Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

আওয়ামী লীগ ‘নিষিদ্ধ’ থাকায় বিএনপির কী লাভ

সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ০৭
আওয়ামী লীগ ‘নিষিদ্ধ’ থাকায় বিএনপির কী লাভ

বর্তমান জাতীয় সংসদে যেই বিরল কয়েকটি বিষয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি মতৈক্যে পৌঁছেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখা। এর মাধ্যমে তারা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করল। যদিও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সম্পর্কিত অনেক অধ্যাদেশ তারা নির্বিচারে রহিত করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক লাভক্ষতির চেয়েও জরুরি প্রশ্ন হলো, এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী হবে? না প্রতিপক্ষকে অদৃশ্য করার মধ্য দিয়ে নিজের শক্তি বাড়ানোর পুরনো কৌশলই বিএনপি গ্রহণ করল?

Advertisement

ইতিহাসে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার মোক্ষম আইনি অস্ত্রটি ব্যবহারের বহু নজির আছে। পাকিস্তান আমলে দীর্ঘ সময় কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ ছিল। আবার ১৯৫৩ সালে কাদিয়ানি দাঙ্গাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। স্বাধীনতার পর ধর্মের ভিত্তিতে দল করার অনুমতি ছিল না। তদুপরি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা ও দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর সহায়ক ভূমিকা পালনের জন্য মুসলিম লীগ, জামায়াত, পিডিপি ও নেজামে ইসলামকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এসব দল নিষিদ্ধই ছিল।

পঁচাত্তরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমানের শাসনামলে প্রথমে আইডিএলের নামে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পায়। ততদিনে ধর্মীয় দলগুলোর ওপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। একই সময়ে কমিউনিস্ট পার্টি ও খন্দকার মোশতাক আহমদের ডেমোক্রেটিক লীগকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।

১৯৭৯ সালের নির্বাচনের পর জামায়াত নিজের নামে আবির্ভূত হওয়ার পর দলটিকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দুই দলই একে অপরকে ঠেকাতে জামায়াত ও জাতীয় পার্টিকে পক্ষে নিয়েছে। বিএনপিকে ঠেকাতে আওয়ামী লীগ অন্তত তিনটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ডামি বিরোধী দল করছিল। বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের সুযোগ পেলে ভোটের হিসেব নিকেশ বদলে যেত এবং জামায়াত প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত নাও হতে পারত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আওয়ামী লীগ তার কৃতকর্মের ফল ভোগ করবে। অতীতে আরও অনেক দলের ভাগ্যে সেটি ঘটেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগকে আইন করে নিষিদ্ধ করার পক্ষে কী যুক্তি থাকতে পারে? দলের যেসব নেতা হত্যা ও দমনপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বিচার হোক। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নেই করে দেওয়া হলে অন্য দলকেও একই পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হতে পারে। কোনো দল রাজনীতি করতে পারবে কি না সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক জনগণ। তাদের হাতেই বিষয়টি ছেড়ে দেওয়া উচিত।

লেখক গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ লিখেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ আর জামায়াতে ইসলামী সংসদের প্রধান বিরোধী দল–এটা বাংলাদেশের রাজনীতির বড় প্যারাডক্স। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক চরচার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সরকার যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে, সেটা হবে পৃথিবীতে দ্বিতীয় উদাহরণ স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়ী হওয়া দলটির এই ভাগ্য বরণ করা। এর আগে ঘানার স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলটিকে নিষিদ্ধ করেছিল দেশটির পরবর্তী শাসক।

অন্তর্বর্তী সরকার যখন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল তখন দেশে স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ছিল না। সদ্য বিদায়ী ক্ষমতাসীন দলটির বিরুদ্ধে প্রতিক্রয়াও ছিল প্রবল। সেই প্রতিক্রিয়া জনপরিসরে যে এখন নেই তার প্রমাণ বিগত নির্বাচনে সব দলই আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল।

অন্তবর্তী সরকারের ভিত ছিল দুর্বল। তদুপরি অদৃশ্য আওয়ামী লীগের প্রতি তাদের ভয় ছিল, যদি তারা প্রকাশ্যে আসে নির্বাচনটি করা সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু নির্বাচিত সরকারের সেই ভয় থাকার কথা নয়।

তারপরও আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখার বিধানটি আইনে পরিণত করার পেছনে কি এক ঢিলে দুই পাখি মারার কৌশল কি না সেই প্রশ্নও উঠেছে। প্রথমত এর মাধ্যমে তারা বিরোধী পক্ষকে ‘সন্তুষ্ট’ করল। তাদের কাছে আওয়ামী লীগে রাজনীতি নিষিদ্ধ রাখাই প্রধান সংস্কার।

গত বুধবার জাতীয় সংসদে এ–সংক্রান্ত ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল’ পাস হয়। পাস হওয়া বিলে অধ্যাদেশের বিষয়বস্তুতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। অধ্যাদেশের মাধ্যমে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সংশোধনী এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

এর আগে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান ছিল না। তখন বলা ছিল, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে ওই ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে। তবে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধনী এনে সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি হুবহু এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে সংসদে অনুমোদের সুপারিশ করেছিল জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি রহিত করা হয় এবং ১৬টি পরবর্তী সময়ে আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আনার সুপারিশ করা হয়।

২০২৫ সালের ১১ মে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধনে জারি করা অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। তখন সংসদ কার্যকর না থাকায় আইনটি অধিকতর সংশোধন করে আশু ব্যবস্থা নিতে সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন। পরে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। যার ধারাবাহিকতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল’ পাস হয়। কিন্তু, পাস হওয়া বিলে অধ্যাদেশের বিষয়বস্তুতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

এখানে অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপি সরকার উভয়ই চালাকির আশ্রয় নিয়েছে। এর আগে যত রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেখানে সংগঠনকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখানে দল নয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, একটি রাজনৈতিক দলের সত্তা ও কার্যক্রমের মধ্যে ফারাক কী। রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ হলো সভাসমাবেশের মাধ্যমে জনমত তৈরি করা, দলীয় নীতি ও আদর্শ জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় সেই কাজটি আওয়ামী লীগ করতে পারবে না। তাহলে করবে কি? এর মাধ্যমে দলটির ওপর জনগণের যে ক্ষোভ ছিল সেটা প্রশমিত হবে। বরং তাদের সহানুভূতি পাবে আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতায় থাকতে আওয়ামী লীগ বিএনপির ওপর দমনপীড়ন চালিয়েছে। হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গায়েবি মামলায় জেলে পাঠিয়েছে। কিন্তু তারা দল নিষিদ্ধ করেনি। বিএনপি সরকার তার জবাব দিল অন্তর্বর্তী সরকারের ঘাড়ে বন্দুক রেখে।

কিন্তু অন্তর্বর্ন্তী সরকার যখন সন্ত্রাসদমন আইনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল, তখন বিএনপি নেতাদের কণ্ঠে ভিন্ন কথা শোনা গেছে। তারা বলেছিলেন, আইন করে কোনো দলকে নিষিদ্ধ করাকে বিএনপি সমর্থন করে না। ভোটের মাধ্যমেই জনগণ রায় দিক কোনো দল রাজনীতিতে থাকবে কি থাকবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো আওয়ামী লীগকে প্রকাশ্য রাখার ঝুঁকি যেমন অন্তর্বর্তী সরকার নেয়নি, বিএনপি সরকারও নিতে চায় না।

কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত আখেরে কি দেশের গণতন্ত্রের ভিত শক্তিশালী করবে? বিএনপি যদি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে উচিত শিক্ষা দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যায় অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করে থাকে, ভবিষ্যতে তাদেরও একই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হতে পারে। রাজনীতির মাঠে আওয়ামী লীগ প্রতিপক্ষ থাকলে খেলাটা সমানে সমান হবে। আর জামায়াতে ইসলামী বা অন্য কোনো দল থাকলে তাকেও আরও ডানপন্থার দিকে ঝুঁকতে হবে।

লেখক: সম্পাদক, চরচা।

বিষয়: বিএনপিএনসিপিনিষিদ্ধরাজনৈতিক দলআওয়ামী লীগজামায়াতে ইসলামী
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ২

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

  • ৩

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

  • ৪

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

সম্পর্কিত
  • দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

  • ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।

  • সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

    দু বছর পর যখন এ বেতন স্কেল পুরো কার্যকর হবে তখন মুদ্রাস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা দেখার বিষয়। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো ছাড়া হয়তো উপায়ও ছিল না। তবে এর ফলে বাড়বে সকল ধরনের পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়সহ ভোগ্যপণ্যের দাম।

  • ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

    ২০২৪-এর পর থেকে এই অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটা আমরা বেশি শুনছি। এটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল এবং শিডিউলড কাস্টের ব্যাপারে, নিম্নবর্গের ব্যাপারে অন্তর্ভুক্তিমূলকের দশা কিন্তু খুবই খারাপ।