Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
০৩ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ

ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৭: ০২
ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?
এলপি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত। ছবি: চরচা

অবশেষে ভোক্তাদের শঙ্কাই সত্যি হলো। কাঠামোগতভাবে বাড়ানো হলো এলপি গ্যাসের দাম। গত ২৯ অক্টোবর রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এনার্জি রেগুরেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে অংশ নেওয়া ভোক্তাদের কেউ কেউ তাদের বক্তব্যে সরাসরিই শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, “বিইআরসি শুনানি করছে মানে ধরেই নেওয়া যায় দাম বাড়বে।” সে শঙ্কাই সত্য হলো। এমনকি সংস্থাটির টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশও টিকল না ব্যবসায়ীদের চাওয়ার সামনে।

Advertisement

কমিশনের টেকনিক্যাল কমিটির দেওয়া সুপারিশেও ইঙ্গিত ছিল, এই দফায় ব্যাবসায়ীদের কমিশন বাড়িয়ে ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হবে। সে সময় গণশুনানিকে দাম বাড়ানোর “চতুর আনুষ্ঠানিকতা” বলেও মন্তব্য করেছিলেন কোনো কোনো ভোক্তা। আর বাংলাদেশর অর্থনীতিক সমিতি তো বিইআরসির আয়োজনকে প্রহসনমূলক দাবি করে গণশুনানিই বর্জন করেছিল। ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন, ক্যাব বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা না করে ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি আয়োজনের নিন্দা জানিয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু এর কোনোটিই শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি। ভোক্তাদের মতামত ও যুক্তি, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির গণশুনানি বর্জন বা ক্যাবের নিন্দা–কোনো কিছুই টলাতে পারেনি বিইআরসিকে। ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে তাদের কমিশন বাড়িয়েই গতকাল সোমবার নতুন দাম নির্ধারণ করল বিইআরসি। এ ক্ষেত্রে এমনকি বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটির প্রস্তাবও তারা রক্ষা করতে পারেনি। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সুপারিশ ছিল ১২ কেজি প্রতি সিলিন্ডার এলপি গ্যাসের দাম ১৯৭৬ টাকা করার।

বিইআরসির নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম অক্টোবর মাসের চেয়ে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২০৬০ টাকা করা হয়েছে। এর আগের মাসে (অক্টোবরে) বাড়ানো হয়েছিলো ২১২ টাকা। তবে এই দুই মাসের দাম বৃদ্ধির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য আছে। এ মাসে দাম নির্ধারণে একটি কাঠামোগত পরিবর্তন হয়েছে। এর মাধ্যমে এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রবণতাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কমিশন বাড়িয়ে ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর মাসে দাম বেড়েছিল সৌদি সিপি, ফ্রেইট কস্ট এবং ডলারের দামের হিসাবে। নভেম্বরে যে দাম বাড়ানো হলো, সেখানে সৌদি সিপির বাড়তি দরের সাথে যোগ হলো বোতলজাতকরণ ও মজুত চার্জ, ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলারের বাড়তি কমিশন যোগ করে। দাম বৃদ্ধির সূত্রে এখন থেকে এই বাড়তি চার্জ প্রতি মাসে যোগ হবে।

আবারও বাড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের দামlpg-gas

গণশুনানির ভিত্তিতে এনার্জি রেগুটরি কমিশন ১২ কেজি সিলিন্ডারের বোতলজাতকরণ ও মজুত চার্জ প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১৯১ টাকা থেকে ২৮২ টাকা করেছে। এ ছাড়া ডিস্ট্রিবিউটর কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা করা হয়েছে। এই বাড়তি কমিশন এবং চার্জ হিসাব করেই পরবর্তী মাসগুলোতে এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে।

এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও কমিশন বৃদ্ধিতে খুশি ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান চরচাকে বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ।” এখন থেকে বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে এলপি গ্যাস পাওয়া যাবে কি না–এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিম খান বলেন, “ইনশাল্লাহ। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন যৌক্তিকভাবেই দাম বাড়িয়েছে।”

গত তিন মাস ধরে এলপি গ্যাসের বাজারে অস্থিরতা চলছিল। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বাজারে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। সাথে ছিল সরবরাহ সংকটের অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘটে যাওয়ার ঘোষণা দেয় ব্যবসায়ীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ অক্টোবর গণশুনানি করে নতুন কমিশন নির্ধারণ করল বিইআরসি।

কিন্তু নতুন দাম অবাক করেছে ভোক্তা প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞদের। কারণ, এই দাম বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনেরই টেকনিক্যাল কমিটির প্রস্তাবিত দামের চেয়ে ৮৪ টাকা বেশি!

এলপি গ্যাসের বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই পাঁচটি অপারেটর বোতলজাতকরণ চার্জ বৃদ্ধি এবং ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অনুযায়ী কমিশন নির্ধারিত সূত্রে ফেললে ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম হতো ২২৩২ টাকা। তবে বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, জাহাজ ভাড়া, কাস্টমস ও এনবিআর ডেটা এবং কোম্পানিগুলোর অডিট রিপোর্ট্ বিশ্লেষণ করে এ দাম ১ হাজার ৯৭৬ টাকা করা যেতে পারে বলে সুপারিশ করে।

গণশুনানিতে টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করলে বাজারের অস্থিরতা নাও কমতে পারে বলে সতর্ক করেন অপারেটরদের প্রতিনিধি মেঘনা ফ্রেশ এলপিজির সিএমও আবু সাঈদ রাজা। একই প্রতিক্রিয়া জানান, ডিস্ট্রিবিউটররাও। এই সতর্কতাকে প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবে মত দিয়েছিলেন শুনানিতে আসা ভোক্তা প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত দাম বাড়লই। এবং তা কমিশনেরই টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশের চেয়ে বেশি–২০৬০ টাকা।

নতুন দর ঘোষণার পর বিশ্লেষকরা বলছেন, বিইআরসি যে ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি, তা আরেকবার প্রমাণ হলো। দাম বৃদ্ধির এই নতুন কাঠামো কমিশনের জিম্মি দশারই বহিঃপ্রকাশ। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কমিশনের গণশুনানিতে অপারেটর বা আমাদানিকারক কোনো প্রতিষ্ঠান অলাভজনক নয় বলে প্রমাণ হলেও তাদের লভ্যাংশ বৃদ্ধির দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে।

এলপি গ্যাসের দাম নিয়ে গণশুনানি, দাম বাড়ছেই?lpg-gas

এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কাঠামোতে এই পরিবর্তনকে পুরোপুরি ‘মনগড়া’ ও ‘বেআইনি’ বলে মন্তব্য করেছেন কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম। চরচাকে তিনি বলেন, “বিইআরসি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ না করে পুরোপুরি ব্যবসায়ীদের ডিকটেশনে চলছে। টেকনিক্যাল কমিটির প্রস্তাবিত হারের চেয়েও বেশি দাম নির্ধারণ এবং ব্যবসায়ীদের চাহিদামতো বোতলজাতকরণ ও মজুতকরণ চার্জ বাড়িয়ে ব্যবসায়ী স্বার্থকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।”

অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, “যৌক্তিক প্রমাণ ও গাণিতিক বিশ্লেষণের অভাব: বটলিং বা মজুতকরণ চার্জ কেন একটি নির্দিষ্ট অঙ্কে নির্ধারণ করা হলো, তার কোনো বাস্তবসম্মত গাণিতিক বিশ্লেষণ বা ডিটেইলড অ্যানালাইসিস প্রকাশ করা হয়নি। প্রমাণ ছাড়া এমন মূল্য নির্ধারণ কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”

এবারের আদেশে সরকারি এলপিজির সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১,৮৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে এক্স-রিফাইনারি মূল্য ৪৮০ টাকা ৭৩ পয়সা, ‘এলপিজি খাত উন্নয়ন তহবিল’ ১,০০৪ টাকা ৭ পয়সা এবং এলপি গ্যাস লিমিটেডের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ ১৬০ টাকা ২০ পয়সা ধরা হয়েছে। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘এলপিজি খাত উন্নয়ন তহবিল’ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) পরিচালনা করবে। এর জন্য আলাদা ব্যাংক হিসাব থাকবে এবং ব্যবস্থাপনা ও ব্যয়ের জন্য একটি রেগুলেটরি গাইডলাইনের খসড়া কমিশনে পাঠানো হবে।

এ তহবিল গঠনকে পুরোপুরি বেআইনি বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে অধ্যাপক শামসুল আলম চরচাকে বলেন, “সরকারি এলপিজির দাম ১,৮৬০ টাকা নির্ধারণ করে ভোক্তা পর্যায় থেকে অর্থ তুলে যে নতুন তহবিল গঠন করা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই আইনসম্মত নয়।”

ক্যাবের এই জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, “অতীতেও একইভাবে গ্যাস ডেভেলপমেন্ট ফান্ড, বিদ্যুৎ উন্নয়ন ফান্ড এবং জ্বালানি নিরাপত্তা ফান্ড-এর নামে জনগণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই ফান্ডের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বা কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, তার কোনো সঠিক হিসাব বা কার্যকারিতা দেখা যায়নি।”

হাইকোর্টের আদেশে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে গণশুনানির মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। যদিও বেশির ভাগ সময় সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে এলপি গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ আছে ভোক্তাদের।

বিষয়: এলপি গ্যাসজ্বালানিদামগণশুনানিব্যবসায়ীবিইআরসিবাংলাদেশভোক্তা অধিকারসরকার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    বিদ্যুৎ খাত ঠিক করতে সবার আগে কী করা দরকার?

  • ২

    ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?

  • ৩

    ‘এটি শুধু বাংলাদেশের সংগ্রাম নয় দক্ষিণ এশিয়ায় এটি আলোকবর্তিকা’

  • ৪

    মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, বন্ধ ছিল মেট্রোরেলের মিরপুর-১১ স্টেশন

  • ৫

    তাহসিফ হত্যা মামলায় ফের ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ কি বিশ্ব জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    ইরান যুদ্ধ কি বিশ্ব জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিশ্ব জ্বালানি বাজারের দীর্ঘদিনের কাঠামোকে বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। এই সংঘাতের প্রভাব শুধু তেলের উৎপাদন, রপ্তানি কিংবা আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

  • সৌদিতে হামলা চালাতে রাশিয়ার স্যাটেলাইটের তথ্য নিচ্ছে হুতিরা?

    সৌদিতে হামলা চালাতে রাশিয়ার স্যাটেলাইটের তথ্য নিচ্ছে হুতিরা?

    ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে গত জুলাই থেকেই হুতিদের সংঘর্ষ চলছে। সেপ্টেম্বরে এই সংঘাত আরও বেড়ে যায়। ওই সময় হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।