Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশেষ প্রতিবেদন

খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

শেখ আবু হাসান

শেখ আবু হাসান

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২০: ২১
খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’
খুলনায় পুলিশ সদস্যদের একা চলাফেরায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ছবি: চরচা

মাদককারবার, চাঁদাবাজি ও আধিপাত্য বিস্তার নিয়ে খুলনায় খুনখারাবি যেন থামছেই না। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে একপক্ষ প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ফলে নগরীতে প্রায় প্রতিনিয়ত হত্যা, সশস্ত্র হামলা, চাঁদার দাবিতে ক্লিনিক-হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর, গোলাগুলি চলছেই।

Advertisement

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না। খুলনা মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলছেন, সন্ত্রাসীরা জামিনে বের হয়ে আবারও অপরাধে যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেছে।

গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর তিনটি এলাকায় তিনজনকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনায় অপরাধীদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। গত পাঁচ দিনে খুলনা মহানগরীতে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে দুইজনকে। এ ঘটনার পাঁচ দিনেও কাউকে গ্রেপ্তার হয়নি। প্রতিটি অপরাধের পেছনে নগরীতে সক্রিয় সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর নাম আসছে। অধিকাংশ ঘটনার মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। যার কারণে অপরাধও কমছে না।

খুলনা মহানগর ও জেলা পুলিশের অপরাধ শাখার তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে খুলনায় গুলি, কুপিয়ে বা অন্যভাবে ৭১ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ৬৯টি। বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ডের পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, পূর্বশত্রুতা ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ কাজ করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশbangladesh-police-new-logo

এদিকে খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় পৃথক তিনটি এলাকায় যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মীকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গত সোমবার রাত থেকে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধরা হলেন-বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি অহিদুল ইসলাম বাদল ও আমিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সোহেল শেখ এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সালমান হাওলাদার। এর মধ্যে সালমানের ল্যাপটপের ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। ওই ব্যাগে প্রতিদিন কর্মস্থলের টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা দিতে যেতেন তিনি। এসব ঘটনায় গতকাল রাত ১০টা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

গত ২২ অক্টোবর ভোরে নগরীর পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় তাওহিদুল ইসলাম তুষার (৩২) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। মামলার এজাহারে শহিদুল ইসলাম সেজান, সাকিবুর রহমান জিতু ও রাব্বি চৌধুরীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। তবে কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। একই দিন সন্ধ্যার পর জিন্নাহপাড়া এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় খুশি আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূকে। এ ঘটনায় নিহতের বোন হাসি আক্তার বাদী হয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিক, মিরাজ খানসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায়ও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

বিচারক সংকটে খুলনার ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বাড়ছে মামলাজটKhulna court (1)

গত শনিবার রাতে নগরীর টুটপাড়া গাছতলা মন্দিরের সামনে রূপসা কলেজের প্রভাষক আকাশ কুণ্ডুকে (৪৫) গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তার ঘটনায়ও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

খুলনা মহানগর পুলিশের সদর জোনের সহকারী কমিশনার শফিকুল ইসলাম চরচাকে জানান, আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে হত্যাকাণ্ড দুটি সংঘটিত হয়। আর আকাশ কুণ্ডুকে গুলি করা হয়েছে চাঁদা না দেওয়ায়। তিনটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যেই তুষার হত্যাকাণ্ডের মামলায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার রাতে খুলনা নগরীর সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য তারা ক্লিনিকের বাইরে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় ক্লিনিকের এক কর্মকর্তা আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এক কর্মীর মোবাইল ফোন।

ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মহিদুল ইসলাম রাজু বলেন, “কেন হামলা হয়েছে জানি না। কেউ চাঁদা চেয়েছিল বলেও শুনিনি।”

এর আগের দিন প্রিন্স হাসপাতালে ঢুকে চাঁদার দাবিতে হুমকি দেয় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। ২৫ অক্টোবর দুপুরে নগরীর মজিদ সরণিতে অবস্থিত সন্ধানী ক্লিনিকের আরেক শাখায় সশস্ত্র মহড়া দিয়েছে বেশ কয়েকজন যুবক। হাসপাতালের চিকিৎসক পার্থ সাহা বলেন, দুপুরে ৮-১০ যুবক ক্লিনিকে প্রবেশ করে ম্যানেজারকে খুঁজতে থাকে। তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। দুদিন আগে ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় নগরীর শেরে বাংলা সড়কে অবস্থিত সুরক্ষা ক্লিনিকে চাঁদা দাবি করে ফোন করে পারভেজ নামে এক যুবক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঘনিষ্ট এক সূত্র জানায়, আতংকে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানাননি।

খুলনায় পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ২arrest

খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) উপকমিশনার রেজাউর রহমান চরচাকে বলেন, “নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রতিটি অপরাধের ঘটনায় পুলিশ সক্রিয় রয়েছে। গত ১০ মাসে ৬০ জন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী রয়েছে। ক্লিনিকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দুইজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।” তার অভিযোগ, ভুক্তভোগীরা মামলা ও পুলিশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন না।

রেজাউর রহমান বলেন, “চাঁদাবাজি বা গুলির ঘটনায় কেউ মামলা করতে চান না। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে দ্রুত জামিন হয়ে যাওয়ার প্রবণতা। এই দুই কারণে খুলনার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এর পরও পুলিশ তার দায়িত্ব পালনে কমতি রাখছে না।”

মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দমনে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজসহ সচেতন মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানান নগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার।

খুলনার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন চরচাকে বলেন, খুলনার আইন-শৃঙ্খলার অবনতিতে তারাও শঙ্কিত। অপরাধীদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হওয়ার কারণ রয়েছে। তিনি নিজে এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ফোরামে কথা বলছেন।

তুহিন আরও বলেন, “সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের পুলিশ গ্রেপ্তার করে, কিন্তু আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে তারা জামিনে বের হয়ে যাচ্ছে। বের হয়ে পুনরায় তাদের কর্মকাণ্ডে ফিরে যাচ্ছে। সন্ত্রাস দমনে ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া যে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, সেই পদক্ষেপে ফিরে যাওয়া উচিত। সন্ত্রাস দমনে যৌথ বাহিনী নামানো উচিত।”

বিষয়: খুলনাআইনশৃঙ্খলাপুলিশহামলাখুনগুলি করে হত্যাকুপিয়ে হত্যাসন্ত্রাসী
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    আবারও বাড়বে এলপি গ্যাসের দাম?

  • ২

    ঢাকায় জরুরি অবতরণের পর মারা যাওয়া ভারতীয় নারীর মরদেহ হস্তান্তর

  • ৩

    কোন ভাষায় সমালোচনা করলে সরকারি দলের নেতারা ক্ষুব্ধ হবেন না, জানা নেই: মঞ্জু

  • ৪

    ডুয়ো আইফোনের পর্দায় ফাটল, বড় পরীক্ষায় অ্যাপল

  • ৫

    বারানসি: মোদির আসনে হারল বিজেপি

সম্পর্কিত
  • বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    সামাজিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক রক্ষণশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবের কারণে নিকট ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিং প্রতিযোগিতা চালুর কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আয়োজকরা।

  • রাকসু: ৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ‘ব্যর্থতার’ খতিয়ান?

    রাকসু: ৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ‘ব্যর্থতার’ খতিয়ান?

    দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে এই এক বছর শেষে বর্ষপূর্তির ক্ষণে দাঁড়িয়ে রাকসুর সফলতা ও ব্যর্থতার হিসাব মেলাতে গিয়ে প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে মতভেদ।

  • সরকারি সিকিউরিটিজে ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো, শঙ্কা কোথায়?

    সরকারি সিকিউরিটিজে ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো, শঙ্কা কোথায়?

    সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে দেশের ব্যাংকগুলো। খেলাপি ঋণের ঝুঁকি এবং বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কম থাকায় ব্যাংকগুলোর কাছে এসব সিকিউরিটিজ ধীরে ধীরে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। এতে তুলনামূলক নিরাপদ আয়ের সুযোগ তৈরি হলেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ও নতুন বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থনী

  • শিক্ষাক্রমে বদল: অন্য দেশের অভিজ্ঞতা কী?

    শিক্ষাক্রমে বদল: অন্য দেশের অভিজ্ঞতা কী?

    স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাক্রমে সাতবার বড় পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিবারই দেখা গেছে, দেশে কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন হলে অবধারিতভাবেই বদলে যায় শিক্ষানীতি। শিক্ষানীতি বা পাঠক্রমে বদল অন্য দেশেও হয়। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংযোগ যতটা না থাকে, তারচেয়ে বেশি থাকে নতুন প্রযুক্তি