
এর আগে এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ হার ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশ। সেটা ২০২৪ সালে। এ হিসাবে আগের সর্বোচ্চ হারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম।

খুচরা পর্যায়ের ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৯৪০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৮৮৫ টাকা করা হয়েছে।

শুনানিতে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, “ক্যাপাসিটি চার্জ ও দায়মুক্তি আইনের অধীনে হওয়া বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) বিষয়গুলো পুনরায় পর্যালোচনা প্রয়োজন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি।”

বাংলাদেশে এলপিজি খাতের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘নিরাপত্তাই প্রথম’ (সেফটি ফার্স্ট) সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

একইসাথে আন্তর্জাতিক রুটের জন্যও জ্বালানির দাম কমানো হয়েছে।

চলতি মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে এ মাসেও ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকাই থাকছে।

দেশে ভোক্তা পর্যায়ে ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আজ রোববার বিইআরসি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৭.০৮ টাকা (শুল্ক ও মুসকসহ)। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ৪৮০৬ মার্কিন ডলার।

গত বুধবার লিটারপ্রতি প্রায় ৮২ টাকা জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েও অল্প সময়ের মধ্যে তা স্থগিত করেছিল বিইআরসি।

জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি প্রায় ৮২ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গতকাল বুধবার রাতে জারি করা এক জরুরি বার্তায় কমিশন জানায়, সমন্বয়কৃত জেট এ-১ (এভিয়েশন ফুয়েল)–এর নতুন মূল্যহার আপাতত কার্যকর হবে না।

গত মাসের ২৩ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। তখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কিছু রিটেইলার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে।

১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা।

১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা।