Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২০ অক্টোবর, ২০২৬
২০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২০ অক্টোবর, ২০২৬
২০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

জেন-জি’দের কেন বশে আনতে পারছে না মোদি সরকার

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯: ১০
জেন-জি’দের কেন বশে আনতে পারছে না মোদি সরকার
মোদি সরকারের দমন-পীড়নের কোন কৌশলই জেন-জিদের দমাতে পারছে না। ছবি: রয়টার্স

মাইক্রোফোন মুখের সামনে ঠেলে ধরতেই গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে নিজেদের বক্তব্য দিতে শুরু করেন তরুণেরা। কিন্তু কথা শেষ হওয়ার আগেই তাদের নিয়ে দ্রুত ছুটে যায় পুলিশের ভ্যান। একজন তরুণ যেন পরিস্থিতিকে নিয়তি হিসেবেই মেনে নিয়ে বললেন, “এখন প্রতিবাদ করার একমাত্র উপায় হলো, গিয়ে আটক হওয়া।”

Advertisement

১০ অক্টোবর দিল্লির আকাশে উড়ছিল ড্রোন। নিচে অস্বাভাবিক নীরব শহরের রাস্তায় টহল দিচ্ছিলেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী। রাজধানীর কিছু এলাকা প্রায় জনশূন্য। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে বহু বছরের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপক অভিযান দেখল ভারতীয় রাজধানী।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ক্ষমতায় ১২ বছর কাটানোর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে। দমন-পীড়নের কৌশলও যাদের দমাতে পারছে না।

গত জুলাইয়ে নতুন গড়ে ওঠা তরুণদের আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) দুর্নীতিগ্রস্ত পরীক্ষাব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের দুরবস্থার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ করে। শেষ পর্যন্ত তাদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী। মিম আর প্ল্যাকার্ডে প্রকাশ্যে বিদ্রূপের শিকার হন নরেন্দ্র মোদি। তার জন্য যা ছিল এক নতুন অভিজ্ঞতা। কারণ, এই তরুণদের বড় একটি অংশ অন্য কোনো প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতায় দেখেইনি।

মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্রindia-Protest

এবার ভোটব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনরোষের ঢেউয়ে ভর করে মাঠে নেমেছে সিজেপি। দলটির অভিযোগ, ভোটব্যবস্থায় কারচুপি হচ্ছে।

তবে এবার বিক্ষোভ মোকাবিলায় আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল কর্তৃপক্ষ। দিল্লিতে নির্ধারিত সমাবেশে নেতৃত্ব দিতে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ও তার দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী বিমানবন্দরে নামতেই তাদের তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা-ও জানানো হয়নি।

সেদিন আটক হওয়া প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীর অধিকাংশই রাতের মধ্যে মুক্তি পান। কিন্তু এই তিন ‘ককরোচকে’ আটকে রাখা হয় ২৪ ঘণ্টা।

মধ্য দিল্লির পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছিল, অবরুদ্ধ কোনো শহর। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল প্রবেশপথগুলো, ইন্টারনেট সংযোগে বিঘ্ন ঘটানো হয়, তালাবদ্ধ রাখা হয় মেট্রোর ৪৫টি স্টেশন। লাউডস্পিকারে বারবার প্রচার করা হচ্ছিল সতর্কবার্তা।

জেন-জি স্টাইলে মোদি, কতটা সফল বিজেপির নতুন ডিজিটাল কৌশল?modi

পুলিশের মারধরে আহত হন বিরোধী দলের নেতারা। কিছুক্ষণের জন্য আটক করা হয় সাংবাদিক ও আইনজীবীদেরও। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট বিক্ষোভ শুরু হচ্ছিল অনেকটা হঠাৎ করে গড়ে ওঠা জনসমাবেশের মতো। কিন্তু লাঠি হাতে পুলিশ এসে সেগুলো ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছিল।

২২ বছর বয়সী মহক বলেন, “ওরা আমাদের এমনভাবে তাড়া করছিল, যেন আমরা ইঁদুর।” তিন ঘণ্টা পুলিশের ভ্যানে আটকে থাকতে হয়েছিল তাকে। এ সময় পুলিশ তাকে ‘দেশবিরোধী’ বলে আখ্যা দেয়। আবার বিক্ষোভে অংশ নিলে তার ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

বিজেপিকে সুবিধা দিতে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ করছেন লোকজন। ছবি: রয়টার্স
বিজেপিকে সুবিধা দিতে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ করছেন লোকজন। ছবি: রয়টার্স

সপ্তাহান্তে ‘ককরোচ’ জনতা পার্টির বিক্ষোভকারীদের দমন করা হলেও আন্দোলন থেমে থাকেনি। ১২ অক্টোবর ভারতের আনুষ্ঠানিক বিরোধী জোট কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে একটি পদযাত্রার আয়োজন করে। এতে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। সামনে আরও বিক্ষোভের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের দাবিও স্পষ্ট। ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ভোটার যাচাই অভিযান বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে সেই আইনও প্রত্যাহার করতে হবে, যার ফলে কার্যত নরেন্দ্র মোদি তাকে বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।

ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?Modi and the Cockroach Party Protest-

গত এক বছরে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইএর) অভিযানে বাদ পড়েছে ১৩ কোটিরও বেশি নাম। এর মধ্যে অনেক নাম বাদ দেওয়া হয়েছে যথার্থ কারণেই, কারণ সেগুলো ছিল একই ব্যক্তির একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত নাম কিংবা মৃত ব্যক্তিদের নাম। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নাম বাদ পড়েছে ভুলভাবে।

সরকারের মতো নির্বাচন কমিশনও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপির মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর দাবি, পুলিশি অনুমতি না পাওয়া এই বিক্ষোভ বারবার নির্বাচনে পরাজিত হওয়া ব্যক্তিদের লোকদেখানো কৌশল। ১৯৭০-এর দশকে ইন্দিরা গান্ধীর আমলে জরুরি অবস্থা জারি করে গণতন্ত্র স্থগিত করার ঘটনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনাও নাকচ করেছেন তিনি। তার ভাষায়, “এটি জরুরি অবস্থা নয়, এটি স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।”

দীর্ঘদিন ধরে কার্যত নিষ্ক্রিয় ভারতের বিরোধী শিবিরের কাছে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগে আয়োজিত এসব সমাবেশ গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র রক্ষার লড়াই। অনেক বিক্ষোভকারী ক্ষুব্ধ, কারণ তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা মনে করেন। আর অন্যরা হাতে সংবিধানের কপি নিয়ে তাদের পক্ষে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

তবে এসব পদযাত্রায় প্রকাশ পাচ্ছে, বছরের পর বছর ধরে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে জমে থাকা আরও বিস্তৃত অসন্তোষও। সমাবেশে অংশ নেওয়া মানুষেরা কথা বলছেন শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থা, কর্মসংস্থান না বাড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নারীর নিরাপত্তা, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে উদ্বেগের কথা।

নিজ দেশেই কেন নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে ভারতীয়দের?india

এ বছরের বিক্ষোভ থেকে উঠে এসেছেন মহকের মতো নতুন এক প্রজন্মের নাগরিক। গভীর রাতে ইনস্টাগ্রামে একের পর এক পোস্ট দেখতে দেখতে আকস্মিকভাবেই সিজেপির সন্ধান পান তিনি। জুলাইয়ে দলটির সমাবেশ দেখতে গিয়ে পুলিশের লাঠির আঘাতের শিকার হন মহক। ততদিনে সরকার একজন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সমালোচক তৈরি করে ফেলেছে।

মহক বলেন, “ঘটনাটি আমাকে ভীষণ ক্ষুব্ধ করেছে। এখন আমি কোনো একটি সংগঠনে যোগ দেব এবং আন্দোলন সংগঠিত করতে শুরু করব।”

পুলিশে নির্যাতনের পরেও আন্দোলনকারীরা পিছু হটতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ছবি: রয়টার্স
পুলিশে নির্যাতনের পরেও আন্দোলনকারীরা পিছু হটতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ছবি: রয়টার্স

নতুন গড়ে ওঠা ‘ককরোচ’ আন্দোলন এবং ভারতের প্রতিষ্ঠিত বিরোধী দলগুলো, উভয় পক্ষই নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে। তবে সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং আপাতত তার পাশে থাকা প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনের কারণে জ্ঞানেশ কুমারকে কার্যত পদ থেকে সরানো কঠিন।

‘ককরোচ’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের কাছে বিক্ষোভ দমনে সরকারের এই তৎপরতা ইঙ্গিত দেয়, তাদের আড়াল করার মতো কিছু রয়েছে। দীপকে বলেন, “একজন জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচাতে নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজেদের দেশের মানুষের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ চালাচ্ছেন।”

মোদির আর্থিক মডেল তরুণদের জন্য কাজ করছে না কেন?modi bbc

তবে বিরোধী দলগুলোর বড় লক্ষ্য ২০২৯ সালের জাতীয় নির্বাচন। রাহুল গান্ধীর এক ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টার যুক্তি, “মানুষ অবশেষে বুঝতে পারছে, বিজেপি কীভাবে নির্বাচন চুরি করছে।”

বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং ক্ষুব্ধ ভোটারদের সংগঠিত করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। তার মতে, ২০১৪ সালের পর আর কখনোই তিনি এ নিয়ে এতটা আশাবাদী ছিলেন না। আর জনবিক্ষোভ অব্যাহত থাকলে তার এই আশাবাদ আরও বাড়বে বলেই মনে করেন তিনি।

(লেখাটি দ্য ইকোনমিস্টের সৌজন্যে প্রকাশিত)

বিষয়: দিল্লিদুর্নীতিআন্দোলননরেন্দ্র মোদিবিক্ষোভভারতবিজেপিরাহুল গান্ধীকংগ্রেসজেন জিককরোচ জনতা পার্টিবিক্ষোভ মিছিলছাত্র–জনতার আন্দোলন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    অল্পেই পার পেয়ে গেলেন রোনালদো

  • ২

    নাটোরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত অন্তত ১৩

  • ৩

    ইসরায়েলে গোপন সফরে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ

  • ৪

    ‘লালন মানুষকে মানুষ হওয়ার জন্য বলেছেন’

  • ৫

    ‘মিউজিশিয়ানদের একসময় রেকর্ড নিপীড়ন করসে মালিকরা’

সম্পর্কিত
  • মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাব্য প্রমাণ নাসার হাতে?

    মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাব্য প্রমাণ নাসার হাতে?

    মঙ্গলের ওই পাথরে পাওয়া দাগগুলোর সঙ্গে পৃথিবীতে দেখা এমন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে। ব্রোজের মতে, মঙ্গলে সম্ভাব্য জৈবিক স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করার কারণ রয়েছে।

  • মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত শাসকদের সঙ্গে কেন আবার যোগাযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত শাসকদের সঙ্গে কেন আবার যোগাযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিন অং হ্লাইং এখনো যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে তার ভূমিকা এবং পরবর্তী গণ-অভ্যুত্থান দমনের পাশাপাশি ২০১৬-২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও বিতাড়নের ঘটনায় তার ভূমিকার জন্যও তিনি নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছেন।

  • ইশরাককে ঘিরে বিএনপির অস্বস্তি কতটা গভীর?

    ইশরাককে ঘিরে বিএনপির অস্বস্তি কতটা গভীর?

    ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণা একটি তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক পরিণতি। কিন্তু এর তাৎপর্য নির্ভর করবে এরপর কী ঘটে তার ওপর। তিনি কি শুধু প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়বেন, নাকি দলীয় রাজনীতিতে নিজের ভূমিকা আরও জোরালো করবেন?

  • ঘনঘন শিক্ষাক্রম বদল: শিক্ষার্থীরা কি গিনিপিগ তবে?

    ঘনঘন শিক্ষাক্রম বদল: শিক্ষার্থীরা কি গিনিপিগ তবে?

    সর্বশেষ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষাব্যবস্থার বেশ কিছু কাঠামোগত দুর্বলতা সামনে এনেছে। সাম্প্রতিক বছগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার, শিক্ষার্থীর ইংরেজি ও গণিতভীতি, রেকর্ডসংখ্যক বিদ্যালয়ে শূন্য পাসসহ নানা দিক নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ পেয়েছে শিক্ষাবিদ, অভিভাবক ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে। এর মধ্যে একটি