চরচা ডেস্ক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) হয়ে গেল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ‘সিএসই কার্নিভাল’। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিকাশের সহযোগিতায় দুই দিনের এ আয়োজন করা হয়।
তরুণ প্রোগ্রামার, উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশ, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ কার্নিভাল আয়োজন করা হয়।
দেশের ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২০টি দল অংশ নেয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০টি দল হ্যাকাথনে অংশ নিয়ে বাস্তবসম্মত প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় বুয়েটের ‘সিলভার হকস’ টিম এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয় বুয়েটের ‘সুপারনোভা’ এবং রুয়েটের ‘জ্যোতি চাষী’ টিম। একইভাবে হ্যাকাথন প্রতিযোগিতায় সেরা হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘জিএনজি’ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয় বুয়েটের ‘নেক্সাস’ ও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘আরেকটা টিম’।
শেষ দিনে বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. আবদুল্লাহ আল মামুন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) হয়ে গেল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ‘সিএসই কার্নিভাল’। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিকাশের সহযোগিতায় দুই দিনের এ আয়োজন করা হয়।
তরুণ প্রোগ্রামার, উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশ, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ কার্নিভাল আয়োজন করা হয়।
দেশের ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২০টি দল অংশ নেয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০টি দল হ্যাকাথনে অংশ নিয়ে বাস্তবসম্মত প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় বুয়েটের ‘সিলভার হকস’ টিম এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয় বুয়েটের ‘সুপারনোভা’ এবং রুয়েটের ‘জ্যোতি চাষী’ টিম। একইভাবে হ্যাকাথন প্রতিযোগিতায় সেরা হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘জিএনজি’ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয় বুয়েটের ‘নেক্সাস’ ও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘আরেকটা টিম’।
শেষ দিনে বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. আবদুল্লাহ আল মামুন।

সিএসআর পার্টনার হিসেবে দায়িত্বশীল ব্যাংকিং চর্চা ও সামাজিক উন্নয়নে ঢাকা ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে নিয়ে এসে এমন মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য স্মাইল এশিয়াকে অভিনন্দন জানান ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।