
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আজ বুধবার সংসদ ভবনের বাইরে জড়ো হন। তাদের অনেকেই কালো পোশাক পরেছিলেন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থানকালে আটক কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তার বোন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে কংগ্রেস সভাপতি ও গান্ধী ভাই-বোনের নেতৃত্বে দলীয় নেতা-কর্মীরা খাড়গের বাড়ির সামনে জড়ো হন এবং সেখান থেকে লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে পদযাত্রা শুরু করেন।

একইসাথে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে তার এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য সমর্থকদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন গান্ধী।

সিজেপির দাবি, পুলিশের অভিযানে অনেক আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন। এই ঘটনার জেরে তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে।

রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

নির্বাচনী ধাক্কার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত হিসাব কষে তার পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। তিনি কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নেননি। বাংলায় এই মুহূর্তে কোনো বিধানসভা নির্বাচন নেই। রাতারাতি সরকার পরিবর্তনের কোনো আইনি সম্ভাবনাও তৈরি হয়নি। কিন্তু রাজ্যের অভ্যন্তরে তৃণমূল কংগ্রেস যে নজিরবিহীন সাংগঠনিক

একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আবির্ভূত হওয়ার মতো যথেষ্ট জায়গা এখন রয়েছে। এমনকি যদি সেটি একটি তেলাপোকার রূপ ধারণ করে বা পোশাকে সেজেও আসে।

১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরে এক নির্বাচনী জনসভায় আত্মঘা*তী বো*মা হামলায় নিহ*ত হয়েছিলেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। কেন তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। মৃত্যুর আগ মুহূর্তে ভারতীয় সাংবাদিককে কেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবের কথা বলেছিলের তিনি? কেমন ছিল রাজীব গান্ধীর জীবন

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নামমাত্র প্রচারেই দায় সেরেছেন। পশ্চিমবঙ্গ বাদ দিলেও অন্য রাজ্যেও কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি বা প্রচারের জৌলুস বিজেপির তুলনায় নিমিত্ত মাত্র।

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে নরেন্দ্র মোদি ‘কংগ্রেস মুক্ত’ ভারতের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে শুধু কংগ্রেস নয়, বিজেপি-বিরোধী মুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন মোদি ও তার রাজনৈতিক সহযোগীরা।

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করেও যেসব তরুণী দূর থেকে চিত্রগুলোর মাধ্যমে রাজনীতিকে দেখছেন, তাদের জন্য এই মুহূর্তগুলো একটি নীরব শিক্ষা বহন করে। তারা কেবল নির্বাচনের ফলাফল দেখছেন না, বরং তারা দেখছেন কত দ্রুত কর্তৃত্বকে ব্যর্থতা হিসেবে সাজানো যায়, কত সহজে আত্মবিশ্বাসকে বাড়াবাড়ি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং কীভাবে অ

কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ বলেন, “কেরালার সাধারণ মানুষ আমাদের যে বিপুল জনসমর্থন দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এটি এলডিএফ সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট রায়। গত ডিসেম্বরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলেরই প্রতিফলন ঘটেছে এই বিধানসভা নির্বাচনে।”

বিজেপি দাবি করেছিল, তারা দু শরও বেশি আসন পাবে। কিন্তু তারা থামে ৭৭-এ। প্রাপ্ত ভোটের হার ৩৭.৯৮। পরে অবশ্য দলবদলের হাত ধরে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয় ২১৯ এবং বিজেপির কমে ৬৪। আর সিপিআইএম-কংগ্রেসের সম্মিলিত জোট পায় মাত্র ১০ শতাংশ ভোট। আসন বলতে আইএসএফের একটি। কংগ্রেস ০, সিপিএম ০।

জরিপ অবশ্য বলছে, ফের ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)। বিজেপিও ভোটের লড়াইতে রয়েছে। গতবার খাতা খুলতে না পারলেও এবার তারা মরিয়া বিধানসভায় খাতা খুলতে।

মঙ্গলবার কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি একান্ত বৈঠকে মার্কিন অস্ত্র মজুত নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল বলে সূত্রগুলো টাইমকে জানিয়েছে।

ভোটের দিনক্ষণ এখনো ঘোষিত হয়নি। সম্ভবত এপ্রিল-মে মাসে ভোট। চলছে ভোটার তালিকা তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি। আর এই প্রস্তুতিকে ঘিরেই পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরোধ তুঙ্গে। যুযুধান দুই পক্ষের লড়াই রাজনীতির ময়দান ছাড়িয়ে দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্ট

আদর্শ নিয়ে দোটানা রয়েছে। কিছু মানুষ বামপন্থায় বিশ্বাসী, আবার ডানপন্থায় বিশ্বাসী কিছু মানুষ। তবে বেশির ভাগই অবশ্য মধ্যপন্থী অবস্থানে। শুনতে সোনার পাথরবাটি মনে হলেও বিচিত্র এই উপমহাদেশে রয়েছে বাম, ডান, সেকুলার, কমিউনাল, আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক–হরেক কিসিমের রাজনৈতিক মতাদর্শের ককটেল।

চাভান বলেন, ‘‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে: ভেনেজুয়েলায় যা হলো, তা কি ভারতেও হবে? ট্রাম্প কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাবেন?”

মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘খুবই উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা শশী থারুর।