Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> এক্সপ্লেইনার

বারানসি: মোদির আসনে হারল বিজেপি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২১: ১৩
বারানসি: মোদির আসনে হারল বিজেপি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: রয়টার্স

ভারতের উত্তর প্রদেশের বিধান পরিষদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী এলাকা বারানসিতে সমাজবাদী পার্টির (এসপি) উল্লেখযোগ্য সাফল্য রাজ্যটির রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন দলটি বারানসির শিক্ষক আসন ধরে রেখেছে এবং স্নাতক আসনেও বড় জয়ের পথে রয়েছে। পাশাপাশি আগ্রার শিক্ষক আসনেও দলটির জয় বিজেপির জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। আগামী ২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ফলাফল বিরোধী শিবিরকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে শক্তিশালী করতে পারে। তবে বিধান পরিষদের এই নির্বাচনের ফল দিয়ে রাজ্যের সামগ্রিক জনমতের চূড়ান্ত চিত্র নির্ধারণ করা যাবে না।

Advertisement

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশের বিধান পরিষদের ১১টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামগ্রিক হিসাবে বিজেপি পাঁচটি আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও একটি আসনে এগিয়ে ছিল। এই নির্বাচনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, বারানসিতে শিক্ষক আসনে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী লাল বিহারী যাদব বিজেপির প্রার্থী প্রমোদ কুমার মিশ্রকে ৪ হাজার ৮৯৮ ভোটে পরাজিত করেছেন।

২০২০ সালের নির্বাচনে মিশ্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ৯৩৬ ভোটের ব্যবধানে যাদবের কাছে হেরেছিলেন। এবারের ব্যবধান বৃদ্ধি শিক্ষক সমাজে রাজনৈতিক সমর্থনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নির্দেশ করে। একই সঙ্গে বারানসি স্নাতক আসনে সমাজবাদী পার্টির আশুতোষ সিনহা বিজেপির কেদারনাথ সিংয়ের বিরুদ্ধে জয়ের পথে রয়েছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বারানসির গুরুত্ব শুধু দুটি আসনের ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি নরেন্দ্র মোদির লোকসভা নির্বাচনী এলাকা এবং বিজেপির রাজনৈতিক শক্তির অন্যতম প্রতীক। ফলে এই এলাকায় বিরোধী দলের সাফল্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিকভাবে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বারানসিতে মোদির জয়ের ব্যবধান ২০১৯ ও ২০১৪ সালের তুলনায় কমে যাওয়ার বিষয়টি সমাজবাদী পার্টির নেতারা আগেও তুলে ধরেছেন। ওই নির্বাচনে কংগ্রেসের অজয় রাইয়ের বিরুদ্ধে মোদি শেষ পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেও ভোট গণনার প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি পিছিয়ে পড়েছিলেন। এসব ঘটনা বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে বিরোধীরা তুলে ধরছে।

‘সরকার পরিবর্তনের’ আতঙ্ক মোদি সরকারের দুর্বলতারই প্রকাশdelhi-police-272726207-16x9

তবে বিধান পরিষদের নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। শিক্ষক ও স্নাতক আসনে সাধারণ ভোটাররা ভোট দিতে পারেন না; নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন এবং নিবন্ধিত শিক্ষক ও স্নাতকেরাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এই আসনগুলোতে অগ্রাধিকারভিত্তিক ভোটপদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

সমাজবাদী পার্টির জন্য এই জয় তাই একদিকে সাংগঠনিক সাফল্য, অন্যদিকে ২০২৭ সালের নির্বাচনের আগে নিজেদের রাজনৈতিক বার্তা জোরালো করার সুযোগ। শিক্ষক ও স্নাতকদের মতো শিক্ষিত ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে দলটি বিজেপিবিরোধী মনোভাবের বিস্তারের দাবি করতে পারে। শিক্ষক আসনে জয়ের পর লাল বিহারী যাদব দলের সভাপতি অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সভাপতির ইতিবাচক অবস্থানের কারণে সমাজবাদী পার্টি উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পেরেছে। এতে বোঝা যায়, দলটি স্থানীয় নির্বাচনের সাফল্যকে নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজ্যজুড়ে সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে।

শিক্ষকদের অসন্তোষও এই নির্বাচনের রাজনৈতিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারে। অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেছেন, বিজেপি সরকারের আমলে শিক্ষকরা অপমানিত হয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষকদের পশুখাদ্য সংগ্রহের মতো অবাঞ্ছিত কাজে নিয়োজিত করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেছেন, ২০২৭ সালের নির্বাচনে শিক্ষকরা এর জবাব দেবেন। তার এই বক্তব্য নির্বাচনী প্রচারের অংশ হলেও এর মধ্য দিয়ে শিক্ষক সমাজের পেশাগত মর্যাদা ও কাজের পরিবেশকে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করার চেষ্টা স্পষ্ট। বিজেপির বিরুদ্ধে এই অসন্তোষ কতটা বিস্তৃত এবং তা বিধানসভা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

বিজেপির জন্য বারানসির ফলাফল একটি রাজনৈতিক ধাক্কা হলেও একে রাজ্যজুড়ে দলটির জনপ্রিয়তা হ্রাসের নিশ্চিত প্রমাণ বলা যাবে না। দলটি অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় ধরে রেখেছে। উত্তর ও পশ্চিম উত্তর প্রদেশে তাদের অবস্থানও অক্ষুণ্ন রয়েছে। অর্থাৎ, বিরোধীদের জন্য সুযোগ তৈরি হলেও বিজেপির সাংগঠনিক ভিত্তি এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী। ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফল নির্ভর করবে আরও বিস্তৃত ভোটারগোষ্ঠীর মনোভাব, স্থানীয় প্রার্থী, রাজনৈতিক জোট, নির্বাচনী প্রচার এবং দলগুলোর সংগঠনের ওপর।

বিষয়: নরেন্দ্র মোদিবিধানসভা নির্বাচননির্বাচনবিজেপিলোকসভা নির্বাচনভোটার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ‘আমি তো ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারি না’

  • ২

    বিএনপির ‘ব্যাকফায়ার’ রাজনীতি ও আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ সমাধান

  • ৩

    আবারও বাড়বে এলপি গ্যাসের দাম?

  • ৪

    ঢাকায় জরুরি অবতরণের পর মারা যাওয়া ভারতীয় নারীর মরদেহ হস্তান্তর

  • ৫

    কোন ভাষায় সমালোচনা করলে সরকারি দলের নেতারা ক্ষুব্ধ হবেন না, জানা নেই: মঞ্জু

সম্পর্কিত
  • ডুয়ো আইফোনের পর্দায় ফাটল, বড় পরীক্ষায় অ্যাপল

    ডুয়ো আইফোনের পর্দায় ফাটল, বড় পরীক্ষায় অ্যাপল

    এই পরিস্থিতির গুরুত্ব শুধু একটি নতুন ফোনের প্রযুক্তিগত ত্রুটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অ্যাপলের ব্যবসায়িক সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হলো পণ্যের নির্ভরযোগ্যতা, উন্নত নির্মাণমান এবং ব্যবহারকারীদের আস্থা।

  • ভোটে হেরে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বলসোনারো, ব্রাজিলের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন মোড়?

    ভোটে হেরে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বলসোনারো, ব্রাজিলের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন মোড়?

    এই ঘটনা কেবল একজন পরাজিত রাজনীতিকের দেশত্যাগের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ব্রাজিলের বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে লুলা সরকারের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন।

  • নারীকে কি ‘বস্তু’ হিসেবে দেখেন? আপনার দরকার ইলেকট্রিক শক!

    নারীকে কি ‘বস্তু’ হিসেবে দেখেন? আপনার দরকার ইলেকট্রিক শক!

    নারীদের যৌনবস্তু হিসেবে দেখা বা সেক্সুয়ালি অবজেক্টিফাই করার কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন উদাহরণ প্রায়ই চোখে পড়ে। কখনো নারীকে খাবারের সঙ্গে, কখনো আবার বিভিন্ন পণ্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়। অর্থাৎ, একজন মানুষ হিসেবে তার পরিচয় ও ব্যক্তিত্বকে উপেক্ষা করে আলোচনা হয় কেবল নারীর শারীরিক অবয়ব

  • সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো দল, কী করবেন নেতানিয়াহু?

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো দল, কী করবেন নেতানিয়াহু?

    ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে থাকা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত ১৭ বছরের মধ্যে ১৫ বছরেরও বেশি সময় তিনি দেশটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। সব মিলিয়ে তার প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদ ১৯ বছর।