
মালয়েশিয়ার পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠনের নতুন কমিটি
নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যাচেলর শিক্ষার্থী তাসফিয়া আরেফীন অধরা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাসিক নাফিজা উসিন দায়িত্ব পেয়েছেন।
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে জসনে জুলুস ও মিলাদ মাহফিল।
গত মঙ্গলবার গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের মালয়েশিয়া শাখার উদ্যোগে স্থানীয় সময় সকালে জসনে জুলুস এবং সন্ধ্যায় মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়।
সকালে জশনে জুলুসটি পেট্রোনাস টু ইন টাওয়ার থেকে শুরু হয়ে মালয়েশিয়ার জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে দোয়া-মোনাজাত ও তবারক বিতরণ করা হয়।
ইসলামিক স্কলার মাওলানা মোস্তফা রাহিম আযহারীর নেতৃত্বে জশনে জুলুসে শত শত প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।
সন্ধ্যায় হাংতুয়ায় আল হুমায়ারা রেস্তোরাঁর হলে আয়োজিত মাহফিলে প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা আব্দুল মোস্তফা রাহিম আল আযহারী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়ান নাগরিক ও পাকিস্তানি কমিউনিটির নেতা মোহাম্মদ জামিল হামিদ, সানওয়ে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার পোস্টডক্টরাল রিসার্চ ফেলো এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম, বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার (বিএসওএম) উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহ, সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, মার্শাল পাভেল, ব্যবসায়ী আতিক হাসান, আজিজুল হক, মোহাম্মদ জামাল হোসেন ইব্রাহীম টিপু, আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ার পিএইচডি গবেষক মাওলানা মিসবাহ উদ্দিন ও পিএইচডি গবেষক মুফতি এনামুল হক ফরিদী।
সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা লেখক-সাংবাদিক রফিক আহমদ খান। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাঈম উদ্দিন।
বক্তব্যে মোস্তফা রাহিম আযহারী বলেন, “আল্লাহ প্রিয় নবীজিকে আমাদের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হিসেবে পাঠিয়েছেন। যিনি ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী এবং যাকে আল্লাহ মানবজাতির জন্য আদর্শ হিসেবে পাঠিয়েছেন। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুনিয়াতে শুভাগমন যেমন আমাদের জন্য রহমত, তেমনি ওনার জীবনাদর্শ তথা সুন্নাহসমূহ আমাদের জন্য একান্ত পালনীয় বিষয়। ব্যক্তিজীবন, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সর্বক্ষেত্রে একজন অনূকরনীয় আদর্শ তিনি। ওনার রেখে যাওয়া পথেই রয়েছে শান্তি ও মুক্তির পথ।"

মাহফিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসওএমের সভাপতি আসাদুল্লাহ গালিব রাব্বি, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার (ইউপিএম) উপদেষ্টা আশিবুর হাসনাত সাদী, মোহাম্মদ জাকারিয়া, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মালয়েশিয়া শাখার মোহাম্মদ হারুন চৌধুরী, নঈম উদ্দিন সুমন, মো. ফেরদৌস আলম, গোলাম মোস্তফা, টুকু সরদার, তাজ উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মোরশেদুল আলম, জুনাঈদ আজিজ, হামিদুল ইসলাম, হাফেজ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, মোহাম্মদ মানিক, সৈয়দ আলী আকবর, মোস্তাক আল আমিন, নাজিম উদ্দীন, জাকির হোসেন, ফরিদ উদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল উদ্দিন, মোহাম্মদ মিজান, মোহাম্মদ ওয়াহিদ, তানভীর আহমেদ, মোহাম্মদ ইছমাঈল, মোহাম্মদ ইরফান, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. তারেক প্রমুখ।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যাচেলর শিক্ষার্থী তাসফিয়া আরেফীন অধরা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাসিক নাফিজা উসিন দায়িত্ব পেয়েছেন।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন সৌদি আরবপ্রবাসী এবং তার নাম চয়ন মোল্লা।

রাস্তার পাশে কৃষ্ণচূড়া। আকাশে কোনো তারা নেই। দূরে একটা চায়ের দোকান। সাইনবোর্ডে লেখা—“জীবনে যা হারিয়েছেন, এখানে তা পাওয়া যায়।”

পোস্টে করণীয় ও বর্জনীয় বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করে তা অনুসরণের জন্য পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।