
পুরো বিদেশি বিনিয়োগে লালদিয়া টার্মিনালের নির্মাণ শুরু রোববার
চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। প্রকল্পটি বন্দর খাতে বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) বিনিয়োগ।

খুলনা মহানগরীতে মাদক বিক্রির পরিধি ও পরিসর বেড়েই চলেছে। ৩১টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত অবধি মাদক কেনাবেচা চলে। এর সাথে ২৭২ জন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, নগরীর ১১৭টি স্পটে মাদক বিক্রির তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশনা চেয়েছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের আগে তৎকালীন সরকারি দল ও দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কিছু প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় মাদক কারবার পরিচালিত হতো। ওইসব নেতৃবৃন্দ মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে মাসোহারা নিতেন। মাদকের মধ্যে ছিল গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও কোডিন ফসফেট। সে সময় নগরীতে প্রতিদিন চার লাখ টাকার অধিক মাদক বিক্রি হত। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদারেরও পরিবর্তন হয়েছে।
সাতক্ষীরা ও যশোর জেলা থেকে চোরাকারবারিরা সড়ক ও রেলপথে ফেনসিডিল ও ইয়াবা নিয়ে আসে। পণ্যবাহী পরিবহনের মাধ্যমে আনা ফেনসিডিল ও ইয়াবা পথের বাজার ও জিরোপয়েন্ট দিয়ে নগরীতে প্রবেশ করে। বেনাপোল থেকে আসা কমিউটার ট্রেনেও ফেনসিডিল ও ইয়াবা নিয়ে দৌলতপুর ও খুলনা রেল স্টেশনে নেমে যায় ব্যবসায়ীরা।
নগরীর ১১৭টি স্পটের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নগরীর টুটপাড়া, গাছতলা, মহিরবাড়ি খালপাড়, ৫ নং ঘাট এলাকা, গ্রীণল্যান্ড বস্তি, জোড়াগেট বাজার, ১০ তলার পেছনে, ৪ ও ৬ নং ঘাট, হাসপাতাল রোড, নিক্সন মার্কেট, দারোগার বস্তি, বার্মাশীল রোডের পানির ট্যাংকির মোড়, নিরালা আবাসিক এলাকা, হাজীবাড়ির মোড়, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল, রূপসা সেতু এলাকা, লবণচরা, মুক্তা কমিশনারের বাড়ির পাশের স্লুইচ গেট, লবণচরা দারোগার লীজ এলাকা, মতিয়াখালী খালপাড়, মোহাম্মদ নগর, জিরো পয়েন্ট, কৈয়া বাজার, ইসলামনগর এলাকা, গিলেতলা, কুয়েট রোড, আটরা পালপাড়া, গাবতলা বিদ্যুৎ স্টেশন, গাবতলা শ্মশান ঘাট, আলীম জুট মিল গেট সংলগ্ন এলাকা, ল্যাবরেটরী স্কুল সংলগ্ন এলাকা, সেনপাড়া দাউদের মাঠ, গাইকুড়, রায়েরমহল মুন্সিপাড়া, গাইকুড় মিল্ক ভিটা, আড়ংঘাটা প্রাইমারি স্কুল, চিত্রালী বাজার, মানসী বিল্ডিং এলাকা, বঙ্গবাসি স্কুল রোড, প্লাটিনাম ২ নং গেট এলাকা, খালিশপুর জুট মিল গেট, রায়েরমহর বাজার, খালিশপুর রেললাইন, আলমনগর বাজার এলাকা, হার্ডবোর্ড ঘাট, নিউ পিপলস কলোনি, বৈকালি বাজার, কাস্টম ঘাট, বয়রা বাজার এলাকা, দৌলতপুর, সেনপাড়া, দৌলতপুর পেট্রোল পাম্প, ইস্পাহানি কলোনি, মহেশ্বরপাশা কালিবাড়ি প্রভৃতি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এসব হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।
এদিকে, গত মাসে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির এক সভায় খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. রফিকুল ইসলাম গাজী বলেন, “ওই মাসে ১৩৭ জনের ডোপ টেস্ট করা হয়েছিল, যার মধ্যে আটজনের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যাদের টেস্ট পজিটিভ এসেছে তাদের অধিকাংশই মরফিন ও গাঁজা সেবনকারী।”
খুলনা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক মলয় রঞ্জন চক্রবর্তী চরচাকে বলেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিত ভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খুলনার মাদক কারবারিদের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠায়। এছাড়াও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন পাঠায়।”
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও প্রতিদিন অভিযান চালাচ্ছে।”
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রেজাউর রহমান চরচাকে বলেন, “খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে নগরীর সকল সচেতন মহলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। প্রকল্পটি বন্দর খাতে বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) বিনিয়োগ।

খুলনা বিভাগের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতালে আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিনই বিভিন্ন রোগী আসেন। তবে চিকিৎসক সংকটে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েন হাসপাতালটির বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের রোগীরা। হাসপাতালের এই ইউনিটে ৩৫ শয্যার অনুমোদন থাকলেও এখন চালু রয়েছে ২০টি।

গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানির তীব্র সংকট এবং দেশের বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কারিগরি ত্রুটি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সারা দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে।

এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা গেলে দেখা যায়, বাড়িতে কোনো বিদ্যুৎ নেই। পরে স্থানীয় দুই ইলেকট্রিশিয়ানের সহযোগিতায় রাত ১২টায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়