আমরা
চরচার বিশেষ প্রতিনিধি শেখ আবু হাসান দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করছেন।
খুলনা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়কগুলোর দু’পাশের ফুটপাত হকার ও ব্যবসায়ীদের অবৈধ দখলে থাকায় নিত্যদিন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফুটপাত দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচলের সুযোগ না থাকায় পথচারীদের বাধ্য হয়ে সড়কের ওপর দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সব ধরনের পরিবহন খরচ, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ সকল পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। দেশের ইতিহাসে জ্বালানি তেলের দাম এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এতে জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এ মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সব ধরনের পণ্য পরিবহন, কৃষি।
খুলনা মহানগরীতে মাদক বিক্রির পরিধি ও পরিসর বেড়েই চলেছে। ৩১টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত অবধি মাদক কেনাবেচা চলে। এর সাথে ২৭২ জন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, নগরীর ১১৭টি স্পটে মাদক বিক্রির তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ
খুলনা বিভাগের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতালে আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিনই বিভিন্ন রোগী আসেন। তবে চিকিৎসক সংকটে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েন হাসপাতালটির বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের রোগীরা। হাসপাতালের এই ইউনিটে ৩৫ শয্যার অনুমোদন থাকলেও এখন চালু রয়েছে ২০টি।
সারাদেশেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিনই প্রাণহানিসহ আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। খুলনার অবস্থাও বেশ নাজুক। এমন পরিস্থিতির জন্য খুলনা সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে নগর বিএনপি। গতকাল সোমবার এক সভায় এমনটা বললেও আজ মঙ্গলবার অভিযোগ অস্বীকার করেছে নগর বিএনপি।
মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুলনা মহানগরী ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় খুন-খারাবি নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। পুলিশের দাবি, এসব হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৯৫ শতাংশই মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র কর
আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৩৩ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ১০১ জন সরকারি হাসপাতালে এবং ৩২ জন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বাগেরহাটের রামপালে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পে আবারও আশার আলো দেখিয়েছে চীনা কোম্পানি। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে স্থবির হয়ে থাকা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তারা। গত ২৫ জুলাই বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ)