Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

সাধারণ নির্বাচন ছাড়া কীভাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে যুক্তরাজ্য

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ১৯: ৪৭
সাধারণ নির্বাচন ছাড়া কীভাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যে কোনো সাধারণ নির্বাচন ছাড়াই স্থানীয় সময় আগামী সোমবার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন লেবার পার্টির নেতা ও গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবার পার্টির ৪০১ জন আইন প্রণেতার মধ্যে ৩৪৯ জনের সমর্থন পেয়ে বার্নহ্যাম ক্ষমতাসীন দলটির নেতা নির্বাচিত হন। পার্লামেন্টে লেবার পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির নেতারাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী হন।

গত শুক্রবার একটি দলীয় সম্মেলনে বার্নহামকে লেবার পার্টির নেতা হিসেবে নিশ্চিত করা হলেও আগামী সোমবার বাকিংহাম প্যালেসে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সাথে সাক্ষাতের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যভার গ্রহণ করবেন। এর আগ পর্যন্ত স্টারমার অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সাধারণ নির্বাচন কেন নয়?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট শাসনব্যবস্থার অধীনে ক্ষমতাসীন দল সাধারণ নির্বাচন না ডেকেই তাদের মেয়াদকালে দলের নেতা পরিবর্তন করতে পারে। যদি ক্ষমতাসীন দলের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে, তবে তাদের নতুন নেতাই প্রধানমন্ত্রী হন।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের জাতীয় ভোটের পাঁচ বছর পরে পরবর্তী যুক্তরাজ্য সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা নয়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দুই বছরেরও কম সময় দায়িত্ব পালনের পর গত ২২ জুন স্টারমার লেবার পার্টির নেতা পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

কিছু রাজনৈতিক বিতর্কের পর তার নেতৃত্ব চাপের মুখে পড়ে। যার মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা এক ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার নিয়োগের বিষয়টি সবার চোখে আসে।

গত মে মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির খারাপ ফলাফলও দলীয় আইনপ্রণেতাদের পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবিকে জোরালো করে তোলে। পরবর্তীতে বার্নহাম একটি পার্লামেন্টের উপ-নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর এই চাপ আরও বৃদ্ধি পায়। যা দলের নেতৃত্বভার গ্রহণের ক্ষেত্রে তার সমর্থনকে আরও শক্তিশালী করে।

লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী যদি এক-পঞ্চমাংশ লেবার আইনপ্রণেতার সমর্থন পান, তবেই নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বার্নহামই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন যিনি এই শর্ত পূরণ করতে পেরেছিলেন।

১০ বছরে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী

গত এক দশকের মধ্যে বার্নহ্যাম যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। সাধারণ নির্বাচন ছাড়াই নেতৃত্ব পরিবর্তন যুক্তরাজ্যের সংসদীয় ব্যবস্থায় একটি সাধারণ বিষয়। সাবেক কনজারভেটিভ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রাস ও ঋষি সুনাকসহ সবাই জাতীয় নির্বাচনের পরিবর্তে দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

নেতৃত্বের এই ঘন ঘন পরিবর্তন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে দেশটির বিদায়ের (ব্রেক্সিট) পর ব্রিটিশ রাজনীতিতে একটি অস্থির সময়কে চিহ্নিত করে।

আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা হস্তান্তর

নেতৃত্বের এই পরিবর্তন যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সম্পন্ন হবে। আগামী সোমবার স্টারমার একটি বিদায়ী বক্তব্য দেবেন এবং এরপর বাকিংহাম প্যালেসে যাবেন।

সেখানে তিনি রাজা চার্লস তৃতীয়ের সাথে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিবেন।এরপর বার্নহাম রাজার সাথে দেখা করবেন। রাজা তাকে নতুন সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। এই অনুষ্ঠানটি ঐতিহ্যগতভাবে ‘কিসিং অব হ্যান্ডস’ নামে পরিচিত।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিট। ছবি: রয়টার্স
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিট। ছবি: রয়টার্স

বৈঠক শেষে বার্নহাম ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে যাবেন। যেখানে দেশের নতুন নেতা হিসেবে তিনি তার প্রথম ভাষণ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পুরো ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং এটি যুক্তরাজ্যজুড়ে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীযুক্তরাজ্যব্রিটেনরাজানির্বাচনরাজনীতিসংবিধান
সর্বশেষ
  • ১

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ২

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ৩

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৪

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৫

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।