের প্রয়োজন পড়েনি।
তবে এবার একটি আইনি জটিলতার কারণে হয়তো সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচনে এমপিদের ভোট দেওয়া লাগতে পারে।
কেন এমপিদের ভোটের দরকার পড়তে পারে?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ৩৬ জন এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেয়। এর মধ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনিরা শারমিনের মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মনিরা সরকারি চাকরি থেকে অবসরের চার মাসের মধ্যেই প্রার্থী হয়েছেন। আইনে বলা আছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর তিন বছর না পেরোলে কেউ সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। এই কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী ওই সংরক্ষিত আসনটি সব দলের প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত হবে। উন্মুক্ত আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন।
যেভাবে ভোট দেবেন এমপিরা
প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনের নারী সদস্য নির্বাচনে ইসি একটি নতুন তফসিল ঘোষণা করবে। তফসিল অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনটিতে সব রাজনৈতিক দল বা জোট নতুন করে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। এরপর সংসদ সদস্যদের ভোটে ওই আসনের প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে।
সংসদ সদস্যদের ভোট গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ভবনে অথবা ইসি নির্ধারিত স্থানে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, ‘‘আসন উন্মুক্ত হলে আমরা তফসিল দেব। দলগুলো নিজেদের মতো প্রার্থী দেবে। এরপর নির্বাচনের দিন এমপিরা নির্বাচন কমিশনে কিংবা নির্ধারিত স্থানে এসে উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচনে ভোট দেবেন।’’
বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা
তবে এ বিষয়ে করণীয়র বিষয়টি স্পষ্ট হবে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরের পর। কারণ, এ দিন সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।
মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন তোলার তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন–সে তথ্য না থাকায় সময় বাড়ানো হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন। অর্থাৎ, প্রার্থী হওয়ার আগে তার চাকরি ছাড়ার সময়সীমা তিন বছর পূর্ণ হয়নি।
মনিরা শারমিন চরচাকে বলেন, “বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটা বিশেষায়িত ব্যাংক এবং একটা সেকেন্ড ক্লাস পদ, যা রাষ্ট্রের কোনো লাভজনক পদ না। নির্বাচন কমিশন বিষয়গুলো জানে। আমি মনে করি কোনো সমস্যা হবে না।”
অবশ্য নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “আরপিওর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন।”
এদিকে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের আশঙ্কা মাথায় রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় তা বাতিল করেছে ইসি। তবে এর বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে তার। ফলে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল হলেও নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুজনের যে কেউ মনোনয়ন ফিরে পেলে নির্বাচনের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

আইনে কী বলা আছে?
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।
আরপিওতে প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণের পর তিন বছর অতিবাহিত না হয়।
মনিরা শারমিন রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছেন মাত্র চার মাস আগে, গত বছরের ডিসেম্বরে। যা আইনে নির্ধারিত তিন বছরের সময়সীমার মধ্যে পড়ে।
নির্ধারিত সময়ে জামায়াত জোট ১৩টি আসনের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থীর তালিকা দিয়েছিল। যদি একজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়, তবে ওই আসনটি সবার জন্য ‘উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপি থাকা দল বা জোট তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে।
এ ক্ষেত্রে কার্যকর হবে জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ৩০ (১) ধারার ক, খ, গ এবং ঘ উপধারা। যেখানে বলা আছে, কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে বণ্টনকৃত সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে–সেই রাজনৈতিক দল বা জোটের সকল আসনে মনোনয়নপত্র পাওয়া না গেলে; বা ভোট গ্রহণের সময় ওই রাজনৈতিক দল বা জোটের সকল ভোটার একযোগে ভোট না দিলে; বা সব ব্যালট পেপার বাতিল হলে; অথবা ধারা ১২-এর উপধারা (৪)-এর অধীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজন হলে–ওই রাজনৈতিক দল বা জোটের আসন বা আসনগুলো সব রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পদ্ধতি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় আলাদা। এখানে জনগণ সরাসরি ভোট দেন না; বরং নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) দল বা জোটের মনোনয়নের ভিত্তিতে এসব আসনের প্রতিনিধিদের নির্বাচন করা হয়। আসন সংখ্যা আর প্রার্থীর সংখ্যা সমান হওয়ায় সাধারণত এখানে এখন পর্যন্ত ভোটের প্রয়োজন পড়েনি।
তবে এবার একটি আইনি জটিলতার কারণে হয়তো সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচনে এমপিদের ভোট দেওয়া লাগতে পারে।
কেন এমপিদের ভোটের দরকার পড়তে পারে?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ৩৬ জন এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেয়। এর মধ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনিরা শারমিনের মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মনিরা সরকারি চাকরি থেকে অবসরের চার মাসের মধ্যেই প্রার্থী হয়েছেন। আইনে বলা আছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর তিন বছর না পেরোলে কেউ সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। এই কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী ওই সংরক্ষিত আসনটি সব দলের প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত হবে। উন্মুক্ত আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন।
যেভাবে ভোট দেবেন এমপিরা
প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনের নারী সদস্য নির্বাচনে ইসি একটি নতুন তফসিল ঘোষণা করবে। তফসিল অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনটিতে সব রাজনৈতিক দল বা জোট নতুন করে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। এরপর সংসদ সদস্যদের ভোটে ওই আসনের প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে।
সংসদ সদস্যদের ভোট গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ভবনে অথবা ইসি নির্ধারিত স্থানে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, ‘‘আসন উন্মুক্ত হলে আমরা তফসিল দেব। দলগুলো নিজেদের মতো প্রার্থী দেবে। এরপর নির্বাচনের দিন এমপিরা নির্বাচন কমিশনে কিংবা নির্ধারিত স্থানে এসে উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচনে ভোট দেবেন।’’
বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা
তবে এ বিষয়ে করণীয়র বিষয়টি স্পষ্ট হবে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরের পর। কারণ, এ দিন সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।
মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন তোলার তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন–সে তথ্য না থাকায় সময় বাড়ানো হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন। অর্থাৎ, প্রার্থী হওয়ার আগে তার চাকরি ছাড়ার সময়সীমা তিন বছর পূর্ণ হয়নি।
মনিরা শারমিন চরচাকে বলেন, “বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটা বিশেষায়িত ব্যাংক এবং একটা সেকেন্ড ক্লাস পদ, যা রাষ্ট্রের কোনো লাভজনক পদ না। নির্বাচন কমিশন বিষয়গুলো জানে। আমি মনে করি কোনো সমস্যা হবে না।”
অবশ্য নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “আরপিওর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন।”
এদিকে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের আশঙ্কা মাথায় রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় তা বাতিল করেছে ইসি। তবে এর বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে তার। ফলে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল হলেও নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুজনের যে কেউ মনোনয়ন ফিরে পেলে নির্বাচনের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

আইনে কী বলা আছে?
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।
আরপিওতে প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণের পর তিন বছর অতিবাহিত না হয়।
মনিরা শারমিন রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছেন মাত্র চার মাস আগে, গত বছরের ডিসেম্বরে। যা আইনে নির্ধারিত তিন বছরের সময়সীমার মধ্যে পড়ে।
নির্ধারিত সময়ে জামায়াত জোট ১৩টি আসনের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থীর তালিকা দিয়েছিল। যদি একজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়, তবে ওই আসনটি সবার জন্য ‘উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপি থাকা দল বা জোট তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে।
এ ক্ষেত্রে কার্যকর হবে জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ৩০ (১) ধারার ক, খ, গ এবং ঘ উপধারা। যেখানে বলা আছে, কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে বণ্টনকৃত সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে–সেই রাজনৈতিক দল বা জোটের সকল আসনে মনোনয়নপত্র পাওয়া না গেলে; বা ভোট গ্রহণের সময় ওই রাজনৈতিক দল বা জোটের সকল ভোটার একযোগে ভোট না দিলে; বা সব ব্যালট পেপার বাতিল হলে; অথবা ধারা ১২-এর উপধারা (৪)-এর অধীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজন হলে–ওই রাজনৈতিক দল বা জোটের আসন বা আসনগুলো সব রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।