গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।
চলতি বছর এইচিএসসির পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই ফেল করেছে। গত বছর মোট পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ; ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। শুধু পাসের হারই নয়, জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ধস নেমেছে। এ বছর মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৯ হাজার ১৩ জন বা প্রায় ৪২ শতাংশ কম।
দুই বিষয়ে ফেল বেশি, কারণ কী?
এবারের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার প্রধান কারণ ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)- এই দুই বিশেষায়িত বিষয়ে বড় ধরনের বিপর্যয়। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ছয়টিতেই ইংরেজিতে পাসের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বরিশাল বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার নেমে এসেছে মাত্র ৫৪ দশমিক ০৮ শতাংশে, আর রাজশাহী ও দিনাজপুর বোর্ডে তা ৫৬ শতাংশের ঘরে আটকে গেছে।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য বলছে, অধিকাংশ শিক্ষার্থীই অন্যান্য সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হলেও কেবল ইংরেজি অথবা আইসিটি বিষয়ে ফেল করে সার্বিক ফলে পিছিয়ে পড়েছে। ফেল করা পাঁচ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে চার লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জনই মাত্র এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও শিক্ষার্থীদের বছর বাঁচানোর লক্ষ্যে শিক্ষামন্ত্রী এক মাসের মধ্যে এসব এক-দুই বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন।
এই দুটি নির্দিষ্ট বিষয়ে কেন এত বড় বিপর্যয় ঘটল, সে বিষয়ে গণসাক্ষরতা অভিযানের প্রধান নির্বাহী রাশেদা কে চৌধুরী এর পেছনে প্রধানত বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকের সংকটকে দায়ী করেছেন। চরচাকে তিনি বলেন, “কলেজ পর্যায়ে ইংরেজি ও আইসিটির মতো কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় পড়ানোর জন্য যে পরিমাণ প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শিক্ষক দরকার, তা গ্রাম ও প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নেই। বহু কলেজে দেখা যায়, অন্য বিষয়ের শিক্ষক- এমনকি ইসলামিয়াতের শিক্ষক দিয়ে আইসিটি ক্লাস চালানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মানসম্মত শিক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণে বহু বছর ধরে গুরুত্ব না দেওয়ার মাশুল এখন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতায় দিচ্ছে।”
শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ধসের পেছনে কাজ করেছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিনুর রশীদ।
চরচাকে এই শিক্ষাবিদ বলেন, “প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা সাবজেক্টিভ বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক। একজন শিক্ষক যখন অল্প সময়ে অনেক খাতা মূল্যায়ন করেন, তখন তিনি শুধু উত্তরপত্রের লেখা দেখেন, কিন্তু শিক্ষার্থীর প্রকৃত শিখনফল অর্জিত হলো কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকে না। গত কয়েক বছরে সরকার বা শিক্ষা প্রশাসনের মধ্যে পাসের হার কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেখানোর বা ‘ওভারমার্কিং’ করার যে প্রবৃত্তি ছিল, সাম্প্রতিক সময়ে তা বন্ধ করে যথার্থ মূল্যায়ন করা হয়েছে। ফলে মূল শিখন ঘাটতিগুলো ফুটে উঠেছে। এতেই এবারের রেজাল্টের এই রূপ।”
গণসাক্ষরতা অভিযানের উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টিকে দেখছেন শিক্ষার্থীদের মৌলিক ভিত্তির দুর্বলতা হিসেবে। চরচাকে তিনি বলেন, “২০২৬ সালের এই এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ২০২৪ সালে যখন এসএসসি পাস করেছিল, তখন করোনা মহামারির পরবর্তী সময়। এসএসসির সময়টাতেই তাদের শিখন আর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় শিথিলতা চলে এসেছিল। ফলে তাদের মাধ্যমিক স্তরের মৌলিক ভিত্তি বা বেসিক দুর্বল রয়ে গিয়েছিল। এটারও একটা প্রভাব তো পড়েছে এবার।”
শহর বনাম গ্রাম- ফলাফলেও বৈষম্য
এইচএসসির ফলাফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বৈষম্য দেখা গিয়েছে। রাজধানীর নামিদামি কলেজ ও ক্যাডেট কলেজগুলোতে শতভাগ পাস ও জিপিএ-৫-এর উজ্জ্বল ধারা বজায় থাকলেও মফস্বল, চরাঞ্চল ও প্রান্তিক এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফলাফলে ধস এসেছে।
জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরে যেখানে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ, সেখানে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ, রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং খাগড়াছড়িতে তা নেমে গেছে মাত্র ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশে। দেশের ২৯৩টি শূন্য-পাস কলেজের বড় একটি অংশই গ্রাম ও দুর্গম এলাকায়।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, “গ্রাম-শহর এবং ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার এই বৈষম্যের লাগাম আমরা দীর্ঘদিনেও টানতে পারিনি। কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ বা চা-বাগানের অসচ্ছল পরিবারের সন্তানরা যে পিছিয়ে পড়ছে, তার কারণ আমরা তাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে পারিনি।”
এই শিক্ষাবিদ আরও বলেন, “করোনা-পরবর্তী সময়ে শিখন-শিক্ষণে যে বড় ধরনের ধাক্কা এসেছিল, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারের শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ক্যাডেট কলেজ বা নামী প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় ও পারিবারিক বিপুল অর্থ বিনিয়োগ হয় বলেই সেখানে ফল ভালো হয়। কিন্তু ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানে যেখানে একজনও পাস করতে পারেনি, সেগুলোর পেছনে রাষ্ট্র ও পরিবারের যে অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের দোষ না দিয়ে কেন তারা পাস করতে পারল না, সে বিষয়ে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে আসল সমস্যা খুঁজে বের করতে হবে।”
রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দায় আছে?
এইচএসসির ফলাফল পতনের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে শিক্ষাবিদরা দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও শিক্ষাঙ্গনের দীর্ঘমেয়াদী বিশৃঙ্খলাকে দায়ী করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের প্রভাব এই ব্যাচের শিক্ষাজীবনে সরাসরি পড়েছে। ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষার স্থগিত অংশগুলো বাতিল ও অটো-সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সচিবালয় ঘেরাও এবং বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছিল। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের মাধ্যমিক থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যায় পর্যন্ত অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মব করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এতে বহু কলেজের নিয়মিত প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।
মোস্তাফিজুর রহমান এই একাডেমিক বিরতিকে ‘বাজে ফলাফলের’ অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, “২০২৪ সালে যারা কলেজে ভর্তি হয়ে ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিল, তাদের দুই বছরের কলেজজীবনে বাস্তবে কি কোনো ক্লাস হয়েছে? রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষাঙ্গনে একের পর এক আন্দোলনের কারণে প্রায় দুই বছর কলেজে কোনো নিয়মানুগ পাঠদানই হয়নি। যখন দুটি বছর শ্রেণিকক্ষে কোনো ক্লাসই হবে না, তখন পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। ক্লাসরুমে পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ ছিল না এবং রাষ্ট্র বা শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকেও এই ঘাটতি মোকাবিলার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ মনিনুর রশীদ মনে করেন, রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার দায়ভার শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো যৌক্তিক নয়। চরচাকে তিনি বলেন, “২৪-এর গণআন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের বেপরোয়া বা অদম্য মনোভাব দেখা গেছে যে, আন্দোলন করলেই যেকোনো দাবি আদায় করা সম্ভব। যেমন- পরীক্ষার সিলেবাস কমানো বা পরীক্ষার সময় পেছানোর দাবি। কিন্তু এর পেছনে কাজ করেছে আমাদের ব্যবস্থার ব্যর্থতা। আমাদের নীতিনির্ধারকরা শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে শ্রেণিকক্ষে ফেরাতে পারেননি, পড়ালেখাকে আকর্ষণীয় করতে পারেননি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকেও স্বাভাবিক রাখতে পারেননি।”
মনিনুর রশীদ বলেন, “শিক্ষার্থীরা হলো জেন-আলফা। তাদের মানসিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পরিচর্যা করতে হবে। তাদের জন্য সৃজনশীল ও আনন্দদায়ক শিক্ষার পরিবেশ দিতে হবে। কিন্তু রাজনীতি যখন শিক্ষা ব্যবস্থাকে অস্বচ্ছ ও কলুষিত করে রাখে, তখন তার নেতিবাচক প্রভাব ক্লাসরুমে গিয়েই পড়ে।”
এআই কি পঙ্গু করছে শিক্ষার্থীদের?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ও মোবাইল প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহার শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে কি না- এমন বিতর্ক শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে জোরালো হয়ে উঠেছে। ফ্রি চ্যাটজিপিটি বা অন্য এআই টুলের সাহায্যে মুহূর্তের মধ্যেই নোট, সারসংক্ষেপ কিংবা গাণিতিক সমাধান পেয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই পড়া ও নিজে থেকে সমস্যা সমাধানের আগ্রহ হারাচ্ছে বলেও অনেকে বলছেন।
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ছবি: ইউএনবি
তবে শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা প্রযুক্তি বা এআই-কে এই পতন বা শিক্ষার্থীদের অযোগ্যতার জন্য ঢালাওভাবে দায়ী করতে নারাজ। মনিনুর রশীদ বলেন, “এআই শিক্ষার্থীদের পঙ্গু করছে না, বরং এআই আমাদের ক্লাসরুমের অনেক শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্মার্ট, হালনাগাদ ও তথ্যসমৃদ্ধ। শিক্ষক ক্লাসে যা পড়াচ্ছেন, এআই-এর কাছে তার চেয়েও উন্নত ও আধুনিক জ্ঞান রয়েছে। কারণ, মোবাইল ফোনে যেমন আমরা নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট চাই, আমাদের দেশের বেশির ভাগ শিক্ষকের সেই ‘সফটওয়্যার আপডেট’ বা আধুনিক প্রশিক্ষণ নেই।”
এই শিক্ষা গবেষক বলেন, “প্রথাগত মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ছে। তার যুক্তি, এআই বরং শিক্ষার্থীদের জন্য জটিল বিষয়গুলোকে আরও সহজ ও সৃজনশীল উপায়ে উপস্থাপন করে তাদের শেখার সময় বাঁচিয়ে দিচ্ছে।” এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রযুক্তিকে থামানো বা নিষিদ্ধ করা যাবে না; বরং আমাদের শিক্ষানীতি ও কারিকুলামের মধ্যে এআইকে ইতিবাচকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত দেশগুলো ইতিমধ্যে এআই মডেল ব্যবহার করে নতুন পাঠ্যপুস্তক ও শিখন পদ্ধতি তৈরি করছে। আমাদের উচিত শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে এআই-সংযুক্ত আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতিতে অভ্যস্ত করা, যাতে শিক্ষার্থীরা আরও সৃজনশীল আইডিয়া পেতে পারে।”
পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা আনা এবং এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পদক্ষেপ সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদী সংকট নিরসনে তা যথেষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্রকে স্থায়ী সংস্কারে হাত দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম পদক্ষেপ হলো শিখনফল-ভিত্তিক মূল্যায়ন চালু করা। কেবল মুখস্থভিত্তিক চূড়ান্ত পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে বছরজুড়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখতে হবে। একই সাথে একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে খাতা দেখার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। একই সাথে শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে কোচিং-বাণিজ্য বন্ধে প্রশাসনিক কঠোরতা আনার কথাও বলেছেন তারা।