
গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।

উপ-রেজিস্ট্রারের দাড়ি ধরে টানাটানি, ৬ ডিনকে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানো, বেলচা হাতে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ঢোকার চেষ্টা, পাঠকক্ষে ঢুকে শিক্ষার্থীকে মারধর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনবরত হুমকি-ধমকি—এসবই করছেন এক ছাত্রনেতা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জেরবার, কিন্তু রহস্যজনকভাবে নিশ্চুপ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে দফায় দফায় মারধরের ঘটনায় রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এজিএস এস এম সালমান সাব্বিরসহ ৯ জন রাকসু প্রতিনিধি ও শিবির নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে ঘিরে গত কয়েক মাসে একাধিক বিতর্কিত ঘটনা সামনে এসেছে। আম্মারকে নিয়ে যত বিতর্ক, আম্মার কী বলেছেন, আম্মারকে নিয়ে রাকসুর সাবেকরা কী বলছেন?

এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্ক উল্লেখ করে, গত সোমবার রাকসুর জি.এস সালাহউদ্দিন আম্মার ও শিবির নেতারা ইতিহাস বিভাগের মো. আনাস এবং সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসান নামের দুই শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারাত্মকভাবে পিটিয়ে আহত করেন।

ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী আনাস ও মাহমুদুল হাসানকে ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, “আমাদের রাকসু ভবনে গিয়ে মারধর করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। প্রশাসনকে আমরা ছাত্রলীগের ওই নেতাকে পুলিশে দেওয়ার আহ্বান জানাই। তবে তারা তাকে কিছুই করেনি। আমাদের উপরে হামলার পরে বাধ্য হয়ে আমাদের এখানে আসতে হলো।”

আমরা কি কেবল ভবন তুলব, নাকি ভবিষ্যৎ গড়ব? ক্ষমতায় ময়দান বানাবো নাকি জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র বানাব? উত্তর পেতেই হবে। অন্যথা নয়। কারণ সত্যটি নির্মম–বিশ্ববিদ্যালয় দুর্বল হলে, জাতিও দুর্বল হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটসংলগ্ন আমতলা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগ এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত হলেও এখানে কোনো তদারকি নেই। দ্রুত সংরক্ষণ না করা হলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি একসময় পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্প অফিসার গাজিউর রহমান মোথা ছাড়া কাটিং পদ্ধতিতে বাঁশের চারা উৎপাদন শুরু করছেন। ভিডিও: মো. আমজাদ হোসেন

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের প্রাধান্য দিয়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়োগ চলাকালীন স্বজনপ্রীতিসহ আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়।

এক সময় গ্রাম বাংলর মেঠোপথগুলোতে ছিল গরুর গাড়ির দাপট। এখন সেই ঐতিহ্যবাহী বাহনের প্রচলন নেই বললেই চলে। তবে উত্তরবঙ্গের গরুর গাড়িকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করিয়ে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে নিজ কক্ষের ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন লামিসা। পরে মেসের অন্য ছাত্রীরা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভিডিও: মো. আমজাদ হোসেন

শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের দ্বারা লাঞ্ছিত হচ্ছেন কেন? শিক্ষার্থীরা চাইলেই কি শিক্ষকদের জবরদস্তিমূলক পদচ্যুত করতে পারে? নির্বাচিত শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা শিক্ষকদের ওপর চড়াও হচ্ছে কেন? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক–শিক্ষার্থী সম্পর্ক কেমন? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ ডিনের পদত্যাগ, কী ভাবছেন শিক্ষক নেতারা?

নিরাপত্তা আশঙ্কার কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণার পর শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে পুনরায় একাডেমিক কাজে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক কাজী জাহিদ।

বেশকিছু রাজনৈতিক নেতাদের সমলোচনা করে সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, “২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ক্যাম্পাসে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোঝা হতে চান না”।

সংশ্লিষ্ট ডিনদের পদের মেয়াদ গত বছর ১৭ ডিসেম্বরই শেষ হয়েছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রুটিন দায়িত্ব পালনে অপারগতা জানিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ডিনরা।