Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশেষ প্রতিবেদন

খুলনায় ৩১ ওয়ার্ডেই ছড়িয়েছে মাদক, কারবারিদের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে

শেখ আবু হাসান

শেখ আবু হাসান

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২০: ১১
খুলনায় ৩১ ওয়ার্ডেই ছড়িয়েছে মাদক, কারবারিদের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে
প্রতীকী ছবি

খুলনা মহানগরীতে মাদক বিক্রির পরিধি ও পরিসর বেড়েই চলেছে। ৩১টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত অবধি মাদক কেনাবেচা চলে। এর সাথে ২৭২ জন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, নগরীর ১১৭টি স্পটে মাদক বিক্রির তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশনা চেয়েছে।

Advertisement

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের আগে তৎকালীন সরকারি দল ও দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কিছু প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় মাদক কারবার পরিচালিত হতো। ওইসব নেতৃবৃন্দ মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে মাসোহারা নিতেন। মাদকের মধ্যে ছিল গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও কোডিন ফসফেট। সে সময় নগরীতে প্রতিদিন চার লাখ টাকার অধিক মাদক বিক্রি হত। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদারেরও পরিবর্তন হয়েছে।

সাতক্ষীরা ও যশোর জেলা থেকে চোরাকারবারিরা সড়ক ও রেলপথে ফেনসিডিল ও ইয়াবা নিয়ে আসে। পণ্যবাহী পরিবহনের মাধ্যমে আনা ফেনসিডিল ও ইয়াবা পথের বাজার ও জিরোপয়েন্ট দিয়ে নগরীতে প্রবেশ করে। বেনাপোল থেকে আসা কমিউটার ট্রেনেও ফেনসিডিল ও ইয়াবা নিয়ে দৌলতপুর ও খুলনা রেল স্টেশনে নেমে যায় ব্যবসায়ীরা।

খুলনায় যুবদল কর্মী হত্যার নেপথ্যে মাদককাণ্ড, ধারণা পুলিশের খুলনা

নগরীর ১১৭টি স্পটের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নগরীর টুটপাড়া, গাছতলা, মহিরবাড়ি খালপাড়, ৫ নং ঘাট এলাকা, গ্রীণল্যান্ড বস্তি, জোড়াগেট বাজার, ১০ তলার পেছনে, ৪ ও ৬ নং ঘাট, হাসপাতাল রোড, নিক্সন মার্কেট, দারোগার বস্তি, বার্মাশীল রোডের পানির ট্যাংকির মোড়, নিরালা আবাসিক এলাকা, হাজীবাড়ির মোড়, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল, রূপসা সেতু এলাকা, লবণচরা, মুক্তা কমিশনারের বাড়ির পাশের স্লুইচ গেট, লবণচরা দারোগার লীজ এলাকা, মতিয়াখালী খালপাড়, মোহাম্মদ নগর, জিরো পয়েন্ট, কৈয়া বাজার, ইসলামনগর এলাকা, গিলেতলা, কুয়েট রোড, আটরা পালপাড়া, গাবতলা বিদ্যুৎ স্টেশন, গাবতলা শ্মশান ঘাট, আলীম জুট মিল গেট সংলগ্ন এলাকা, ল্যাবরেটরী স্কুল সংলগ্ন এলাকা, সেনপাড়া দাউদের মাঠ, গাইকুড়, রায়েরমহল মুন্সিপাড়া, গাইকুড় মিল্ক ভিটা, আড়ংঘাটা প্রাইমারি স্কুল, চিত্রালী বাজার, মানসী বিল্ডিং এলাকা, বঙ্গবাসি স্কুল রোড, প্লাটিনাম ২ নং গেট এলাকা, খালিশপুর জুট মিল গেট, রায়েরমহর বাজার, খালিশপুর রেললাইন, আলমনগর বাজার এলাকা, হার্ডবোর্ড ঘাট, নিউ পিপলস কলোনি, বৈকালি বাজার, কাস্টম ঘাট, বয়রা বাজার এলাকা, দৌলতপুর, সেনপাড়া, দৌলতপুর পেট্রোল পাম্প, ইস্পাহানি কলোনি, মহেশ্বরপাশা কালিবাড়ি প্রভৃতি।

খুলানায় অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য। ছবি: চরচা
খুলানায় অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য। ছবি: চরচা

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এসব হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে, গত মাসে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির এক সভায় খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. রফিকুল ইসলাম গাজী বলেন, “ওই মাসে ১৩৭ জনের ডোপ টেস্ট করা হয়েছিল, যার মধ্যে আটজনের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যাদের টেস্ট পজিটিভ এসেছে তাদের অধিকাংশই মরফিন ও গাঁজা সেবনকারী।”

খুলনায় মাদক মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবনadalot

খুলনা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক মলয় রঞ্জন চক্রবর্তী চরচাকে বলেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিত ভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খুলনার মাদক কারবারিদের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠায়। এছাড়াও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন পাঠায়।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও প্রতিদিন অভিযান চালাচ্ছে।”

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রেজাউর রহমান চরচাকে বলেন, “খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে নগরীর সকল সচেতন মহলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীমাদকখুলনা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    শ্রমিক অসন্তোষে দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা

  • ২

    জার্মানিতে জেন-জি বিক্ষোভে সহিংসতা-লুটপাট, নেপথ্যে কী?

  • ৩

    যুক্তরাষ্ট্রে চ্যালেঞ্জের মুখে প্রচলিত সাংবাদিকতা

  • ৪

    পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    সৌদিতে হামলা চালাতে রাশিয়ার স্যাটেলাইটের তথ্য নিচ্ছে হুতিরা?

সম্পর্কিত
  • ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকবছর ধরে নতুন কিছু ভাইরাল গ্রুপ আর পেজের দেখা মিলছে। ‘বাস লাভার’, ‘ট্যুর বাস লাভার’, ‘বাস স্পটার’ নামের অনেক গ্রুপ আর পেজ দেখা যায় ফেসবুকে। এই গ্রুপ বা পেজগুলোয় বাস নিয়ে নানা ধরনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এসব গ্রুপের সদস্য বা পেজের অ্যাডমিনরা কিছুদিন পরপরই বাস ভাড়া করে দূরপ

  • সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    “আমাকে গাড়িতে উঠিয়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ফেলে। তখনই আমার ভিতরে আত্মা নাই। এরপর র‍্যাবের (এসআরবি) অফিসে নিয়ে তাদের শেখানো স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেয় এবং কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মারে। যদি তাদের মতো করে স্বীকারোক্তি না দিই, তাহলে জামিন পাব না–এমনটিও বলেন র‍্যাবের (এসআরবি) কর্মকর্তারা”

  • খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না।

  • বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিংয়ে বাধা কোথায়?

    সামাজিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক রক্ষণশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবের কারণে নিকট ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে নারীদের বডি বিল্ডিং প্রতিযোগিতা চালুর কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আয়োজকরা।