চরচা প্রতিবেদক

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, পল্লবী থানার একটি মামলায় মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পল্লবী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির চরচাকে বলেন, “সাহেদের বিরুদ্ধে আদালতের একটি নালিশি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পল্লবী থানা থেকে আমরা রিকুইজিশন দিয়েছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। দ্রুতই তাকে আদালতে হাজির করা হবে।”
করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষার জালিয়াতির ঘটনায় ২০২০ সালে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ। ওই বছরের ৬ জুলাই র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে পরীক্ষা ছাড়াই করোনার ভুয়া সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে একই বছরের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন তিনি কারাগারে ছিলেন।

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, পল্লবী থানার একটি মামলায় মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পল্লবী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির চরচাকে বলেন, “সাহেদের বিরুদ্ধে আদালতের একটি নালিশি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পল্লবী থানা থেকে আমরা রিকুইজিশন দিয়েছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। দ্রুতই তাকে আদালতে হাজির করা হবে।”
করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষার জালিয়াতির ঘটনায় ২০২০ সালে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ। ওই বছরের ৬ জুলাই র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে পরীক্ষা ছাড়াই করোনার ভুয়া সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে একই বছরের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন তিনি কারাগারে ছিলেন।