জেন জি

‘আমরা জেনারেশন নাইন ইলাভেন’
ইতিহাসের পাতায় হয়তো ঘটনাটি এক দিনের। কিন্তু এর প্রভাব আমরা বহন করছি বছরের পর বছর ধরে–আমাদের চিন্তায়, প্রবাসে থাকা প্রিয়জনদের অভিজ্ঞতায়, নিজেদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অভিজ্ঞতায় আর বিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতে।

কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে
সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

‘বসরা ঘণ্টার বেশি ব্রেক নেন, আমি ১০ মিনিট আগে বের হলেই দোষ’
দীর্ঘদিন ধরে ভারতে করপোরেট সংস্কৃতি নিয়ে জেন জি কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বেঁধে আসছে। মাইক্রোম্যানেজমেন্ট, ওভারটাইমের ফাঁদে পড়ে অনেক কর্মী চরম অবসাদে ভুগছেন।

ককরোচ পার্টির নেতারা কি ক্ষমতায় যেতে চায়?
সিজেপি এখনই পূর্ণকালীন রাজনীতিতে নামার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তরুণদের নেতৃত্বে তৃণমূল আন্দোলনকে শক্তিশালী করাই তাদের অগ্রাধিকার।

মোদির বিভেদের রাজনীতির কবর রচনা করল জেন–জিরা
ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। তবে রাষ্ট্রপতির তা গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা বাকি আছে। প্রধানের পদত্যাগের পর হাজার হাজার আন্দোলনকারী উল্লাসে ফেটে পড়ে। ভারতের রাজনৈতিক মহলও হতবাক। মোদি যে তার কোনো মন্ত্রীকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারেন তা ছিল চিন্তারও বাইরে।
রাজনীতি বদলাতে কি দল লাগে?
প্রচলিত রাজনৈতিক দলের বাইরে এসে দক্ষিণ এশিয়ায় জেন-জি প্রজন্মই এখন রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের সাম্প্রতিক আন্দোলনগুলো প্রমাণ করে যে তরুণরা কোনো নির্দিষ্ট দলের আনুগত্যে নয়, বরং ইস্যুভিত্তিক সুশাসন ও ন্যায্যতার দাবিতে সংগঠিত হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীকে বিদায়ই মোদির রক্ষার একমাত্র পথ
২০২৪ ও ২০২৬, মাঝে দুই বছরের ব্যবধান। বাংলাদেশের পর, ভারতেও হচ্ছে জেন-জি আন্দোলন। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

অর্থনীতি বাড়লেও কেন ক্ষুব্ধ ভারত-ইন্দোনেশিয়ার জেনজিরা?
শুধু বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নয়, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া নিজেদের দেশেও নতুন অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে জন্ম নেওয়া ‘জেন-জি’ প্রজন্ম এখন রাজনীতিতে সক্রিয় ও সোচ্চার হচ্ছে।

নেপালে সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবে দলগুলোর ভিন্নমত
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অসীম শাহের তথ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রায় ৪৪ হাজার ৬১৩টি পরামর্শ পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৯ হাজার ২৩৯টি ইমেলের মাধ্যমে এবং ২৫ হাজার ৩৭৪টি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এসেছে। তবে টাস্ক ফোর্সের কোনো নিজস্ব অবস্থান বা রাজনৈতিক এজেন্ডা তৈরি করার আইনি এখতিয়ার ছিল না।

নেপালে ফের রাজপথে জেন-জিরা, কেন?
কোনো ধরনের পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়াই বস্তিবাসীদের উচ্ছেদ এবং সরকারের অমানবিক আচরণের প্রতিবাদে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আবার উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। আজ রোববার শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত বছর যে ‘জেন-জি’ বা তরুণদের আন্দোলনের ওপর ভর করে

কঠিন বাস্তবতার মুখে দক্ষিণ এশিয়ার জেন-জি বিপ্লবগুলো
বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা বর্তমানে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। তরুণদের নেতৃত্বাধীন গণ-আন্দোলনের জোয়ারে ক্ষমতায় আসা এই দেশগুলোর তুলনামূলক নতুন সরকারগুলোর প্রতি এখনো জনগণের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।



