Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ

ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় জুয়া

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ২১: ১৯
ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় জুয়া
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে আবারও যুদ্ধে জড়ানোর সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক, কৌশলগত ও অর্থনৈতিক–তিন দিক থেকেই বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার কথা বিবেচনা করলেও, আগের যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি মার্কিন সামরিক বাহিনী। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া, অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা হ্রাস এবং সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতি ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরু করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শুধু আরেকটি সামরিক অভিযান নয়, বরং ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতার ওপরও বড় চাপ তৈরি করতে পারে।

Advertisement

প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ফরেন পলিসিতে প্রকাশিত জন হালটিওয়াঙ্গারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে পারেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতার নতুন উদ্যোগ দেখা গেলেও মতপার্থক্য এখনো অনেক। ইরান আলোচনার শর্ত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষে এ দাবি মেনে নেওয়া কঠিন। অন্যদিকে ট্রাম্প কখনো যুদ্ধ শিগগির শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, আবার কখনো ইরানের এক বা দুটি পারমাণবিক স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন। অর্থাৎ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে তার অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়।

এ পর্যন্ত যুদ্ধের পেছনে মার্কিন করদাতাদের আনুমানিক ৪ হাজার ৭১০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। এর পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অস্ত্র ও সরঞ্জামের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় ৬৫ শতাংশ এবং থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহৃত হয়েছে। টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় তিন হাজার থেকে কমে দুই হাজারে নেমেছে। আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেমস (এটিএসিএমএস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলের মজুতও প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রায় এক-চতুর্থাংশ এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারানোর খবর পাওয়া গেছে। এসব অস্ত্র ও সরঞ্জামের মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতা সামনে এসেছে। কোনো যুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সক্ষমতা এবং দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা এক বিষয় নয়। যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনো বিপুল সামরিক শক্তি রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির ৫০ হাজারের বেশি সেনা এবং দুটি বিমানবাহী রণতরির স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন রয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি সেখানে পৌঁছানোর কথা। ফলে স্বল্পমেয়াদে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা ওয়াশিংটনের রয়েছে।

আটলান্টিক কাউন্সিলের জোনাথন পানিকফের মতে, দূরপাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মজুত কমে গেলেও, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে অভিযান পরিচালনার বিকল্প সক্ষমতা রয়েছে। সেন্টার ফর আ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির স্ট্যাসি পেটিজনও মনে করেন, স্বল্পমেয়াদে পরিকল্পিত সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত। তবে এই প্রস্তুতি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর থাকবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

পেটিজনের ভাষায়, দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ অত্যন্ত গভীর। এর মধ্যে রয়েছে অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া, যুদ্ধজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ পিছিয়ে পড়া এবং সামরিক বাহিনীর নিয়মিত প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণচক্র ব্যাহত হওয়া। এসব সমস্যা শুধু ইরানকে ঘিরে নয়, ভবিষ্যতে অন্য কোনো অঞ্চলে সংঘাত তৈরি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়ছে দেশটির পাল্টা প্রতিরোধের সক্ষমতার কারণে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হাজার হাজার বিমান হামলা চালিয়েও তেহরানকে তার অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করতে পারেনি। বরং যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে ইরান দ্রুত কৌশল পরিবর্তন এবং সীমিত সামরিক সক্ষমতা নিয়েও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করার সামর্থ্য দেখিয়েছে। ফলে সামরিক শক্তিতে পিছিয়ে থাকলেও ইরান আঞ্চলিক অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ সৃষ্টির সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

ফরেন পলিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরান দীর্ঘস্থায়ী পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতি দ্রুত ক্ষয় হতে পারে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি সম্প্রতি সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, নতুন হামলার জবাব হবে তাৎক্ষণিক, কার্যকর ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতাহীন। ইরান আবার যুদ্ধ শুরু করলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং আরব দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। বেসামরিক অবকাঠামোতেও হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সমস্যাটি হলো, মধ্যপ্রাচ্যের সব সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো একইসঙ্গে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। মার্কিন বিমানবাহিনী অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে ড্রোন প্রতিহত করতে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। কিন্তু এ ধরনের অভিযান দীর্ঘদিন চালিয়ে যেতে হলে দূরবর্তী ঘাঁটি থেকে দীর্ঘ সময় ধরে বিমান পরিচালনা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আকাশে ট্যাংকার বিমানের সহায়তা প্রয়োজন হবে। হামলার মুখে থাকা বাহিনীর কাছে নতুন অস্ত্র ও সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

এ সংঘাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ইরানকে মোকাবিলা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য অঞ্চলে সামরিক সক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিকে মোকাবিলার জন্য যে অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষিত রাখার প্রয়োজন, ইরান যুদ্ধ সেগুলোর ওপর চাপ তৈরি করছে। পানিকফের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে যত বেশি সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য তত কম সক্ষমতা অবশিষ্ট থাকবে।

সব মিলিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি জটিল কৌশলগত হিসাব। স্বল্পমেয়াদে সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের ব্যয়, অস্ত্রের ঘাটতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি—সবকিছুই বিবেচনায় নিতে হবে ওয়াশিংটনকে। পেটিজনের মূল্যায়নে, ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু করা হবে একটি বড় ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কারণ, এই যুদ্ধের পরিণতি শুধু ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; তা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ কৌশলগত সক্ষমতার ওপরও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।

বিষয়: ইরানযুক্তরাষ্ট্রডোনাল্ড ট্রাম্পট্রাম্প প্রশাসনমধ্যপ্রাচ্যইসরায়েলযুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনযুদ্ধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সুন্দরবনে অপহৃত ৫ জেলেসহ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

  • ২

    ‘বিদেশি’ বনাম ‘ত্যাগী’: বিএনপির ভেতরে কি নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব?

  • ৩

    ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় জুয়া

  • ৪

    জাতীয় চার নেতাকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী নিরাপত্তার স্বার্থে স্থগিত

  • ৫

    এক ফাউলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন স্প্যানিশ ফুটবলার

সম্পর্কিত
  • ‘বিদেশি’ বনাম ‘ত্যাগী’: বিএনপির ভেতরে কি নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব?

    ‘বিদেশি’ বনাম ‘ত্যাগী’: বিএনপির ভেতরে কি নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব?

    কে দেশে ছিলেন, আর কে বিদেশে ছিলেন—এমন প্রশ্নের চাইতে বিএনপির সামনে এখন বড় প্রশ্ন, দলের দুঃসময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মানুষদের সঙ্গে ক্ষমতার সময়ের নেতৃত্ব কতটা ন্যায্য আচরণ করতে পারছে?

  • ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?

    ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?

    অবশেষে ভোক্তাদের শঙ্কাই সত্যি হলো। কাঠামোগতভাবে বাড়ানো হলো এলপি গ্যাসের দাম। গত ২৯ অক্টোবর রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এনার্জি রেগুরেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে অংশ নেওয়া ভোক্তাদের কেউ কেউ তাদের বক্তব্যে সরাসরিই শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, “বিইআরসি শুনানি করছে মানে ধরেই নেওয়া যায় দাম বাড়বে।”

  • ইরান যুদ্ধ কি বিশ্ব জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    ইরান যুদ্ধ কি বিশ্ব জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিশ্ব জ্বালানি বাজারের দীর্ঘদিনের কাঠামোকে বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। এই সংঘাতের প্রভাব শুধু তেলের উৎপাদন, রপ্তানি কিংবা আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

  • সৌদিতে হামলা চালাতে রাশিয়ার স্যাটেলাইটের তথ্য নিচ্ছে হুতিরা?

    সৌদিতে হামলা চালাতে রাশিয়ার স্যাটেলাইটের তথ্য নিচ্ছে হুতিরা?

    ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে গত জুলাই থেকেই হুতিদের সংঘর্ষ চলছে। সেপ্টেম্বরে এই সংঘাত আরও বেড়ে যায়। ওই সময় হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।