চরচা ডেস্ক

হরমুজ প্রণালির কাছে কেশম দ্বীপে ইরানের একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে তেহরান।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ওই অঞ্চলে একটি মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, “মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের সব হামলাই ব্যর্থ হয়েছে।”
আজ বুধবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে কুয়েত ও বাহরাইনে এসব হামলার খবর পাওয়া গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন।
এক বিবৃতিতে কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, মাঝরাতে কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছিল, তবে সেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি। আকাশ প্রতিরক্ষা সিস্টেমের মাধ্যমে আঘাত হানার আগেই সেগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।
তবে কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনী বিবৃতি দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা বার্তায় এ বিবৃতিকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে আইআরজিসি বলেছে, কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের অন্তত ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আঘাত হেনেছে।
এদিকে কুয়েতের পাশাপাশি প্রায় একই সময়ে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ্য করেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঘটেছে বলে জানা গেছে, কিন্তু দেশটির সেনবাহিনী এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
তবে সেন্টকম জানিয়েছে, বাহরাইনের দিকে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও বাহরাইনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কেশম দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সামরিক ‘যোগাযোগ টাওয়ারে’ হামলা চালিয়েছে। হরমুজ প্রণালির কাছে এটি ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।
এর জবাবে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

হরমুজ প্রণালির কাছে কেশম দ্বীপে ইরানের একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে তেহরান।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ওই অঞ্চলে একটি মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, “মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের সব হামলাই ব্যর্থ হয়েছে।”
আজ বুধবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে কুয়েত ও বাহরাইনে এসব হামলার খবর পাওয়া গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন।
এক বিবৃতিতে কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, মাঝরাতে কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছিল, তবে সেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি। আকাশ প্রতিরক্ষা সিস্টেমের মাধ্যমে আঘাত হানার আগেই সেগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।
তবে কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনী বিবৃতি দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা বার্তায় এ বিবৃতিকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে আইআরজিসি বলেছে, কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের অন্তত ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আঘাত হেনেছে।
এদিকে কুয়েতের পাশাপাশি প্রায় একই সময়ে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ্য করেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঘটেছে বলে জানা গেছে, কিন্তু দেশটির সেনবাহিনী এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
তবে সেন্টকম জানিয়েছে, বাহরাইনের দিকে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও বাহরাইনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কেশম দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সামরিক ‘যোগাযোগ টাওয়ারে’ হামলা চালিয়েছে। হরমুজ প্রণালির কাছে এটি ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।
এর জবাবে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।