চরচা ডেস্ক

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে কিলিয়ান এমবাপ্পে এগিয়ে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসির থেকে। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ফরাসি তারকাকে আর পেছনে ফেলতে পারলেন না আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ফলে ইতিহাসে প্রথমবারের মত টানা দুইবার গোল্ডেন বুট জেতার অনন্য কীর্তি গড়েছেন এমবাপ্পে। সঙ্গে অন্তত চার বছরের জন্য রয়ে গেলেন বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলস্কোরারও।
এমবাপ্পে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন ৮ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০ গোল আর ৪ এসিস্ট নিয়ে। আর মেসির গোল ৮টি, এসিস্ট ৪টি।
এমবাপ্পে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছিলেন ৭ গোল নিয়ে। নকআউট পর্বের আগে মেসির গোলসংখ্যাও ছিল সমান ৭। আর্লিং হালান্ডও ৭ গোল নিয়ে ছিলেন লড়াইয়ে।
তবে শেষ আট থেকে ৭ গোল নিয়ে হালান্ডের বিদায়ের পর গত বিশ্বকাপের মত এবারও গোল্ডেন বুটের জন্য লড়েন মেসি ও এমবাপ্পে। দুজনেই সমানে সমান তাল মিলিয়ে সেমিফাইনালে যান ৮ গোল নিয়ে।
সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে এমবাপ্পে গোল পাননি। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই গোল করে মেসির চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে যান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ফাইনালে তাই কমপক্ষে দুই গোল তাই করতেই হত মেসিকে। সেটা না হওয়ায় গোল্ডেন বুট পেয়ে গেছেন এমবাপ্পে।
এছাড়া বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও এমবাপ্পের পেছনে থেকেই ক্যারিয়ার শেষ করেছেন মেসি। এবারের আসরের ১০ গোলের সঙ্গে আগের দুই আসর মিলিয়ে ফ্রান্স অধিনায়কের গোল ২১টি। আর মেসি থামলেন দ্বিতীয় স্থানে থেকে, ২০ গোল নিয়ে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে কিলিয়ান এমবাপ্পে এগিয়ে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসির থেকে। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ফরাসি তারকাকে আর পেছনে ফেলতে পারলেন না আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ফলে ইতিহাসে প্রথমবারের মত টানা দুইবার গোল্ডেন বুট জেতার অনন্য কীর্তি গড়েছেন এমবাপ্পে। সঙ্গে অন্তত চার বছরের জন্য রয়ে গেলেন বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলস্কোরারও।
এমবাপ্পে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন ৮ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০ গোল আর ৪ এসিস্ট নিয়ে। আর মেসির গোল ৮টি, এসিস্ট ৪টি।
এমবাপ্পে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছিলেন ৭ গোল নিয়ে। নকআউট পর্বের আগে মেসির গোলসংখ্যাও ছিল সমান ৭। আর্লিং হালান্ডও ৭ গোল নিয়ে ছিলেন লড়াইয়ে।
তবে শেষ আট থেকে ৭ গোল নিয়ে হালান্ডের বিদায়ের পর গত বিশ্বকাপের মত এবারও গোল্ডেন বুটের জন্য লড়েন মেসি ও এমবাপ্পে। দুজনেই সমানে সমান তাল মিলিয়ে সেমিফাইনালে যান ৮ গোল নিয়ে।
সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে এমবাপ্পে গোল পাননি। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই গোল করে মেসির চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে যান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ফাইনালে তাই কমপক্ষে দুই গোল তাই করতেই হত মেসিকে। সেটা না হওয়ায় গোল্ডেন বুট পেয়ে গেছেন এমবাপ্পে।
এছাড়া বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও এমবাপ্পের পেছনে থেকেই ক্যারিয়ার শেষ করেছেন মেসি। এবারের আসরের ১০ গোলের সঙ্গে আগের দুই আসর মিলিয়ে ফ্রান্স অধিনায়কের গোল ২১টি। আর মেসি থামলেন দ্বিতীয় স্থানে থেকে, ২০ গোল নিয়ে।