
দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!
তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।
চার বছর আগে কাতারে যে দলটা বিশ্বকাপ জিতেছে, তার সঙ্গে এবারের বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনার পার্থক্য কী? পার্থক্যটা কি ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক?
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আজ যখন মিশরের বিপক্ষে নামছে আর্জেন্টিনা, তার আগে এই প্রশ্নের উত্তরে আর্জেন্টিনা ভক্তদের মধ্যে হতাশাই বেশি দেখা যাওয়ার কথা। আর্জেন্টিনা এবারও একের পর এক ম্যাচ জিতে চলেছে ঠিকই, কিন্তু ঠিক দাপুটে আর্জেন্টিনার দেখা মিলছে না। একদিকে নেইমারের ব্রাজিল আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল যখন বিদায় নিয়েছে, আজ মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনারও তেমনই দশা হবে?
প্রশ্নটা আসছে, কারণ আগের রাউন্ডেই কেপ ভার্দের বিপক্ষে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা অঘটনের শিকার হওয়ার মিনিট দশেকের দূরত্বে চলে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা!
প্রশ্নটা আসছে, কারণ আর্জেন্টিনার আবার সেই পুরোনো রোগ দেখা দিয়েছে!
রোগটা কী? মেসিতে অতিনির্ভরতা।
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে চার ম্যাচে আর্জেন্টিনা ১১ গোল করেছে, প্রতিটি ম্যাচেই অন্তত ২ গোল করেছে, তবু আর্জেন্টিনার মেসি-নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কারণ – এই ১১ গোলের ৭টিই মেসির। এর বাইরে একটি গোল হয়েছে আত্মঘাতী, কেপ ভার্দের বিপক্ষে যে গোলটা শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার পক্ষে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। মেসির বাইরে আর্জেন্টিনার অন্য খেলোয়াড়দের সম্মিলিত গোল মাত্র তিনটি, কেউই একাধিক গোল করতে পারেননি।
শুধু মেসি গোল করছেন বলেই মেসির ওপর অতি-নির্ভরশীল হয়ে পড়ার কথা তো আসছে না! সেটা বলা ঠিকও হবে না। তবে আরও অনেক পরিসংখ্যান আছে, যা আর্জেন্টিনার মেসি-নির্ভরতার প্রমাণ দেবে।
কী রকম সেগুলো? চলুন একে একে দেখে নেওয়া যাক –
১. আর্জেন্টিনা এ পর্যন্ত চার ম্যাচে মোট শট নিয়েছে ৫৬টি, এর মধ্যে ২৪টিই মেসির! অর্থাৎ, দলের প্রায় ৪৩% শটই মেসির! অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে এনসো ফের্নান্দেস ছাড়া কেউ ৫টির বেশি শট নিতে পারেননি।
২. শট নিলেই তো হবে না, সেটাকে গোলে পরিণত করতে চাইলে শটটাকে অন্তত পোস্টে রাখতে হবে। গোলে শট না হলে গোলের সম্ভাবনা যে শূন্য, সেটা বুঝতে বিশেষ ফুটবলবিশারদ হতে হয় না। তা পরিসংখ্যান বলছে, এখানেও আর্জেন্টিনা অনেকটাই মেসিনির্ভর। আর্জেন্টিনার ৫৬টি শটের ২৫টি ছিল পোস্টমুখী, এর মধ্যে ১৫টিই মেসির! অর্থাৎ, দলের শট অন টার্গেটের ৬০%-ই মেসির।
৩. ফুটবলে সুযোগের মধ্যেও যেগুলোতে গোলের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে হয়, যে সুযোগের ক্ষেত্রে স্ট্রাইকার গোল না করাই বড় চমক হবে বলে ধরা হয়, সেগুলোকে ‘বিগ চান্স’ বলা হয়। আর্জেন্টিনা এ পর্যন্ত ৪ ম্যাচে বিগ চান্স তৈরিই করতে পেরেছে মাত্র ৭টি – এটাই আর্জেন্টিনার এখন পর্যন্ত ‘কাতারের আর্জেন্টিনা’ হয়ে উঠতে না পারার একটা বড় প্রমাণ হয়ে দেখা দেয়। এই ৭টি বিগ চান্সেরও ৪টিই মেসির!
এসব তো গেল শট আর গোলের হিসাব। ৩৯ বছর বয়সের মেসিকে এবার প্রতিপক্ষ বক্সের আশপাশেই বেশি রাখছেন স্কালোনি, মাঠের নিচের দিকে খুব বেশি নামতে হচ্ছে না। এ বয়সের মেসির মাঠে বারবার ওপর-নিচ করার গতি আর দম কোনোটাই চার বছর আগের মতো থাকার কথাও নয়। সেই হিসেবে গোল আর শটে মেসির অবদান আরও বেশি করে চোখে পড়ারই কথা। কিন্তু আরেকটি পরিসংখ্যান আর্জেন্টিনার ‘মেসি-নির্ভরতা’র প্রমাণ তুলে ধরে – প্রতিপক্ষ পেনাল্টি বক্সে ঢোকার পথে পাসের হার।
আর্জেন্টিনার ‘পেনাল্টি এরিয়া এন্ট্রি’ তৈরি করা যে পাসগুলো, তার প্রায় ৩৫ শতাংশই মেসির! বক্সের বাইরে থেকে মেসির থ্রু, মেসির লব রাস্তা খুলে দেয় আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকার-উইঙ্গারদের জন্য। অর্থাৎ, আর্জেন্টিনার ‘ক্রিয়েটিভিটি’তেও মেসিকেই যুক্ত হতে হচ্ছে।
গোলে-শটে-সৃষ্টিশীলতায় মেসির এত বেশি যুক্ত হওয়া স্কালোনির আর্জেন্টিনাকে নিয়ে তাই প্রশ্ন তুলে দেয়, প্রতিপক্ষ যদি মেসিকে সফলভাবে আটকে দিতে পারে, সে ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার ‘প্ল্যান বি’-টা কী?
নেইমারের ব্রাজিল বা রোনালদোর পর্তুগালের মতো ভাগ্য বরণ করতে না চাইলে এই প্রশ্নটার উত্তর দ্রুতই খুঁজে বের করতে হবে স্কালোনিকে। কে জানে, হয়তো আজ মিশরের বিপক্ষেই উত্তরটার দরকার হবে আর্জেন্টিনার!
সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন
রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি
ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!
তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র
সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।

সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত
দু বছর পর যখন এ বেতন স্কেল পুরো কার্যকর হবে তখন মুদ্রাস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা দেখার বিষয়। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো ছাড়া হয়তো উপায়ও ছিল না। তবে এর ফলে বাড়বে সকল ধরনের পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়সহ ভোগ্যপণ্যের দাম।

১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪
২০২৪-এর পর থেকে এই অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটা আমরা বেশি শুনছি। এটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল এবং শিডিউলড কাস্টের ব্যাপারে, নিম্নবর্গের ব্যাপারে অন্তর্ভুক্তিমূলকের দশা কিন্তু খুবই খারাপ।