Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ অক্টোবর, ২০২৬
২৭ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ অক্টোবর, ২০২৬
২৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশেষ প্রতিবেদন

রাকসু: ৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ‘ব্যর্থতার’ খতিয়ান?

আমজাদ হোসেন

আমজাদ হোসেন

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ২৪
রাকসু: ৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ‘ব্যর্থতার’ খতিয়ান?
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। ছবি: চরচা

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে এই এক বছর শেষে বর্ষপূর্তির ক্ষণে দাঁড়িয়ে রাকসুর সফলতা ও ব্যর্থতার হিসাব মেলাতে গিয়ে প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে মতভেদ। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নিজেদের ‘শতভাগ সফল’ দাবি করলেও বিরোধী ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকের কাছে এটি ‘৩৫ বছরের অপেক্ষার পর ব্যর্থতার খতিয়ান’ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি আর বাস্তব কাজের ফারাকে এখন প্রশ্নবিদ্ধ রাকসুর ছাত্র নেতৃত্ব।

Advertisement

রাজশাহীসহ দেশের চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই অধ্যাদেশের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯৫৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়ন (রাসু) নামে প্রথম ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়। পরের বছর একই নামে আরও একটি নির্বাচন হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নাম হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১৫ বার নির্বাচন হয়েছে। সবশেষ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর ১৭তম রাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিবির-সমর্থিত প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। নির্বাচনের ১০ দিন পর ২৬ অক্টোবর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন।

মেয়াদ শেষের ক্ষণে রাকসুর কার্যক্রম ও গত এক বছরের পারফরম্যান্স নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন প্যানেলের প্রতিনিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ ছাত্রনেতারা।

রাকসুর ভিপি ও জিএসের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভru

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট রাবি শাখার আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, “দীর্ঘ ৩৪ বছর পর শিক্ষার্থীরা যে রাকসু পেয়েছিল, তা গণদাবি বাস্তবায়নের বদলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের দলীয় এজেন্ডা পূরণে ব্যবহৃত হয়েছে। শুরু থেকেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে ইসলামিক বা কাওয়ালি ঘরানার আয়োজন করা এবং পাঠচক্রে জামায়াত-শিবির সমর্থিত ব্যক্তিদের অতিথি করে আনা হয়েছে।”

রাতুল বলেন, “অনিয়ম ও দুর্নীতির রিপোর্ট প্রকাশের পর রাকসু কিছু কাজ শুরু করলেও তাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা ছিল না।” সোয়া কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ হলেও তা শিক্ষার্থীদের জন্য বা সাংস্কৃতিক খাতে কী পরিবর্তন এনেছে, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে সফলতার দাবি তুলে রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “বিগত ১৬টি রাকসুর চেয়ে এই এক বছরে রাবির প্রতিটি বিভাগ ও হলে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছে। তাদের নির্বাচনী ইশতেহারও আগের চেয়ে সমৃদ্ধ ছিল এবং তারা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করেছেন।”

তার দাবি, অতীতে ক্ষমতাসীনদের ‘টর্চার সেল, সিট বাণিজ্য, দোকানে ফাও খাওয়া ও টেন্ডারবাজির’ মতো যে অপসংস্কৃতি ছিল, নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে তারা তার একটিও স্পর্শ করেননি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

গণতান্ত্রিক ছাত্র গণমঞ্চের সভাপতি নাসিম সরকার বলেন, “দীর্ঘ অপেক্ষার পর নির্বাচিত এই রাকসু সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোনো ভূমিকাই দেখাতে পারেনি এবং হতাশা ছাড়া কিছুই দেয়নি। তারা একটি নির্দিষ্ট দলীয় প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়ে তাদের নিজস্ব এজেন্ডাই শুধু বাস্তবায়ন করেছে।”

রাকসুতে নির্বাচিতদের মধ্যে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার চেয়ে ‘সন্ত্রাসী মনোভাব’ বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের কার্যকালের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, “এক বছরের মেয়াদে প্রথম পাঁচ মাস তাদের ফান্ড উদ্ধার, ফাইলপত্র বা রেজুলেশন লেখার নিয়ম শিখতেই চলে গেছে, কারণ কোনো পূর্বসূরি প্রতিনিধি ছিলেন না। মূলত সাত মাসের মতো তারা কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। সীমাবদ্ধতার মাঝেও তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন যেন রাকসু প্রাণবন্ত থাকে।”

নানা সময়ে তুমুল আলোচিত-সমলোচিত রাকসুর এই জিএসের দাবি, তার দপ্তরে সমস্যা নিয়ে আসা কোনো শিক্ষার্থীকেই তিনি খালি হাতে বা সাহায্য ছাড়া পাঠাননি। এছাড়া ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক বা মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়াটাকেও তিনি একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখেন।

আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কলার ধরে টেনে বেঁধে রাখা হবে: রাকসু জিএসRU

রাকসুর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়া প্রসঙ্গে রাবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু বলেন, “এটি শিক্ষার্থীদের হতাশা ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি। নির্বাচনে দেওয়া চটকদার ম্যানিফেস্টো বা রোডম্যাপের কিছুই তারা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। বরং ক্যাম্পাসজুড়ে শিবিরের আধিপত্য বিস্তার, বড় পরিসরে ভুরিভোজ ও গ্র্যান্ড ইফতারের মতো একবেলার কিছু কর্মসূচি দিয়েই তারা সীমাবদ্ধ ছিল।”

জুলাই ২৬ হলের সুপ্রভা স্বতন্ত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “শিবিরের দলীয় প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় বহু ক্ষেত্রে তারা তাদের নিজেদের এজেন্ডাই চাপিয়ে দিয়েছে।”

সুপ্রভা বলেন, স্বতন্ত্র প্রতিনিধি হিসেবে নিজের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তাকে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি পূরণ করতে পারেননি। তবে রাকসুর কিছু কাজ অবশ্যই হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাবি শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘ ৩৫-৩৬ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা অধিকার ফিরে পাওয়ার অনেক বড় আশা করেছিল। কিন্তু নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নিজেদের এক গাদা ইশতেহারের মধ্যে ২০-২৫ শতাংশের বেশি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তারা শিক্ষার্থীদের মূল দাবি ও মৌলিক চাহিদা পূরণে নজর না দিয়ে শুধু তাদের দলের স্বার্থে কাজ করে গেছে।”

ছবি: চরচা
ছবি: চরচা

রাকসুর কার্যক্রমকে ‘সফলতা ও সীমাবদ্ধতার মিশ্রণ’ হিসেবে অভিহিত করে আরেক শিক্ষার্থী তানজিমুল হক বলেন, “নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাকসুর নিজস্ব পুরো স্বাধীনতা থাকে না, প্রশাসনের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে হলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিতর্ক ক্লাব ও খেলাধুলার মতো কিছু ভালো কাজ তারা করেছে। বিপরীতে সাংস্কৃতিক, বিজ্ঞান ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকদের কোনো দৃশ্যমান কাজ বা কার্যক্রম চোখে পড়েনি।”

রাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বপ্না আক্তার রাকসুর প্রতিনিধিদের সম্পূর্ণ ‘ব্যর্থ’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “১২ মাসে ২৪টি চটকদার ইশতেহার দিয়ে তারা মিথ্যা আশ্বাস ছড়িয়েছে। রাবিকে শতভাগ আবাসিক করা কিংবা অনাবাসিকদের ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কোনোটিই তারা পূরণ করতে পারেনি।”

প্রশাসনের করা কাজের ক্রেডিট নেওয়া এবং নির্বাচনে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি না করার কথা বলে জয়ী হয়ে পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনে একটি নির্দিষ্ট দলের প্রচারণা করার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

আরেক শিক্ষার্থী কাজী মামুন হায়দার বলেন, “নির্বাচন পরবর্তী দীর্ঘদিনের মূল চাওয়া ও মৌলিক সমস্যাগুলো অলক্ষ্যে রয়ে গেছে। বিশেষ করে হলের ডাইনিংয়ের খাবারের মানোন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের সেবার মান উন্নত হয়নি- যেখানে যেকোনো সমস্যায় শুধু ‘প্যারাসিটামল’ পাওয়া যায় বলে শিক্ষার্থীরা রসিকতা করে এটিকে ‘নাপা সেন্টার’ বলেন। মৌলিক চাহিদা, ক্লাসরুমের পরিবেশ ও শিক্ষা ব্যবস্থার যে প্রতিশ্রুতি ইশতেহারে ছিল, তার প্রতিফলনে শিক্ষার্থীরা এখনো চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়েই যাচ্ছেন।”

বিষয়: শিক্ষার্থীছাত্রদলশিবিররাজশাহীরাকসু নির্বাচন ২০২৫
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল

  • ২

    চলতি বছরে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু

  • ৩

    লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি অভিবাসী

  • ৪

    কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, নিহত বেড়ে ২

  • ৫

    হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৫

সম্পর্কিত
  • সরকারি সিকিউরিটিজে ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো, শঙ্কা কোথায়?

    সরকারি সিকিউরিটিজে ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো, শঙ্কা কোথায়?

    সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে দেশের ব্যাংকগুলো। খেলাপি ঋণের ঝুঁকি এবং বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কম থাকায় ব্যাংকগুলোর কাছে এসব সিকিউরিটিজ ধীরে ধীরে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। এতে তুলনামূলক নিরাপদ আয়ের সুযোগ তৈরি হলেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ও নতুন বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থনী

  • শিক্ষাক্রমে বদল: অন্য দেশের অভিজ্ঞতা কী?

    শিক্ষাক্রমে বদল: অন্য দেশের অভিজ্ঞতা কী?

    স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাক্রমে সাতবার বড় পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিবারই দেখা গেছে, দেশে কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন হলে অবধারিতভাবেই বদলে যায় শিক্ষানীতি। শিক্ষানীতি বা পাঠক্রমে বদল অন্য দেশেও হয়। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংযোগ যতটা না থাকে, তারচেয়ে বেশি থাকে নতুন প্রযুক্তি

  • ব্যাংকের সিএসআর: টাকা কোথায় যায়, নীতিমালা থাকলেও মানছে কতটা?

    ব্যাংকের সিএসআর: টাকা কোথায় যায়, নীতিমালা থাকলেও মানছে কতটা?

    দেশের ব্যাংকগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর তহবিলের অর্থ প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

  • নারীর প্রতি সহিংসতা কতটা ঠেকাতে পারছে ৯৯৯?

    নারীর প্রতি সহিংসতা কতটা ঠেকাতে পারছে ৯৯৯?

    রাজধানীর উত্তরার বাসিন্দা নাজমা আক্তার। শাশুড়ি ও জায়ের সঙ্গে পারিবারিক মনোমালিন্য থেকে একদিন বাগবিতণ্ডা, পরে মারধরের শিকার হন তিনি। নির্যাতনের শিকার হয়ে সাহায্য চেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন নাজমা। তার কল পেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে পুলিশও আসে। কিন্তু যে প্রতিকার পাওয়ার আশায় তিনি জরুরি