
নারীর নিরাপত্তার প্রশ্নে ‘খাঁচাতেই’ সব সমাধান!
নিরাপত্তা প্রশ্নে বাংলাদেশ আবারও সিএনজিচালিত অটোরিকশা মডেলে ঢুকেছে। যাত্রীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা ঢাকতে যাত্রীকেই খাঁচায় ভরা হয়েছিল যে মডেলে, তা এখনো অক্ষুণ্ন।

আজকাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জেন-জি স্টাইলে ভিডিও বানাতে দেখা যায়। সম্প্রতি হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সময়ই মোদিকে জেন-জি বন্ধু বা মিত্র বলে সম্বোধন করে ভিডিও বানাতে দেখা গেছে। এমন কি ‘গেট রেডি উইদ মি’ টাইপ ভিডিও আপলোড করছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলছে, প্রধানমন্ত্রী এবার বন্ধুর মতো করে কথা বলার চেষ্টা করলেও ভারতের জেন-জির অনেকেই হয়তো নরেন্দ্র মোদিকে বন্ধু হিসেবে দেখেন না।
৭৫ বছর বয়সী এই নেতা দীর্ঘদিন ধরে বক্তৃতা, আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার এবং সুপরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে একজন শক্তিশালী নেতার ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে তিনি তরুণদের ধাঁচেই ভিডিও শেয়ার করছেন।
এক মাস আগেও মোদির ইনস্টাগ্রাম টাইমলাইনে ছিল মূলত বাছাই করা ও পরিকল্পিত পোস্ট। এখন সেখানে যুক্ত হচ্ছে আরও ‘ক্যান্ডিড’ বা স্বতঃস্ফূর্ত ধরনের কনটেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে ‘গেট রেডি উইথ মি’ ধরনের একটি রিল এবং তরুণদের উদ্দেশে দেওয়া কয়েকটি সেলফি-ধাঁচের বক্তব্য। এসব বক্তব্যে তিনি তরুণদের ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করছেন।
একটি ভিডিওতে দিল্লিতে এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় জেন-জিদের জনপ্রিয় একটি বাক্যও ব্যবহার করেন মোদি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি তার বংশের মধ্যে ‘প্রথম ব্যক্তি, যিনি একটি রকেট, একটি চিপ ও একটি ড্রোন তৈরি করেছেন’।
মোদির ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি ৬০ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে। এর ফলে প্ল্যাটফর্মটিতে তিনি সবচেয়ে বেশি ফলো করা রাজনৈতিক নেতাদের একজন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইনস্টাগ্রামে বিপুলসংখ্যক ফলোয়ার থাকলেও এতদিন প্ল্যাটফর্মটিকে বিজেপির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কৌশলের মুখ্য বিষয় ছিল না।
তবে চলতি বছর ভারতে তরুণদের নেতৃত্বে বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন উদ্যোগের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন মিম, লাইভস্ট্রিম ও ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আন্দোলনটি এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে এর রাজনৈতিক চাপের মুখে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়।
সিজেপির যাত্রা শুরু হয়েছিল নিছক রসিকতা হিসেবে। কিন্তু অনলাইন জনপ্রিয়তাকে রাজপথের সমাবেশ ও রাজনৈতিক চাপে রূপ দেওয়ার সক্ষমতা বিজেপিকে কিছুটা অপ্রস্তুত করে বলে মনে হয়েছে।
লেখক ও ভাষ্যকার অনুরাগ মাইনাস ভার্মার মতে, এক দশকের বেশি সময় ধরে বিজেপি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, ফেসবুক পেজ ও এক্স অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিজেদের বার্তা ছড়িয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক অনলাইন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। তবে তরুণ ভারতীয়দের কনটেন্ট গ্রহণ ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ধরন এখন অনেকটাই বদলে গেছে।

ভারতের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের বেশি মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। আর ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জেনারেশন জেড ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে অন্যতম বড় ভোটার গোষ্ঠীতে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে এই তরুণদের কাছে পৌঁছাতে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্মেই যেতে হচ্ছে।
এ ক্ষেত্রে ইনস্টাগ্রাম বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত ও তুলনামূলক স্বতঃস্ফূর্ত কনটেন্ট সেখানে প্রচলিত রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে তরুণদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
মোদির ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি নতুন ধরনের পোস্ট দেখা দেওয়ার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তরুণ ব্যবহারকারীরা এসব পোস্ট নিয়ে দ্রুত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ শুরু করেন।
যুবকদের বিক্ষোভের সময় নীরবতা ভেঙে মোদি তার প্রথম সেলফি-ধাঁচের ভিডিও রিল প্রকাশ করেন। ভিডিওটিতে ‘বন্ধুরা’ বলার পর দীর্ঘ বিরতি তরুণদের নজর কাড়ে। এরপর ভিডিওটির বিভিন্ন সংস্করণ তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। আলো, ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল ও উপস্থাপনার ধরন নিয়েও করা হয় নানা ধরনের ব্যঙ্গ।
পরবর্তী পোস্টগুলোতে বিজেপিকে ক্যামেরার বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল, ভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড ও আলোর ব্যবহার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দেখা যায়। শুধু মোদির অ্যাকাউন্ট নয়, বিজেপির বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজেও এখন মিম, তরুণদের প্রচলিত ভাষা এবং পপ-কালচারের নানা আধেয় ব্যবহার করা হচ্ছে।
তবে এই উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
২২ বছর বয়সী গিন্নি মালিয়া বিবিসিকে জানান, তার বয়সী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে বিজেপির আগ্রহ তিনি বুঝতে পারেন। তবে তার মতে, “হঠাৎ করে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সময়টিই আসলে আমাদের খতিয়ে দেখা দরকার।”
এই তরুণীর ভাষ্য, বিজেপির ভিডিওগুলোতে জেন-জিদের ভাষা ও কনটেন্টের ধরন অনুসরণ করার চেষ্টা দেখা গেলেও তরুণদের বিক্ষোভের পেছনে থাকা উদ্বেগ ও অসন্তোষের সমাধান সেখানে নেই।
বিক্ষোভের পর বিজেপি একটি জিমে ধারণ করা রিল প্রকাশ করে। সেখানে তরুণদের পাশাপাশি একজন বয়স্ক প্রশিক্ষককে তরুণদের বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিতে দেখা যায়। কিন্তু ভিডিওটির নিচে অনেক মন্তব্যে সেটিকে ‘ক্রিঞ্জ’ বা বিব্রতকর বলে আখ্যা দেওয়া হয়।
আরেকটি ভিডিওতে নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় সিটকম ‘ফ্রেন্ডস’-এর টাইটেল গান ব্যবহার করে বলা হয়, ‘পিএম মোদি আপনার পাশে আছেন।’ তবে ‘ফ্রেন্ডস’ মিলেনিয়ালদের মধ্যে জনপ্রিয় হলেও জেন-জিদের কাছে সিরিজটি তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত।
গিন্নি মালিয়ার মতে, তার বয়সী তরুণরা এসব ভিডিওকে রাজনৈতিক বার্তা বা তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন না; বরং ‘কমেডি কনটেন্ট’ হিসেবেই দেখছেন।
তরুণদের কাছে পৌঁছানোর বিজেপির এই প্রচেষ্টা আশানুরূপ ফল দিচ্ছে না বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। দলটিও বিষয়টি বুঝতে পেরেছে বলে মনে হচ্ছে। বিক্ষোভ চলাকালে মোদি তার মন্ত্রীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও সক্রিয় হতে এবং তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে বলেছিলেন বলে জানা গেছে।
‘হিন্দুস্তান টাইমস’ জানিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কার্যক্রমের একটি ‘রিপোর্ট কার্ড’ দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর মধ্যে বিজেপি তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমবিষয়ক প্রধান অমিত মালব্যকেও সরিয়ে দিয়েছে। তিনি ২০১৫ সাল থেকে এ দায়িত্বে ছিলেন। কিছু বিশ্লেষকের মতে, তরুণদের বিক্ষোভের সময় অনলাইনে বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা নিজেদের পক্ষে নিতে দলের ব্যর্থতাও এ পরিবর্তনের একটি কারণ হতে পারে।
তবে তরুণদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা শুধু বিজেপি করছে না। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত সেলফি-ধাঁচের ভিডিও ও ছবি পোস্ট করেন। বিক্ষোভের পর তিনি ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ আয়োজন করেন এবং মজার ভঙ্গিতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তবে ইনস্টাগ্রামে মানুষের নজর কাড়া এক বিষয়, আর সেখানে কী আলোচনা হবে তা নিয়ন্ত্রণ করা আরেক বিষয়।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জয়জিৎ পাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করেন। তার মতে, বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে এক্স ও হোয়াটসঅ্যাপে নিজেদের সমর্থকদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বার্তা ছড়িয়েছে এবং অনলাইন আলোচনার গতিপথ প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ইনস্টাগ্রামে একই কৌশল কার্যকর নাও হতে পারে।
ইনস্টাগ্রাম সাধারণত এমন কনটেন্ট বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়, যেগুলোতে ব্যবহারকারীদের বেশি আগ্রহ ও অংশগ্রহণ থাকে। কোনো ভিডিও কতক্ষণ দেখা হচ্ছে, মানুষ সেটি আবার দেখছে কি না, কতবার শেয়ার করছে এবং কত মন্তব্য করছে—এসব বিষয় এতে গুরুত্বপূর্ণ।
জয়জিৎ পাল বলেন, মাত্র ২০০ অনুসারী থাকা কোনো অ্যাকাউন্টের রিলও এক কোটি বার দেখা যেতে পারে। আবার বিপুলসংখ্যক অনুসারী থাকা কোনো অ্যাকাউন্টের ভিডিও কয়েক হাজার ভিউও পেতে পারে।
তার মতে, এটি বিজেপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ তাদের পুরোনো কৌশল এমন একটি ইন্টারনেট ব্যবস্থার জন্য তৈরি হয়েছিল, যেখানে সংগঠিত সমর্থক ও নেটওয়ার্কের ভূমিকা বেশি ছিল। বর্তমান প্ল্যাটফর্মগুলো মানুষের অনুভূতি ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ওপর বেশি নির্ভরশীল।
আরেকটি সমস্যা হলো, কোনো ভিডিও প্রকাশের পর সেটি কীভাবে ব্যবহৃত হবে, তার ওপর বিজেপির নিয়ন্ত্রণ কমে যেতে পারে। মোদির প্রথম রিল এর উদাহরণ। ভিডিওটি ৪০ কোটির বেশি বার দেখা হলেও তরুণরা সেটি সম্পাদনা করে নানা ব্যঙ্গাত্মক সংস্করণ তৈরি করেন। ফলে মোদি যে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন, নতুন সংস্করণগুলোতে তার সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ তৈরি হয়।
অনুরাগ ভার্মার মতে, ইনস্টাগ্রাম এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ গুরুত্বপূর্ণ। ফলে গুরুতর রাজনৈতিক বার্তাও রিল আকারে প্রকাশ করা হলে তা ট্রলের শিকার হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জেন-জিদের আকৃষ্ট করার বিজেপির প্রচেষ্টাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ারও সুযোগ নেই।
নির্বাচনে বিজেপির সাফল্য এখনো ইনস্টাগ্রাম কনটেন্টের জনপ্রিয়তার চেয়ে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও দীর্ঘদিনের সমর্থনভিত্তির ওপর বেশি নির্ভরশীল।
জয়জিৎ পাল বলেন, “নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সক্ষমতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় জয়ী হওয়ার সক্ষমতা এক বিষয় নয়।”
তার মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেন-জিদের বড় অংশ বিজেপিকে অপছন্দ করলেও দলটি বড় ব্যবধানে নির্বাচনে জয়ী হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই ডিজিটাল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বিজেপির জন্য একটি শেখার প্রক্রিয়া। নির্বাচনী প্রচারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে দলটি শুরু থেকেই এগিয়ে ছিল। পরে পডকাস্ট ও ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের মতো নতুন মাধ্যমও গ্রহণ করেছে।
জয়জিৎ পালের মতে, বিজেপি শেষ পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতাও বুঝে নিতে পারে। তবে এর জন্য সময় লাগবে এবং বর্তমান পরিস্থিতি থেকে দলটিকে নতুন কিছু নিয়ম শিখতে হবে।

নিরাপত্তা প্রশ্নে বাংলাদেশ আবারও সিএনজিচালিত অটোরিকশা মডেলে ঢুকেছে। যাত্রীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা ঢাকতে যাত্রীকেই খাঁচায় ভরা হয়েছিল যে মডেলে, তা এখনো অক্ষুণ্ন।

গত কয়েক দিন ধরে ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন কিছু বিলবোর্ড দেখা গেছে। এসব বিলবোর্ডে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের দায়িত্ব নেওয়া সাত নেতার ছবি রয়েছে। তবে বিলবোর্ডে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো–নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কোনো ছবি নেই।

১৯৫৩ সালে ইরানের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেককে ক্ষমতাচ্যুত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করেছিল। সেই ঘটনার সাত দশকেরও বেশি সময় পর আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ শুরু হয় ২৮ ফেব্র

ট্রাম্পের নির্দেশের পর দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া অর্ধেক পেরোতেই শেষ করে দেওয়া হলো। বছরের শেষদিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে মিত্র দেশগুলো বিস্মিত, আর দক্ষিণ কোরিয়ার মাথায় হাত। কেন?