
জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় ইরানে বিক্ষোভ বাড়ছে । এতে খুশি আমেরিকা ও ইসরায়েল। কিন্তু ইসরায়েল উত্তাল হারিদি ইহুদিদের বিক্ষোভে। অন্যদিকে রেনি গুডকে আইসিই হত্যা করায় ফুঁসে উঠেছে গোটা আমেরিকার মানুষ । শুনুন সেলিম খানের ভাষ্যে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে মাদুরোকে জোর করে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ওই বৈঠকে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালানোর হুমকিও দেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য একদিকে ইসরায়েলকে সমর্থন দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান ও হামাসের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল। তবে এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

ফ্লোরিডায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর গাজা, হামাস ও ইরানকে ঘিরে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিরস্ত্রীকরণে ব্যর্থ হলে হামাসকে এবং পরমাণু কর্মসূচি পুনর্গঠনে গেলে ইরানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর অবস্থানের

৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিশনের দাবিতে তেল আবিবে বড় বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় এড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন। শেষ জিম্মির দেহাবশেষ ফেরত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, নিজস্ব অস্ত্রশিল্পের বিকাশে তার দেশ ৩৫০ বিলিয়ন শেকেল ব্যয় করার পরিকল্পনা নিয়েছে। যা প্রায় ১১০ বিলিয়ন ডলারের সমান

নেতানিয়াহুর বিচার স্থগিত ও ক্ষমা প্রার্থনার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ইসরায়েলে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্টের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করছেন, ক্ষমার আবেদন মূলত দায় এড়ানোর প্রচেষ্টা এবং এটি দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

শান্তি শুরু হয় যখন মানুষ রাজনীতির চেয়ে বেশি মূল্যবান হয়ে ওঠে, যখন পৃথিবী অন্যায়ের মুখে নীরব থাকে না এবং যখন গাজা, ইয়েমেন, সুদান বা কাশ্মীরের জীবনগুলোকে পরিসংখ্যান নয়, পবিত্র হিসেবে দেখা হয়।

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে যে, যুদ্ধপরবর্তী সময়ে গাজা শাসনে হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না।