রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) মোস্তাক-আম্মারের প্যানেলের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রাবি শাখা ছাত্রদল।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়।
পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবন-১-এর সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন নেতা-কর্মীরা।
মিছিলে রাকসুর নেতাদের বিরুদ্ধে ‘ক্যাম্পাসের নতুন চোর, রাকসু তুই টাকা চোর’, ‘হৈহৈ রৈরৈ, আমার টাকা গেলো কই’, ‘ভিপির বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন, জিএসের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আম্মারের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আমার টাকা গেলো কই, রাকসু তুই জবাব দে’, ‘গলি গলি মে চোর হ্যায়, রাকসু তু চোর হ্যায়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।
সমাবেশে রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, “রাকসুর বিভিন্ন সম্পাদকের কাছে টাকার হিসাব জানতে চাওয়া হলে তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছেন। রাবি প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, অনতিবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের টাকা যারা আত্মসাৎ করেছে, তাদের কাছ থেকে সেই টাকা উদ্ধার করে শিক্ষার্থীদের ফেরত দিতে হবে। আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আগামী রোববার উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করব।”
সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, “রাজশাহী সিটি করপোরেশনে একসময় একজন মেয়র ছিলেন। তিনি ৪০ জন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে আলিবাবার চল্লিশ চোরের মতো লুটপাট করেছিলেন। আমরা জানতে চাই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসুর নেতাদের এক বছরের মধ্যে এত টাকা কীভাবে দেওয়া হলো? আমরা তাকে বলতে চাই, আপনি যদি আলিবাবা হতে চান, তাহলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চল্লিশ চোর কোথায়? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ চোর নেই, এখানে ১০ চোর রয়েছে। তাদের নেতা এই জিএস সন্ত্রাসী সালাহউদ্দীন আম্মার।”
সোহাগ আরও বলেন, “আলিবাবার চল্লিশ চোরকে সরাতে যেমন সময় লাগেনি, তেমনি এই ১০ চোরকেও সরাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সময় লাগবে না।”
বিক্ষোভ মিছিলে শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের দুই শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।