Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ

ইসরায়েল ও আমেরিকার 'দোস্তি' কি শেষ হয়ে যাচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৮: ১১
ইসরায়েল ও আমেরিকার 'দোস্তি' কি শেষ হয়ে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুকে খুশি করতে নিজ দেশের কথা চিন্তা না করেই ইরানে হামলা করেছেন ট্রাম্প। ফাইল ছবি

ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ট্রাম্পকে আধুনিক সময়ের অন্যতম ইসরায়েলপন্থী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অথচ মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ঘোষণা করেছেন, ইসরায়েলকে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়া বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

Advertisement

তার এই ঘোষণা শুধু দুই দেশের দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন তুলছে না, বরং ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে ইসরায়েল প্রশ্নে দীর্ঘদিনের দ্বিদলীয় ঐকমত্য ভেঙে পড়ারও ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সিএনএনের বিশ্লেষক স্টিফেন কলিনসনের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত এবং ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন প্রশ্নটি মার্কিন ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে ওঠে। ফলে ট্রাম্পের ঘোষণাকে কেবল পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও গভীরভাবে জড়িত।

তবে ট্রাম্পের ঘোষণার বাস্তব অর্থ এখনো পরিষ্কার নয়। ২০১৬ সালে বারাক ওবামা প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ বছর মেয়াদি যে সামরিক সহায়তা চুক্তি হয়েছিল, তার আওতায় ইসরায়েল বছরে প্রায় ৩৮০ কোটি ডলার পেয়ে থাকে। চুক্তিটি ২০২৮ সালের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। ট্রাম্প কি এখনই এই সহায়তা বন্ধ করতে চাইছেন, নাকি ২০২৮ সালের পর চুক্তি নবায়ন করবেন না, তা স্পষ্ট করেননি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরায়েলও সহায়তা বন্ধের বিষয়টি মেনে নিয়েছে। কারণ দেশটি এখন অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী।

ইসরায়েলকে প্রতিবছর দেওয়া ৪০০ কোটি ডলারের সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পেরDonald Trump

বাস্তবতা হলো, ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। দেশটির অর্থনীতিও এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকার প্রয়োজনীয়তা কমেছে তাদের। গত জানুয়ারিতে দ্য ইকোনমিস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুও আগামী ১০ বছরের মধ্যে মার্কিন সামরিক সহায়তা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। অর্থাৎ সহায়তা বন্ধের ধারণাটি একেবারে নতুন নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা দুই দেশের সম্পর্কের রাজনৈতিক ও কৌশলগত তাৎপর্য বহন করে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্র দপ্তরের চারটি প্রশাসনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ব্রেট ম্যাকগার্ক অবশ্য ট্রাম্পের বক্তব্যের তাৎপর্য অতিরঞ্জিত না করার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল নয়। মার্কিন অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্ক অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের সামরিক বাহিনীর সহযোগিতাও আগের চেয়ে গভীর হয়েছে। ২০২৪ সালে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে বাইডেন প্রশাসনের ব্যাপক আকাশ ও নৌ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম তার একটি উদাহরণ।

কিন্তু ট্রাম্পের ঘোষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ইসরায়েল প্রশ্নটি এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐকমত্যের বিষয় থাকছে না। কয়েক দশক ধরে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের নেতারা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সামরিক সক্ষমতা রক্ষায় সমর্থন দিয়ে এসেছেন। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর সেই ঐকমত্যে বড় ধরনের ফাটল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলের পাল্টা সামরিক অভিযানে গাজায় ব্যাপক মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ায় মার্কিন জনমতের একটি বড় অংশ ইসরায়েল সরকারের নীতির বিরোধিতা করছে।

এই পরিবর্তন শুধু ডেমোক্র্যাটদের প্রগতিশীল অংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ট্রাম্পের নিজস্ব রাজনৈতিক ভিত্তি ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা মাগা আন্দোলনের মধ্যেও ইসরায়েলকে নিয়ে সংশয় বাড়ছে। ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে সমর্থন করার যৌক্তিকতা নেই। অন্যদিকে রিপাবলিকান শিবিরের কিছু প্রভাবশালী পডকাস্টার ও অনলাইন ভাষ্যকারও প্রশ্ন তুলছেন, কেন যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের স্বার্থে এত অর্থ ও সামরিক সম্পদ ব্যয় করতে হবে।

ইরানে হামলা: ইসরায়েলের ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প?trump 5

কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের জুন মাসের এক জরিপে দেখা গেছে, ৪৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সমর্থন দিচ্ছে। মাত্র ৩৮ শতাংশ মনে করেন, এই সমর্থনের মাত্রা যথাযথ। আর মাত্র ৭ শতাংশের মতে, ইসরায়েলকে আরও বেশি সমর্থন দেওয়া উচিত। ২০১৭ সালে এ বিষয়ে জরিপ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলকে অতিরিক্ত সমর্থন দেওয়ার পক্ষে জনমতের এই অবস্থান ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী।

ট্রাম্পের ঘোষণার পেছনে তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির প্রভাবও রয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিরোধিতা তার রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইসরায়েলকে সহায়তা বন্ধ করে সেই অর্থ দেশের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন কিংবা জাতীয় ঋণ কমানোর কাজে ব্যবহারের যুক্তি তিনি তুলে ধরতে পারেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এই অর্থ সাশ্রয়ের যুক্তি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা ও সামরিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। মার্কিন কংগ্রেসে ভবিষ্যতে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়া কিংবা অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পাওয়া কঠিন হতে পারে। এমনকি কোনো প্রেসিডেন্ট অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিলেও কংগ্রেস তা আটকে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারে।

ট্রাম্পের এমন ভরাডুবি কেন?trump

কলিনসনের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ইসরায়েলের জন্য আরেকটি বড় ঝুঁকি হলো, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে এমন কোনো প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় আসতে পারেন, যিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তার বিষয়ে ট্রাম্প, জো বাইডেন কিংবা তাদের পূর্বসূরিদের মতো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবেন না। সাবেক ওবামা প্রশাসনের কর্মকর্তা রাহম ইমানুয়েলও বলেছেন, ইসরায়েলের বর্তমান কর্মকাণ্ডের জন্য দেশটিকে মূল্য দিতে হতে পারে। এটি শুধু ডেমোক্র্যাটদের সমস্যা নয়, বরং পুরো আমেরিকার সমস্যা।

সব মিলিয়ে ট্রাম্পের ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে এর রাজনৈতিক তাৎপর্য স্পষ্ট। ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন এখন আর নিঃশর্ত বা দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে থাকা কোনো বিষয় নয়। গাজা যুদ্ধ, ইরান সংঘাত এবং মার্কিন জনগণের পরিবর্তিত মনোভাব ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ইসরায়েল নীতিকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এই পরিবর্তন অব্যাহত থাকলে তা শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক নয়, সামগ্রিক মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতি এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাবের ভবিষ্যৎকেও নতুনভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

বিষয়: আমেরিকাযুক্তরাষ্ট্রইসরায়েলমার্কিন প্রেসিডেন্টডোনাল্ড ট্রাম্পবেনিয়ামিন নেতানিয়াহুবারাক ওবামাযুদ্ধইরান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

  • ২

    ‘গণঅভ্যুত্থানের ফসল অনেকাংশেই জনগণ তার ঘরে তুলতে পারেনি’

  • ৩

    সঠিক ও দায়িত্বশীল নির্বাচনী সংবাদ পরিবেশনে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ

  • ৪

    অবরোধ প্রত্যাহার ও শর্ত পূরণ হলেই হরমুজ প্রণালি খুলবে: ইরানের রাষ্ট্রদূত

  • ৫

    ইসরায়েল ও আমেরিকার 'দোস্তি' কি শেষ হয়ে যাচ্ছে?

সম্পর্কিত
  • ভারতকে কি ভয় পাওয়ার কিছু আছে চীনের?

    ভারতকে কি ভয় পাওয়ার কিছু আছে চীনের?

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ সম্পর্কে স্যাকসের সমালোচনাও তার বৃহত্তর বিশ্বব্যবস্থার ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা এখনো ১৯৫০-এর দশকের আধিপত্যবাদী মানসিকতায় আটকে আছে।

  • ‘বিদেশি’ বনাম ‘ত্যাগী’: বিএনপির ভেতরে কি নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব?

    ‘বিদেশি’ বনাম ‘ত্যাগী’: বিএনপির ভেতরে কি নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব?

    কে দেশে ছিলেন, আর কে বিদেশে ছিলেন—এমন প্রশ্নের চাইতে বিএনপির সামনে এখন বড় প্রশ্ন, দলের দুঃসময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মানুষদের সঙ্গে ক্ষমতার সময়ের নেতৃত্ব কতটা ন্যায্য আচরণ করতে পারছে?

  • ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় জুয়া

    ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় জুয়া

    প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ফরেন পলিসিতে প্রকাশিত জন হালটিওয়াঙ্গারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে পারেন ট্রাম্প।

  • ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?

    ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?

    অবশেষে ভোক্তাদের শঙ্কাই সত্যি হলো। কাঠামোগতভাবে বাড়ানো হলো এলপি গ্যাসের দাম। গত ২৯ অক্টোবর রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এনার্জি রেগুরেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে অংশ নেওয়া ভোক্তাদের কেউ কেউ তাদের বক্তব্যে সরাসরিই শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, “বিইআরসি শুনানি করছে মানে ধরেই নেওয়া যায় দাম বাড়বে।”