
‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা

ক্ষমতা নানামাত্রিক হয়। ঘর থেকে রাষ্ট্র, সবখানেই ক্ষমতা থাকে নানা চেহারায়। তবে সাধারণভাবে ‘ক্ষমতা’ নামের শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে ভাসে মূলত দেশের বিষয়, সরকারের অবয়ব। আর এই ক্ষমতাই কখনো কখনো সব খেয়ে ফেলে! আর তখনই ক্ষমতা হয়ে ওঠে একচেটিয়া। এবার ক্ষমতার সেই সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েই বিস্তারিত জানা যাক।

মানবসভ্যতার শুরুটা হয়েছিল মানুষের গোষ্ঠীবদ্ধতার মধ্য দিয়ে। গোষ্ঠী গঠন হওয়ার পরই আসে তার নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গ। এই প্রক্রিয়াতেই ধীরে রাজ্য বা সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়। রাজা বা সম্রাটের শাসনকাল শুরু হয়। অতিসরলীকরণ মনে হলেও বংশানুক্রমিক শাসনের ইতিহাস এ রকমই। এরপর ধীরে ধীরে আসে গণতন্ত্রের ধারণা।

হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নাম মনোনয়ন দিয়ে তা অনুমোদনের জন্য মার্কিন সিনেটে পাঠানো হয়েছে। সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ক্রিস্টেনসেন এর আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।