
বর্তমান জাতীয় সংসদের দুটি অধিবেশন শেষ হতে চলেছে। দুটি অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ বা জাতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা বেশ হতাশাজনক। বাজেট নিয়ে আলোচনায় তো দুপক্ষই ফেল। আসলে সরকার ও বিরোধী দল মনে করে তারা একে অপরের চ্যালেঞ্জ নয়। তারা পরস্পরকে অদৃশ্য ভয় দেখাচ্ছে। কেন?

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “বর্তমানে দেশের আদালতগুলোতে ১৮ লাখ ১৩ হাজার ২৬৩টি দেওয়ানি এবং ২৮ লাখ ২৬ হাজার ২১৩টি ফৌজদারি মামলাসহ মোট ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৭৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।”

বাজেটের ওপর আলোচনা নিয়ে সংসদে সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন। তারা এর ওপর তাদের দাবি তুলে ধরেন। কিন্তু অর্থবিল পাসের সময় যেসব সংশোধনী দেন, সেগুলো মূলত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব। সরকার এর কিছু গ্রহণ করে, কিছু করে না। অনেক সময় সরকারি দলের সদস্যরাও সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। মূলত সরকার প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু পরিবর্তন

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেন, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে ওই ঘটনার সাথে আসামি আশিকা সুলতানা জড়িত আছেন। তিনি আওয়ামী লীগের একজন অর্থদাতা বলেও পুলিশ দাবি করেন।

স্পিকার বলেন, “একটি তালিকা রয়েছে, কিন্তু সদস্যদের নাম ডাকলে তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। অনুগ্রহ করে তাদের আগে থেকেই জানিয়ে দিন, যাতে তারা প্রস্তুত থাকতে পারেন।”

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে নিজেদের ছায়া বাজেট প্রকাশ করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ছায়া বাজেটে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শুধু প্রস্তাব নয়, বাজেট অধিবেশনে দলটির সংসদ সদস্যদের এ–সংক্রান্ত বক্তব্যও সবার নজর

সংবিধানে স্থানীয় পর্যায়ে স্বশাসনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্রীয় শাসনের দাপটই সর্বত্র। কেন্দ্র থেকেই সব সিদ্ধান্ত যায়, বাস্তবায়নের নির্দেশিকাও দেওয়া হয়। তাহলে স্থানীয় সরকার নামের বস্তুটি থাকার প্রয়োজন আছে কি না, সেই প্রশ্নও আছে।

রাজনীতিতে প্রতীকী সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। সজীবের ঘটনা সেই ধরনের একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে-এটি কি কেবল একজন সংসদ সদস্যের ছেলের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ভবিষ্যতে অন্য প্রভাবশালী নেতাদের পরিবারের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ডে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে?

প্রতিবেশী ভারতের সাথে বাংলাদেশের ডিভোর্স হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বগুড়া-৫ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) সিরাজ। গতকাল সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১২তম দিনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় উন্নয়নকাজে সংসদ সদস্যদের যুক্ত করা উচিত কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে বহুদিন ধরে। সংসদ সদস্য এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জেলা পরিষদ ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের দ্বন্দ্ব পুরনো।

দেশ দেখল, সম্পূরক বাজেট পাস করার যুক্তিকে একজন সংসদ সদস্য নিজের জন্য জিনিসপত্র চাইলেন। আর তার নেতা যুক্তি দিলেন দলের ওই সংসদ সদস্য সবার জন্য চেয়েছেন। যে ‘লজ্জা’ আরেকজন সংসদ সদস্য পেয়েছেন, জনগণ সেই লজ্জা পেয়েছে কি না, তা জানতে হলে হয়তো সমাজ গবেষণার পদ্ধতি মেনে জরিপ করতে হবে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, “সংসদ সদস্য (মিজানুর রহমান) বাজেট সেশনের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেছেন। বাজেট সেশন এমন একটি সেশন সেখানে অনেক বিষয়ে বক্তব্য রাখা যায়। একজন সদস্য তার সুবিধা-অসুবিধার কথা বলেছেন। আমি মনে করি এটা সংসদে না বললেও হতো। কিন্তু এটা বলে এমন কোনো গর্হিত অপরাধও তিনি করেন নাই।”

নীলফামারীর এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমার বক্তব্যে অসাবধানতাবশত ভুল হয়ে গিয়েছে। এটা নিয়ে আমি সংশোধনী দিয়েছি স্পিকার বরাবর। যা আজকে জমা হচ্ছে।”

জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।