Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

মধ্যপ্রাচ্যকে পানিতে মারবে ইরান?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১৬: ০১
মধ্যপ্রাচ্যকে পানিতে মারবে ইরান?

কুয়েত অভিযোগ করেছে, ইরান আবার তাদের পানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এ ধরনের হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুষ্ক আবহাওয়া ও কম বৃষ্টিপাতের কারণে এসব দেশে প্রাকৃতিক মিঠা পানির উৎস খুবই সীমিত। তাই ভূগর্ভস্থ পানির পাশাপাশি সমুদ্রের লবণাক্ত পানি পরিশোধন করে পানযোগ্য করার ওপরই তাদের অনেকটা নির্ভর করতে হয়।

গালফ রিসার্চ সেন্টারের ২০২০ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের মোট প্রধান পানির উৎসের প্রায় ৯০ শতাংশই আসে ভূগর্ভস্থ পানি ও লবণমুক্ত করা সমুদ্রের পানি থেকে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির মান ও পরিমাণ কমে যাওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উপসাগরীয় দেশগুলো সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করার কারখানার (ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট) ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান বলছে, ইরানের হামলার কারণে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং ওমানের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর এসব পানি অবকাঠামোগুলো ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংসের হুমকি কেন দিচ্ছে ইরানusa-israel attack on iran

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কুয়েত পর্যন্ত উপসাগরের উপকূলে ৪০০টির বেশি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট রয়েছে। এগুলো বিশ্বের সবচেয়ে পানিসংকটপূর্ণ এই অঞ্চলটির কোটি মানুষের পানির চাহিদা পূরণ করে।

২০২৩ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) ছয়টি দেশ বিশ্বের মোট লবণমুক্ত পানি উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৬০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। আর বিশ্বে উৎপাদিত মোট লবণমুক্ত পানির প্রায় ৪০ শতাংশ এসব দেশেই উৎপাদিত হয়।

সৌদি আরবের ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট। ফাইল ছবি: রয়টার্স
সৌদি আরবের ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট। ফাইল ছবি: রয়টার্স

দেশভেদে পানির জন্য ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরশীলতার হারও অনেক বেশি। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪২ শতাংশ, কুয়েতে ৯০ শতাংশ, ওমানে ৮৬ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৭০ শতাংশ পানি আসে এসব প্ল্যান্ট থেকে। বিশ্বের মধ্যে সৌদি আরবই সবচেয়ে বেশি লবণমুক্ত পানি উৎপাদন করে।

ইরানও উপসাগরীয় উপকূলের কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট ব্যবহার করে। তবে দেশটিতে অনেক নদী ও বাঁধ থাকায় কুয়েত, সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের ওপর ইরানের নির্ভরতা তুলনামূলকভাবে কম।

গত মার্চে ইরানের একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে বাহরাইন, কুয়েতের প্ল্যান্টে হামলা করে ইরান।

বাহরাইন-কুয়েতে ৮৫ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলাiran-war

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্ল্যান্টগুলো অকেজো করে দিলে বেসামরিক জনগণের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে এবং সরাসরি জনগণের ওপর হামলা না করেও একটি দেশে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টির এটি একটি কার্যকর উপায়। এছাড়া এটি শিল্পকারখানার জন্যও বিধ্বংসী হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাসসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি শিল্পগুলো পানি শোধনাগারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

অধিকাংশ উপসাগরীয় দেশের কাছে মাত্র এক সপ্তাহের মতো পানি মজুত থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি কোনো একটি প্ল্যান্টে আঘাত হানা হয় এবং উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হয়, তবে এর প্রভাব হবে দ্রুত ও তীব্র। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে বড় বড় শহরগুলোতে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ঠান্ডা রাখার জন্য এই শোধিত পানির প্রয়োজন হয়, তাই পানি বন্ধ হলে বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হবে। এটি স্বাস্থ্যসেবা ও হাসপাতাল পরিচালনাকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং পানি সংকট চলাকালীন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য করবে।

বিষয়: সংঘাতসৌদি আরবকুয়েতহামলাইরানমধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাষ্ট্রআরব আমিরাতপানি
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।